View AllOnline Earning

May 22, 2017

দীর্ঘ বিরতির পর সম্প্রতি সময়ের ওয়েব জগতে সাড়াজাগানো গুরুত্বপূর্ণ টপিক AMP এর সকল সুবিধা অসুবিধা’সহ টুকিটাকি বিষয় নিয়ে লিখতে বসলাম। অন-লাইনে আর্টিকেল শেয়ার করা ইচ্ছা থাকলেও কাজের অধিক ব্যস্ততার কারনে ব্লগে আর্টিকেল লিখা সম্ভব হয়ে উঠে না। আজকের এই টপিকটি বর্তমান সময়ে অন-লাইনে সাড়াজাগানো একটি বিষয়। এই টপিকটি নিয়ে লিখার জন্য বিগত এক বছরে প্রায় শ’খানিক ই-মেইল অনুরোধ আমার কাছে এসেছে। বেশীরভাগ লোকের প্রশ্ন ছিল AMP কি, এর সুবিধা কি, কিভাবে ব্যবহার করতে হয়, গুগল ব্লগার ব্লগে কি এটি ব্যবহার করা যাবে? আজ আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি AMP নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করব।
AMP Blogger Template এর সুবিধা এবং অসুবিধা কি?
আপনি কি আপনার ব্লগটিকে Accelerated Mobile Pages (AMP) করতে চান, কিংবা এ সম্পর্কে বিস্তারিত সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে আমাদের আজকের এই পোস্টে বিস্তারিত জানতে পারবেন। তবে এ সম্পর্কে বিস্তারিত লিখার পূর্বে দু’টি বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে বলে রাখছি, বেশীরভাগ ভালমানের Website এখনো পর্যন্ত AMP ব্যবহার করছে না এবং আপনি অন-লাইনে যে সমস্ত Blogger Template এ AMP এর ব্যবহার দেখতে পান, আসলে সেগুলির কোনটিই পরিপূর্ণ AMP অপটিমাইজ নয়।

AMP কি?

AMP HTML হচ্ছে গুগল কোম্পানি সমর্থিত একটি Open Source Project, যা একটি ওয়েবসাইটের Content-কে যে কোন ধরনের মোবাইল ডিভাইসে দ্রুত লোড নিতে সাহায্য করে। আরো ভালভাবে বলা যায়, একটি মোবাইল ডিভাইসের মধ্যে AMP যে কোন ওয়েবসাইটকে একটি দ্রুতগামী বুলেটের’মত লোড নিতে সক্ষম। তবে এই সুবিধা নেওয়ার জন্য আপনার ব্লগে শুধুমাত্র Google AdSense ব্যতীত প্রায় সকল ধরনের বিজ্ঞাপন’সহ Third Party Scripts ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

AMP এর সীমাবদ্ধতা (Restrictions)

  • শুধুমাত্র Asynchronous Scripts গ্রহন করে।
  • Third Party Scripts ব্যবহার করা যাবে না।
  • সব CSS In-line এ রাখা’সহ আকারে 50,000 bytes এর মধ্যে থাকতে হবে।
  • ফন্ট ট্রিগারিং অবশ্যই ভাল হতে হবে।
  • মিনিমাম Web Resource Loading করে।
  • সব Resource এর সাইজ Statically হয়ে থাকে।

Blogger Template কি AMP করা যাবে?

এই প্রশ্নের উত্তরে সংক্ষেপে বলা যায় যে, ব্লগার টেমপ্লেট আংশিকভাবে Accelerated Mobile Pages (AMP) করা যাবে। Blogger Team অফিসিয়ালভাবে এখনো পর্যন্ত কোন টেমপ্লেটে AMP ব্যবহার করছে না। কারণ Blogger Template Editor এ XHTML ভার্সনে বর্তমানে AMP HTML Tag সাপোর্ট করছে না। যারা বর্তমানে AMP Theme ব্যবহার করছে, তারা Google Blogspot এর নিয়ম ভেঙ্গ করে ব্যবহার করছে। যার দরুন ব্লগার টেমপ্লেটের অভ্যন্তরে থাকা অনেক মূল্যমান অপশন এর সুবিধা হারাচ্ছেন, যা একটি ব্লগকে দীর্ঘ দিন পরিচালনা করতে সমস্যায় ফেলবে। উদাহরনের মাধ্যমে বিষয়টি আরো পরিষ্কার করছি।

উদাহরণ- এ ধরনের Theme কে এভাবে বলা যায় যে, একটি R15 মোটর সাইকেলের ভীতরে Discover মোটর সাইকেলের ইঞ্জিন বসিয়ে দেওয়া। অর্থাৎ সাইকেলটি আপাত দৃষ্টিতে দেখতে R15 মনে হবে কিন্তু কার্যক্ষমতা বা ফিচার্স কোনভাবে সেই তুলনায় হবে না। একটি R15 সাইকেল যে Speed এ চলবে, এই গাড়ীটি সেই পরিমান Seed এ কোনভাবেই চলবে না। এটাকে অহেতুক সময় নষ্ট করা ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না।

আপনি অবশ্যই Blogger Template কে AMP করতে পারবেন, কিন্তু ব্লগার Theme এর অনেক মূল্যমান Default Feature সহ ব্লগের সুন্দর্য হারাতে হবে। AMP ব্লগে টেমপ্লেট’সহ পোস্টের ভীতরে থাকা কোডগুলিকে Convert করে Ugly Flat Css/Html করার পাশাপাশি ব্লগের Third Party Fancy Jquary এবং JavaScript নষ্ট দেবে।

সাধারণত AMP কিছু Custom HTML Tag ব্যবহার করে। আর সেগুলি Template এর ভীতরে যুক্ত করলে টেমেপ্লেট AMP Validate হয়ে যায়। যখন ব্লগটি AMP Validate হয়ে যাবে, তখন Google Search Result এ আপনার ব্লগের পাশে একটি AMP আইকন শো করবে। এর ফলে আপনি পূর্বের চাইতে বেশী Traffic পাবেন কিন্তু অনেক ধরনের Feature হারাতে হবে।
AMP Blogger Template এর সুবিধা এবং অসুবিধা কি?

AMP and Responsive Template এর পার্থক্য

এ দু’টির মধ্যে পার্থক্য নিয়ে লিখার আগে সংক্ষেপে বলা দরকার যে, AMP হচ্ছে AMP=Responsive Template + Custom HTML ট্যাগ। আপনার ব্লগটিকে AMP করার পূর্বে অবশ্যই Mobile Responsive করে নিতে হবে। সে জন্য অবশ্যয় Responsive এর নিয়মানুসারে Css Media Quarries ও Break Points যুক্ত করে নিতে হবে। AMP হচ্ছে একটি Responsive Template কে Custom HTML ট্যাগ যুক্ত করে অপটিমাইজ করার উপায় মাত্র।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- আপনি একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গেলেন। সেই অনুষ্ঠানে ইচ্ছামত খুরমা, পোলাও, মাংস ও বোরহানি খেলেন। পরিশেষে ঐ সবগুলি খাবারকে সহজে ডায়েট করার জন্য একটি Coca Cola  খেলেন। ঠিক তেমনি একটি Responsive Template এর সাথে কিছু অতিরিক্ত HTML Tag যুক্ত করে দ্রুত লোড নেওয়াটাই হচ্ছে AMP এর কাজ।

AMP Template কি Responsive Template এর চাইতে দ্রুত লোড নেয়?

এ কথা নিঃসন্দেহে সবাইকে স্বীকার করতে হবে যে, একটি Proper AMP অপটিমাইজ Template যে কোন ধরনের নরমাল Responsive Template এর চা্ইতে  দ্রুত লোড নেবে। তবে ওয়েব ডেভেলপার যদি সঠিকভাবে কোডিং করতে না পারেন, তাহলে সে ধরনের AMP Template একটি Responsive Template এর চাইতে দ্রুত লোড নিতে সক্ষম হবে না।

তাছাড়া Responsive Template ব্লগের Sidebar ও Footer লোড নেওয়ার পাশাপাশি সকল ধরনের Third Party Scripts গুলিও Load নেয়। একটি Responsive Theme হচ্ছে Desktop ভার্সনের পরিপূর্ণ Feature সম্বলিত Mobile ভার্সন। Responsive Template এর মাধ্যমে কম্পিউটার ভার্সনের পরিপূর্ণ সুবিধা নেওয়া যায়।

অন্যদিকে AMP Template 50,000 bytes এর অধিক সাইজের Style Sheet ব্যবহার করতে পারে না। অধিকন্তু আপনি এ ধরনের টেমপ্লেটে বিভিন্ন ধরনের Third Party Widgets যেমন Add-to-cart buttons ও Social Media Sharing Buttons সহ আরো অন্যান্য উইজেটস ব্যবহার করতে পারবেন না।

AMP Template এর সুবিধা

  1. AMP Template যে কোন Normal Theme এর চাইতে দ্রুত Load নেবে।
  2. ব্লগের Traffic বৃদ্ধি করতঃ Ranking বৃদ্ধি করবে।
  3. ব্লগের পেজ দ্রুত লোড হওয়ার দরুন Page View বৃদ্ধি পাবে।
  4. সংবাদ পত্রের ক্ষেত্রে AMP Template হচ্ছে Better Choice.

AMP Template এর অসুবিধা

  1. বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন হতে আয়ের পরিমান হ্রাস পাবে।
  2. ব্লগের সাথে যুক্ত ডিফল্ট Scripts এবং Widgets ব্যবহার করতে পারবেন না। 
  3. ব্লগের ডিফল্ট Comment Form টি ব্যবহার করা যাবে না।
  4. Iframe 600px এর অধিক হলে লোড নেবে না।
  5. ব্লগপোষ্টে অভ্যন্তরের সকল <img> ট্যাগ এর পরিবর্তে <amp-img> ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে। আপনার ব্লগে পোষ্টের পরিমান বেশী হয়ে থাকলে এটি অনেক সময় সাপেক্ষ একটি বিষয়।
  6. ব্লগের সাইডবারে কোন উইজেট ব্যবহার করতে পারবেন না। কারণ ব্লগের সাইডবারটি Google এর Scripts এর মাধ্যমে লোড নেয়, সেহেতু আপনি সাইডবারে কোন Widgets যুক্ত করতে পারবেন না।
  7. Add-to-Cart button যুক্ত করা যাবে না।
  8. পোস্টের ভীতরের Embedded Videos ও Audios গুলির সাইজ পরিবর্তন করতে হবে। অন্যথায় এগুলিও ব্যবহার করা সম্ভব হবে না।
  9. Email Subscription Form ব্যবহার করা যাবে না। কারণ onclick, action, onsubmit, onfocus, onblur attributes গুলি AMP Allowed করে না।
  10. শুধুমাত্র Google AdSense ব্যতীত অন্য কোন ধরনের বিজ্ঞাপন সাপোর্ট করে না।
  11. টেমপ্লেটের শুরুতে <xmlns> attribute দিয়ে শুরু করা হয়। যার ফলে ওয়েব ব্রাউজারগুলি সহজে টেমপ্লেটের ভাষা বুঝতে পারে। কিন্তু AMP এর ক্ষেত্রে amp="amp" attribution দিয়ে শুরু করা হয়। যা w3.org এর Validate না হওয়াতে অনেক সময় পেজ লোড নিতে সমস্যা হবে।

AMP সম্পর্কে আমাদের পরামর্শ

সত্য কথা বলতে AMP সব ধরনের ব্লগ/ওয়েবসাইটের জন্য Perfect Choice নয়। বিশ্ব বিখ্যাত ব্লগ Washington Post, CNN, The Wall Street Journal, Hearst, The Guardian ও The New York Times সহ বেশ কিছু ওয়েবসাইট বিগত প্রায় এক বৎসর AMP ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছিল, কিন্তু সম্প্রতি এই জনপ্রিয় ওয়েবসাইটগুলি AMP অপশন Remove করে দিয়েছে। আপনি যে কোন ধরনের মোবাইল থেকে Google এ সার্চ করলে এর সত্যতা যাচাই করতে পারবেন।

AMP আপনার ব্লগের Speed অনেকাংশেই বৃদ্ধি করবে কিন্তু আপনি ইচ্ছে করলে এ ধরনের টেমপ্লেটে সকল ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে পারবেন না। যার ফলশ্রুতিতে আপনার ব্লগের আয়ের পরিমান অনেকাংশেই কমে যাবে। তাছাড়া অধিকাংশ ভালমানের ব্লগাররা AMP ব্যবহার করে ব্লগের আয়ের পরিমান বৃদ্ধি করার ব্যাপারে কোন সাপোর্ট পাননি মর্মে মন্তব্য করেন। তাছাড়াও AMP ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন মূল্য যে কোন Responsive টেমপ্লেট এর চাইতে কম বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।

ব্লগার প্লাটফর্মের ক্ষেত্রে এখনো পর্যন্ত AMP বেটার অপশন নয়। কারণ এই অপশনের জন্য গুগল এখনো কোন ধরনের অফিসিয়াল সাপোর্ট দিচ্ছে না। সে জন্য আপনি একটি Blogger Template কে কোনভাবে পরিপূর্ণ AMP ভার্সনের রূপান্তর করতে পারবেন না। আমি আপনাদের বলব- ব্লগার টিম যতক্ষণ পর্যন্ত অফিসালভাবে AMP সাপোর্ট না করছে তথক্ষণ পর্যন্ত ব্লগে AMP ব্যবহার না করার পরামর্শ দিচ্ছি। যখন ব্লগার টিম অফিসিয়ালভাবে সাপোর্ট দেবে তখন তারা একটি Template-কে কিভাবে পরিপূর্ণ AMP উপযোগী করতে হবে তাও বিস্তারিত বলে দেবে।

উল্লেখ্য যে, প্রযুক্তি ডট কম এখনো পর্যন্ত AMP ব্যবহার করছে না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত অফিসিয়ালভাবে সাপোর্ট না দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা AMP ব্যবহার করব না। অফিসিয়ালভাবে সাপোর্ট করার পর আমরা এ বিষয়ে টিপস শেয়ার করব।

মতামতঃ সবশেষে সংক্ষেপে একটি কথাই বলব, ব্লগার ইউজাররা আপাতত AMP ব্যবহার করবেন না। তারপরও চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত আপনার একান্ত নিজের উপর নির্ভর করবে। আপনারা যদি ইতোপূর্বে আপনাদের ব্লগে কেউ AMP ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আপনার মতামত সম্পর্কে আমাদের জানাতে পারেন। আমাদের আর্টিকেলের সাথে আপনার অভীজ্ঞতার মিল বা অমিলগুলিও কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। আমরা প্রতি উত্তরের মাধ্যমে আপনার ধারনা আরো পরিষ্কার করব, ইনশাআল্লাহ্।

Dec 1, 2016

ওয়েব ডিজাইনের গোড়ার দিকে ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের বাটন যুক্ত করার ক্ষেত্রে Image ব্যবহার করা হত, কিন্তু ওয়েব ডেভেলপমেন্টের উন্নতির সাথে সাথে এখন ডেভেলপাররা Image এর পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের Iconic Font ফন্ট এর মাধ্যমে CSS3 এর সমন্বয়ে বিভিন্ন ধরনের বাটন তৈরি করে ওয়েবসাইটে ব্যবহার করছেন। এতে করে এক দিকে যেমন ওয়েব পেজের Load Time বৃদ্ধি পাচ্ছে অন্যদিকে Customize করার মাধ্যমে যে কোন সময়ে ডিজাইনেরও পরিবর্তন করা সম্ভব হচ্ছে। তাছাড়াও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বাটন ব্লগের সুন্দর্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ভিজটরদের বিভিন্ন লিংকের প্রতি আকৃষ্ট করে ব্লগের Page View বৃদ্ধিতেও অবদান রাখবে।
ব্লগে CSS3 Material Design Buttons যুক্ত করুন (V2)
আমরা ইতোপূর্বে আমাদের ব্লগে এ ধরনের Material Design Animated Buttons নামে আরেকটি পোষ্ট শেয়ার করেছিলাম। সে জন্য বাটনগুলি নতুনভাবে পুনঃ ডিজাইন করাতে এগুলিকে Version-2 হিসেবে নাম দেয়া হয়েছে। আজকের বাটনগুলি আমরা দুটি ডিজাইন করেছি। একটির আইকন বাম পাশে এবং অন্যটির আইকন ডান পাশে থাকবে। যার যার পছন্দ অনুসারে ইচ্ছামত বাটন যুক্ত করে নিতে পারবেন। তাছাড়াও বাটনগুলি CSS3 এবং HTML5 এর সমন্বয়ে তৈরি করাতে যে কোন ধরনের কাষ্টমাইজ করে আপনার মনেরমত করে সাজিয়ে নিতে পারবেন।

সরাসরি দেখুন ডাউনলোড সোর্স

প্রথম ডিজাইনের স্টাইল শীটঃ

  • প্রথমে ব্লগে লগইন করুন।
  • তারপর ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Template > Edit HTML এ ক্লিক করুন।
ব্লগে CSS3 Material Design Buttons যুক্ত করুন (V2)
  • কিবোর্ড হতে Ctrl+F চেপে ]]></b:skin> অংশটি সার্চ করুন।
  • এখন নিচের Css কোডগুলি ]]></b:skin> ট্যাগের উপরে পেষ্ট করুন।
.ripple{text-align:center;display:inline-block;padding:2px 30px 2px 0;border-radius:2px;letter-spacing:.5px;border-radius:2px;text-decoration:none;color:#fff;overflow:hidden;position:relative;z-index:0;box-shadow:0 2px 5px 0 rgba(0,0,0,0.16),0 2px 10px 0 rgba(0,0,0,0.12);-webkit-transition:all 0.2s ease;-moz-transition:all 0.2s ease;-o-transition:all 0.2s ease;transition:all 0.2s ease}
a.ripple{color:#FFF;text-decoration:none;font-family:"Roboto",sans-serif}
a.yellow{color:#000}
.ripple:hover{box-shadow:0 5px 11px 0 rgba(0,0,0,0.18),0 4px 15px 0 rgba(0,0,0,0.15)}
.red{background-color:#F44336}
.pink{background-color:#E91E63}
.blue{background-color:#2196F3}
.cyan{background-color:#00bcd4}
.teal{background-color:#009688}
.yellow{background-color:#FFEB3B}
.orange{background-color:#FF9800}
.brown{background-color:#795548}
.grey{background-color:#9E9E9E}
.black{background-color:#000000}
.red:before,.pink:before,.blue:before,.cyan:before,.teal:before,.yellow:before,.orange:before,.brown:before,.grey:before,.black:before{color:#FFF;font-size:16px;font-family:FontAwesome;font-style:normal;font-weight:normal;text-decoration:inherit;margin-right:5px;padding:7px 20px;margin-right:20px}
.red:before{content:"\f06e";background:#D71C0F}
.pink:before{content:"\f019";background:#C31A53}
.blue:before{content:"\f07a";background:#1F84D5}
.cyan:before{content:"\f06e";background:#02A7BC}
.teal:before{content:"\f019";background:#027D71}
.yellow:before{content:"\f07a";color:#000;background:#E7D535}
.orange:before{content:"\f06e";background:#E98C04}
.brown:before{content:"\f019";background:#694A3F}
.grey:before{content:"\f07a";background:#8A8989}
.black:before{content:"\f06e";background:#3B3B3B}

দ্বিতীয় ডিজাইনের স্টাইল শীটঃ

  • উপরের কোডগুলির পরিবর্তে নিচের CSS কোডগুলি ]]></b:skin> ট্যাগের উপরে পেষ্ট করুন।
.ripple{text-align:center;display:inline-block;padding:2px 0 2px 30px;border-radius:2px;letter-spacing:.5px;border-radius:2px;text-decoration:none;color:#fff;overflow:hidden;position:relative;z-index:0;box-shadow:0 2px 5px 0 rgba(0,0,0,0.16),0 2px 10px 0 rgba(0,0,0,0.12);-webkit-transition:all 0.2s ease;-moz-transition:all 0.2s ease;-o-transition:all 0.2s ease;transition:all 0.2s ease}
a.ripple{color:#FFF;text-decoration:none;font-family:"Roboto",sans-serif}
a.yellow{color:#000}
.ripple:hover{box-shadow:0 5px 11px 0 rgba(0,0,0,0.18),0 4px 15px 0 rgba(0,0,0,0.15)}
.red{background-color:#F44336}
.pink{background-color:#E91E63}
.blue{background-color:#2196F3}
.cyan{background-color:#00bcd4}
.teal{background-color:#009688}
.yellow{background-color:#FFEB3B}
.orange{background-color:#FF9800}
.brown{background-color:#795548}
.grey{background-color:#9E9E9E}
.black{background-color:#000000}
.red:after,.pink:after,.blue:after,.cyan:after,.teal:after,.yellow:after,.orange:after,.brown:after,.grey:after,.black:after{color:#FFF;font-size:16px;font-family:FontAwesome;font-style:normal;font-weight:normal;text-decoration:inherit;margin-right:0;padding:7px 20px;margin-left:20px}
.red:after{content:"\f06e";background:#D71C0F}
.pink:after{content:"\f019";background:#C31A53}
.blue:after{content:"\f07a";background:#1F84D5}
.cyan:after{content:"\f06e";background:#02A7BC}
.teal:after{content:"\f019";background:#027D71}
.yellow:after{content:"\f07a";color:#000;background:#E7D535}
.orange:after{content:"\f06e";background:#E98C04}
.brown:after{content:"\f019";background:#694A3F}
.grey:after{content:"\f07a";background:#8A8989}
.black:after{content:"\f06e";background:#3B3B3B}
  • এখন Template Save করে বেরিয়ে আসুন।
  • নোটঃ আপনার ব্লগে যদি Jquery এবং Font Awesome স্টাইলশীট যুক্ত করা না থাকে, তাহলে অবশ্যই দুটি Plugging যুক্ত করে নিতে হবে।

পোষ্টের ভীতরে বাটন যুক্ত করার পদ্ধতীঃ

  • নতুন একটি পোষ্ট তৈরি করুন কিংবা পুরাতন পোষ্ট Edit করুন।
  • তারপর নিচের চিত্রেরমত পোষ্ট সেকশন হতে HTML বাটনটিতে ক্লিক করুন।
ব্লগে CSS3 Material Design Buttons যুক্ত করুন (V2)
  • উপরের চিত্রের লাল চিহ্নিত HTML বাটনটিতে ক্লিক করার পর নিচের চিত্রেরমত আপনার পোষ্টের HTML Editor দেখতে পাবেন।
ব্লগে CSS3 Material Design Buttons যুক্ত করুন (V2)
  • এখন উপরের চিত্রের লাল চিহ্নিত অংশের জায়গায় নিচের কোডগুলি যুক্ত করুন।
<a class="ripple red" href="#">Button</a>
<a class="ripple pink" href="#">Button</a>
<a class="ripple blue" href="#">Button</a>
<a class="ripple cyan" href="#">Button</a>
<a class="ripple teal" href="#">Button</a>
<a class="ripple yellow" href="#">Button</a>
<a class="ripple orange" href="#">Button</a>
<a class="ripple brown" href="#">Button</a>
<a class="ripple grey" href="#">Button</a>
<a class="ripple black" href="#">Button</a>
  • সবশেষে পোষ্টটি Publish করলেই কাজ OK.
  • নোটঃ উপরের প্রত্যেকটি লাইনে একটি করে বাটন রয়েছে। প্রতিটি বাটনের Class তার কালারের নামানুসারে করা হয়েছে, যাতেকরে সবাই সহজে তার পছন্দের বাটনটি নির্বাচন করতে পারে। যখন কোন বাটন যুক্ত করা প্রয়োজন হবে, তখন কেবলমাত্র ঐ লাইনটি যুক্ত করে দিলেই বাটন যুক্ত হয়ে যাবে।

পরিবর্তনঃ

  • উপরের CSS কোডের Grey কালারের অংশগুলি হতে বাটনের রং পরিবর্তন করতে পারবেন।
  • সবুজ কালারের অংশগুলি হচ্ছে Font Awesome আইকন এর Unicode সংখ্যা। এগুলি হতে বাটনের আইকনসহ বাটনের প্রথম অংশে ব্যাকগ্রাউন্ড কালার পরিবর্তন করা যাবে। Font Awesome আইকন এর অফিসিয়ার ওয়েবসাইট হতে খুব সহজে এই Unicode গুলি পেয়ে যাবেন।

Nov 29, 2016

কনটেন্ট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে একটি ওয়েবসাইটকে যথাযথভাবে অপটিমাইজ করার উপর একটি ওয়েবসাইটের সফলতা নির্ভর করে। একজন অন-লাইন কনটেন্ট মার্কেটার তার ওয়েবসাইটের এসইও সংক্রান্ত বিষয়গুলি যত সুক্ষভাবে পালন করতে পারবেন, সার্চ ইঞ্জিন তার ওয়েবসাইটকে তত বেশী মূল্যায়ন করবে।

প্রযুক্তির উন্নয়নের বিকাশের সাথে সাথে সার্চ ইঞ্জিনের বিভিন্ন নিয়ম প্রতিনিয়ত আপডেট এবং উন্নত হচ্ছে। সেই সাথে সবাই সার্চ ইঞ্জিনের শীর্ষে স্থান পাওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের নিত্য নতুন কৌশল অবলম্বন করে যাচ্ছেন। সার্চ ইঞ্জিনের আধুনিকায়নের ফলে সার্চ রেজাল্টের শীর্ষ তালিকায় টিকে থাকার প্রতিযোগিতায় ওয়েবমাষ্টাররাও বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করছেন। সার্চ ইঞ্জিনের এলগরিদম আপডেটের ফলে অনেক ভালমানের ওয়েবসাইট প্রতিযোগিতায় টিকতে না পারায় তাদের ভিজিটর কমে যাচ্ছে। যার ফলে অনেক ইন্টারনেট মার্কেটার তার অন-লাইন ব্যবসা ছেড়ে দিচ্ছেন।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) এর ক্ষেত্রে সবচাইতে Common ১০ টি ভূল!
প্রতিযোগিতার এই সময়ে আবার অনেকে ভালভাবে এসইও বুঝতে না পারার কারনে কিছু Common ভূল করছেন, যেগুলি তার ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের তালিকায় আরও পিছনে ফেলে দিচ্ছে। আপনি সাধারণ সেন্সে বিষয়টি চিন্তা করুন যে, প্রতিযোগিতার এই সময়ে যেখানে এসইও সঠিকভাবে করার পরেও হিমশিম খেতে হচ্ছে সেখানে ভূল এসইও করলে আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইটের কি অবস্থা হবে? সচারাচর একজন আর্টিকেল পাবলিশার যে ধরনের ভূল করে থাকেন, আমরা আজ সেই ভূলগুলি নিয়ে আলোচনা করব।

১. ভূল Keyword নির্বাচন

সঠিকভাবে Keyword নির্বাচন করতে না পারাটা হচ্ছে সবচাইতে Common একটি ভূল। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় একজন আর্টিকেল পাবলিশার Keyword নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোন গুরুত্ব না দিয়ে বা Keyword রিসার্চ না করে একটি পোষ্ট লিখতে শুরু করে দেন। এতেকরে পোষ্টের অভ্যন্তরে ভালমানের আর্টিকেল থাকা সত্বেও সঠিকভাবে উপযুক্ত Keyword নির্বাচন না করার কারনে কাঙ্খিত পোষ্টটি সার্চ ইঞ্জিনের ভাল অবস্থানে থাকতে পারে না। আপনি যে বিষয় নিয়ে লিখতে বসবেন সেটা লিখা শুরু করার পূর্বে ভালভাবে Keyword যাচাই-বাছাই করে নিবেন যে, আপনার কাঙ্খিত বিষয়ে কি ধরনের কীওয়ার্ডগুলি অন-লাইনে বেশী সার্চ হচ্ছে এবং কোন ধরনের কীওয়ার্ড এর গুরুত্ব কতটুকু ইত্যাদি ইত্যাদি। এ ক্ষেত্রে আপনি যত সঠিক ও উপযুক্ত Keyword নির্বাচন করতে পারবেন আপনার পোষ্টটি সার্চ ইঞ্জিনের সবার শীর্ষে অবস্থান পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

২. Keyword Stuffing

অধিকাংশ ওয়েবমাষ্টারগণ মনে করে থাকেন একটি আর্টিকেল লিখার সময় প্রতিটি বাক্যের মধ্যে Keyword রাখতে পারলে ভিজিটর বেশী পাওয়া যাবে। যার ফলে দেখা যায় একজন আর্টিকেল পাবলিশার তার পোষ্টের অভ্যন্তরে অযথা অপ্রয়োজনীয় জায়গাতে Keyword ব্যবহার করছেন। এ ক্ষেত্রে একটি পোষ্টে অত্যাদিক বার Keyword ব্যবহারের কারনে সার্চ ইঞ্জিন পোষ্টটি স্প্যাম হিসেবে মার্ক করে নেয়। এতেকরে একজন আর্টিকেল পাবলিশার একটি ভালমানের পোষ্ট লিখা সত্বেও সার্চ ইঞ্জিন হতে ভাল ফলাফল পায় না। আপনি একটি আর্টিকেল লিখার সময় Keyword Density টা ৫% থেকে ৬% এর মধ্যে রাখার জন্য চেষ্টা করবেন।

৩. অপ্রাসঙ্গিক Keyword ব্যবহার

এই ভূলটি আমি অনেক ভালমানের ওয়েবসাইটেও হতে দেখেছি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় একজন আর্টিকেল পাবলিশার খুব সুন্দর করে একটি পোষ্ট লিখেছেন কিন্তু তার এই পোষ্টটির জন্য যে Keyword নির্বাচন করেছেন সেটি না হয়ে অন্য কীওয়ার্ড হওয়া উচিত ছিল। এ ক্ষেত্রেও পোষ্টটি সার্চ ইঞ্জিনে ভাল র‌্যাংক করতে পারে না। কারণ সার্চ ইঞ্জিন সবসময় চায় Keyword Related আর্টিকেল। স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করুন যে, আপনি “এন্ড্রয়েড” টপিক নিয়ে একটি পোষ্ট লিখছেন কিন্তু পোষ্টের ভীতরে এন্ড্রয়েড বিষয়ের চাইতে উইন্ডোজ বিষয়ে বিশী লিখা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আপনি পোষ্টটি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন। যদিও বিষয়টি আমার উদাহরনের মত হুবহু হয় না, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর কাছাকাছি হয়ে থাকে। এ বিষয়টি ভালভাবে মাথায় রাখতে হবে আপনি যে বিষয় নিয়ে লিখছেন সেই বিষয়টিকে পোষ্টের ভীতরে বেশী প্রাধান্য দিতে হবে।

৪. Non-Original Content

কারও ব্লগ/ওয়েবসাইটের কনটেন্ট কপি না করে নিজে যে বিষয়ে পরিপূর্ণ অভীজ্ঞতা রাখেন সে বিষয়ে ভালমানের ইউনিক কনটেন্ট লিখার জন্য আমি সবসময় জোড়ালভাবে সবাইকে পরামর্শ দিয়ে থাকি। কারণ ব্লগে ভিজিটর পাওয়ার জন্য সহজ ও প্রধান মাধ্যম হচ্ছে ভালমানের ইউনিক কনটেন্ট। সার্চ ইঞ্জিনের আধুনিকায়নের ফলে সকল সার্চ ইঞ্জিনই এখন খুব সহজে কপি করা আর্টিকেল মার্ক করে নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনি যত চালাকী করে অন্যের কনটেন্ট আপনার ব্লগে পাবলিশ করেন না কেন, আপনার ব্লগের কনটেন্ট সার্চ ইঞ্জিন খুব সহজে চিনে নিতে পারবে। আপনি যখন ব্লগে নিত্য নুতন ইউনিক কনটেন্ট ব্যবহার করবেন তখন এই কনটেন্ট আপনার ব্লগে ভিজির নিয়ে আসতে সক্ষম হবে। অন্যের ব্লগ থেকে কনটেন্ট কপি করে আপনার ব্লগে ব্যবহার করলে কোন ভাবেই সফল হতে পারবেন না।

৫. Title Tags ও Meta Descriptions ভূল করা

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে এ দুটি ট্যাগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সার্চ ইঞ্জিনে যখন কোন Keyword ব্যবহার করে কিছু সার্চ করা হয়ে থাকে তখন সার্চ ইঞ্জিন সর্বপ্রথম পোষ্টের Title Tag খোঁজে থাকে। এ ক্ষেত্রে Title Tag এর ভীতরে কীওয়ার্ড পেয়ে গেলে আপনার পোষ্টটি সার্চ রেজাল্টে সহজে চলে আসবে। অন্যদিকে Title Tag এর মধ্যে Keyword টি পাওয়া না গেলে তখন সার্চ ইঞ্জিন Meta Descriptions এর অভ্যন্তরে কীওয়ার্ডটি খোঁজে থাকে। যদি Meta Descriptions এর মধ্যে Keyword টি পাওয়া যায় তাহলেও সার্চ রেজাল্টে পোষ্ট স্থান পাওয়ার অধিক সম্ভাবনা তৈরি হয়ে যায়। সে জন্য আমি বলব এ দুটি অংশ লিখার সময় অবশ্যই আপনার কাঙ্খিত Keywords এর সমন্বয়ে সুন্দরভাবে সাজিয়ে Title Tags এবং Meta Descriptions লিখবেন।

৬. Back Links না থাকা

সার্চ ইঞ্জিনের কাছে আপনার ব্লগের মূল্যবোধ বৃদ্ধিতে Back Links অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। অধিকাংশ বাংলা ব্লগাররা এ বিষয়টিকে কোন গুরুত্ব দেন না। অথচ আপনার ব্লগটি যদি ভালমানের ওয়েবসাইট/ব্লগের সাথে লিংক করা থাকে তাহলে ঐ ওয়েবসাইট হতে আপনার ব্লগে Link Juice বয়ে নিয়ে আসবে। সে জন্য শুধুমাত্র নিয়মিত পোষ্ট করে বসে থাকলে হবে না। নতুন পোষ্ট করার পর আপনার পোষ্টটির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে এমন ভালমানের ব্লগের সাথে আপনার পোষ্ট বিভিন্ন যুক্তির মাধ্যমে ঐ ব্লগের সাথে লিংক করতে পারেন। এটি আপনার পোষ্টটিতে ট্রাফিক বৃদ্ধিতেও সক্রিয়ভাবে অবদান রেখে যাবে।

৭. Internal Links না থাকা

ব্লগ পোষ্টের ভীতরে Internal Links না থাকাটা হচ্ছে আরেকটি Common Mistake. আপনি যদি এ বিষয়টি সবসময় এড়ীয়ে চলেন, তাহলে আমি বলব আপনি সবচাইতে বড় বোকামি করছেন। কারণ এ বিষয়টির জন্য কোন ধরনের ঝামেলা পোহাতে হয় না। শুধুমাত্র পোষ্ট করার সময় আপনার নতুন পোষ্টটির সাথে কিছুটা মিল রয়েছে এমন পোষ্টগুলি Anchor Text এর মাধ্যমে Link করে দিতে পারেন। এটি সার্চ ইঞ্জিন Crawler-কে আপনার নতুন পোষ্টটি দ্রুত Crawl করে Index হতে সাহায্য করবে। এ বিষয়টি যদিও আপনাকে সরাসরি সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিজিটর এনে দিতে সক্ষম হবে না কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন বা অন্য কোথা হতে আগত ভিজিটরদের ব্লগের অন্য পোষ্টগুলিতে ভিজিট করানোর মাধ্যমে দীর্ঘ সময় অবস্থান করিয়ে Page View বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে।

৮. Non-Responsive ও Non-Mobile Friendly ডিজাইন

গুগল সম্প্রতি Mobile Friendly ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য তাগিদ দিচ্ছে। কারণ মানুষ এখন কম্পিউটারের অনেক কাজই মোবাইলের মাধ্যমে সেরে নেয়। তাছাড়া গুগল গত এপ্রিল/২০১৬ মাসে ঘোষনাও দিয়েছে যাদের ব্লগ Mobile Friendly নয়, তাদের ব্লগ/ওয়েবসাইট SEO এর ক্ষেত্রে অনেক বিরূপ প্রভাব পড়বে। আপনার ওয়েবসাইটটি যদি এখনো সেই পুরনো যুগের ন্যায় শুধুমাত্র কম্পিটার ভার্সন হয়ে থাকে, তাহলে আপনি বিভিন্ন ধরনের ছোট ডিভাইস হতে ভিজিটর পাওয়ার আশাই করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে আপনার ব্লগে বড় ধরনের ট্রাফিক পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন। কাজেই একজন ভালমানের ওয়েব ডেভেলপারের মাধ্যমে আপনার ব্লগটি Responsive এবং Mobile Friendly ডিজাইন করে নেওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

৯. Social Media ব্যবহার না করা

বর্তমান সময়ে সোসিয়াল মিডিয়ার ব্যবহার এতই ব্যাপাক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে যে, সবাই ওয়েবসাইটে ট্রাফিক পাওয়ার ক্ষেত্রে সোসিয়াল মিডিয়া সাইটগুলিকে বড় ধরনের সোর্স হিসেবে ব্যবহার করছেন। এ ক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার পোষ্টগুলি ভালমানের সোসিয়াল মিডিয়াতে শেয়ার না করেন, তাহলেও বড় ধরনের ট্রাফিক হতে বঞ্চিত হবেন। আপনার ওয়েবসাইটের নামে বিভিন্ন ধরনের সোসিয়াল মিডিয়াতে একটি পেজ তৈরি করে ওগুলিতে পোষ্ট শেয়ার করে এ কাজটি করতে পারেন। তাছাড়াও সোসিয়াল মিডিয়াতে বিভিন্ন গ্রুপে জয়েন করে আপনার পোষ্ট শেয়ার করার মাধ্যমে ব্লগে ট্রাফিক বৃদ্ধি করতে পারেন।

১০. ট্রাফিক Analytics না করা

আপনার ব্লগে কোন্ ধরনের সোর্স হতে কি পরিমানে ট্রাফিক পাচ্ছেন এবং কি ধরনের কীওয়ার্ড এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক আসছে ইত্যাদি সম্পর্কে নিয়মিত পর্যালোচনা না করাটাও একটি Common Mistake. আপনি হয়ত বলতে পারেন এ বিষয়টি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের সাথে জড়িত নয় বা ট্রাফিক বৃদ্ধিতে কোন অবদান রাখবে না। হ্যা, যদিও এটি ট্রাফিক বৃদ্ধিতে সরাসরি কোন অবদান রাখবে না, তবে এটি রিসার্চ করার মাধ্যমে আপনার ব্লগের ট্রাফিক সোর্স, কীওয়ার্ডসহ আরো বেশ কিছু বিষয়ে ধারনা নিয়ে ভবিষ্যতে আপনার কি করা উচিত বা কি ধরনের কীওয়ার্ড নিয়ে পোষ্ট করা প্রয়োজন সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারনা নিতে পারবেন। বর্তমান সময়ে বহুল ব্যবহৃত এবং সবচাইতে জনপ্রিয় একটি টুলস হচ্ছে Google Analytics. আপনি ইচ্ছে করলে খুব সহজে এটি যে কোন ধরনের ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগে যুক্ত করে নিতে পারবেন। এই টুলসটি হতে খুব অল্প সময়ে একটি ওয়েবসাইটের বিস্তারিত বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পাওয়া যায়।

সর্বশেষঃ এসইও সংক্রান্ত উপরের ১০ টি বিষয়  মাথায় রেখে একজন কনটেন্ট মার্কেটার বা অন-লাইন মার্কেটার তার ওয়েবসাইটটি যদি যথাযথভাবে পরিচালনা করতে পারেন, তাহলে তিনি খুব সহজে যে কোন ভালমানের ওয়েবসাইটের সাথে প্রতিযোগিতায় পাল্লা দিয়ে সার্চ ইঞ্জিন হতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন। একজন ওয়েবমাষ্টার যতক্ষণ পর্যন্ত এ ভূলগুলি সংশোধন করে আর্টিকেল পাবলিশ না করবেন, ততক্ষন পর্যন্ত তিনি সার্চ ইঞ্জিন হতে কিছুতেই ভালমানের ফলাফল পাওয়ার আশা করতে পারবেন না।

Nov 28, 2016

কোন প্রকার সন্দেহ ছাড়া এক বাক্যে বলা যায় Google Keyword Planner হচ্ছে বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট মার্কেটের সবচাইতে জনপ্রিয় কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস। এই টুলটি ব্যবহার করে এক জন ওয়েবমাষ্টার খুব সহজে অত্যন্ত নিখুতভাবে যে কোন কীওয়ার্ড সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা নিতে পারেন। এতে করে যে কোন ব্লগার বা অন-লাইন মার্কেটার সহজে বুঝতে পারেন, তার ব্লগে বা ওয়েবসাইটে কিংবা তার ব্যবসার যে পন্য রয়েছে সেগুলি কি ধরনের কীওয়ার্ড ব্যবহার করে সার্চ ইঞ্জিনে সবাই সার্চ করছে। সে প্রেক্ষিতে একজন ব্লগার বা অন-লাইন মার্কেটার সহজে কীওয়ার্ড নির্বাচন করে তার ব্লগের আর্টিকেল সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে সবার কাছে পৌছে দিয়ে তার ব্লগের বা ব্যবসার সাফল্য বয়ে নিয়ে আসতে সক্ষম হন। আমাদের আজকের টিউটরিয়াল এর মূল বিষয় হচ্ছে Google Keyword Planner ব্যবহার করে কিভাবে উপযুক্ত Keywords নির্বাচন করা যায়?
Google Keyword Planner দিয়ে কিভাবে Keyword Research করবেন?

Keyword Research কি?

ধরুন আপনি এই মাত্র অন-লাইনে একটি পার্সনাল ব্লগ কিংবা ব্যবসায়িক ব্লগ চালু করেছেন। এ ক্ষেত্রে আপনার ব্লগের প্রচার ও প্রসারের মাধ্যমে সবার কাছে জনপ্রিয় করার জন্য প্রয়োজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)। কেবলমাত্র সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে কোন প্রকার অর্থ ব্যয় না করেই খুব সহজে আপনার ব্লগটিকে সবার কাছে পৌছে দেয়ার মাধ্যমে ট্রাফিক বৃদ্ধি করে ব্লগের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর পাশাপাশি ব্লগের সফলতা বয়ে নিয়ে আসতে পারেন। মোট কথা হচ্ছে ব্লগে ট্রাফিক বৃদ্ধি, ব্লগের প্রচার-প্রসার, ব্লগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি এবং সফলতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন সঠিকভাবে এসইও করা। অন্যদিকে ব্লগিং শুরু করার পর এসইও এর সর্বপ্রথম যে ধাপটি আসে সেটি হচ্ছে Keyword Research করা। কারণ Keyword Research এর মাধ্যমে আপনার ব্লগের বিষয়বস্তুর গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ড সম্পর্কে জানতে পারবেন। তাহলে সংক্ষেপে এ ভাবে বলা যায় যে, কোন ব্লগের গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ডগুলি খুজে বের করার জন্য যে কাজটি করা হয় সেটিই হচ্ছে Keyword Research.

SEO এর ক্ষেত্রে Keyword Research এর গুরুত্ব কতটুকু?

অন-লাইনে যা কিছু খুজা হয় তার প্রায় সবটাই করার হয় Keyword ব্যবহার করে। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে Google Search Engine এর স্বচ্ছতার কারনে সবাই এখন কোন ওয়েবসাইটের এড্রেস মনে না রেখে, তার প্রয়োজনীয় বিষয় খুজার জন্য সরাসরি Search Engine এ সার্চ করছে। সে ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে Google সার্চ ইঞ্জিন তাকে সবচাইতে ভাল টপিকটি তার সামনে এনে হাজির করছে। সার্চ ইঞ্জিনের বিশ্বস্ততার কারনে অন-লাইনে কোন কিছু খুজার ক্ষেত্রে সবাই এখন Keywords নির্ভর হয়ে পড়েছে। কাজেই সবার চাহিদার কথা বিবেচনা করে এ পদ্ধতীতে আপনার ব্লগটি সবার কাছে পৌছে দেয়ার জন্য আপনার ব্লগের বিষয়বস্তুর গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ডগুলি জেনে নিতে হবে অর্থাৎ কি ধরনের কীওয়ার্ড ব্যবহার করে আপনার ব্লগের বিষয়গুলি অন-লাইনে সার্চ হতে পারে। এ বিষয়টি যে যত সুক্ষভাবে করতে পারবে সে তার ব্লগে তত বেশী ট্রাফিক বৃদ্ধি করতে পারবে।

Google Keyword Planner কি?

Google Adwords Keyword Planner হচ্ছে Adwords Publishers দের জন্য গুগল এর একটি অফিসিয়াল টুলস। মূলত গুগলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দাতাদেরকে বিজ্ঞাপন দেয়ার পূর্বে তাদের ওয়েবসাইটের কীওয়ার্ডস সম্পর্কে ধারনা দেয়ার জন্য এ টুলসটি চালু করে, কিন্তু এটিতে Keyword Research অপশন উন্মুক্ত থাকার কারনে Adwords Publishers এবং Webmaster উভয়ই এটি ব্যবহার করতে পারেন। যে কোন ধরনের কীওয়ার্ড সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা নেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকরী একটি ফ্রি টুলস।

Keyword Planner Interface and Keyword Tools পরিচিতি:

  • প্রথমে এই লিংকে ক্লিক করে আপনার Gmail ID এবং Password দিয়ে লগইন করুন।
  • লগইন করার পর নিচের চিত্রেরন্যায় অপশন দেখতে পাবেন।
Google Keyword Planner দিয়ে কিভাবে Keyword Research করবেন?
  • উপরের চিত্রে Google Keyword Planner এর চার টি অপশন রয়েছে। আমরা কেবলমাত্র উপরের তীর চিহ্নিত অপশনটি ব্যবহার করব। একজন ব্লগার বা ফ্রি ল্যান্সার এর ক্ষেত্রে উপরের অপশনটি সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলেই সঠিক Keywords পেয়ে যাবেন।
  • এখন উপরের তীর চিহ্নিত অপশনটিতে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
Google Keyword Planner দিয়ে কিভাবে Keyword Research করবেন? 
কীওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে আলোচনা করার পূর্বে উপরের সবগুলি অপশন এক পলকে ভালভাবে জেনে নেই। কারণ কীওয়ার্ড রিসার্চ এর ক্ষেত্রে এই অপশনগুলি হচ্ছে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। এই অপশনগুলি ব্যবহার আপনি আপনার যে কোন কীওয়ার্ড এর যাবতীয় বিষয় জানতে পারবেন।
  1. Your Product or Service: এই অপশনের খালি ঘরটিতে আপনি যে কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে চান সে কীয়ার্ডটি লিখে দিতে হবে। কীওয়ার্ড লিখার ক্ষেত্রে একসাথে এক বা একাধিক কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।
  2. Your Landing Page: আপনি যদি কোন ওয়েবসাইট এর নির্দিষ্ট কোন একটি পেজের কীওয়ার্ড সম্পর্কে ধারনা নিতে চান, তাহলে এই ঘরটিতে কাঙ্খিত লিংক ব্যবহার করে কীওয়ার্ড সম্পর্কে ধারনা নিতে পারবেন।
  3. Your Product Category: আপনি যে কীওয়ার্ড নিয়ে রিসার্চ করবেন, সেই কীওয়ার্ডটি কোন ধরনের Category এর মধ্যে পড়ে সেটিও সিলেক্ট করে কীওয়ার্ড সম্পর্কে ধারনা নিতে পারবেন।
  4. Targeting: এই অপশনটি সম্পর্কে তেমন কিছু বলার নেই। আপনি যদি নির্দিষ্ট কোন এলাকা বেধে কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে চান, তাহলে Location পরিবর্তন করে দিতে পারেন। আপনার কীওয়ার্ডটি যদি ইংরেজী ব্যতীত অন্য কোন ভাষার হয়, তাহলে সেটিও পরিবর্তন করে দিতে পারবেন। Negative Keywords অপশনটি তখনই ব্যবহার করবেন, যখন আপনি কোন Keyword নিতে ইচ্ছুক থাকবেন না। ফলে আপনার নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড ব্যতীত অন্য কীওয়ার্ড সম্পর্কে সাজেস্ট করবে। এ ছাড়াও অন্য অপশনগুলির তেমন কোন প্রয়োজন হয় না।
  5. Date Range: কিছু কিছু বিষয় থাকে যেগুলি Session বেধে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। যেমন- Cricket World Cup খেলার সময় Cricket বিষয়ে প্রচুর পরিমানে অন-লাইনে খুজা হয়ে থাকে। সেই ক্ষেত্রে এই ধরনের কীওয়ার্ড সম্পর্কে জানার জন্য এই অপশনটি ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়াও কোন নির্দিষ্ট সময়ে কোন বিষয়ে কি পরিমান সার্চ হচ্ছে সেটিও জেনে নিতে পারবেন।
  6. Keyword Filters: আপনি যদি 100 টিরও বেশি মাসিক ইমপ্রেশন সঙ্গে কিওয়ার্ড ফিল্টার করতে চান, তাহলে আপনি এখানে এটা করতে পারেন। ফিল্টার করার মাধ্যমে কম কম্পিটিশনের কীওয়ার্ডগুলি সহজে খুজে বের করতে পারবেন।
  7. Keyword Options: এই ফিল্টার ব্যবহার করে আপনি বিস্তৃত ম্যাচ কিওয়ার্ড পেতে পারেন।
  8. Keywords to Include: এই অপশনটি Negative Keywords এর সম্পূর্ণ বিপরীত। Negative Keywords আপনার কাঙ্খিত কীওয়ার্ড বাদ দিয়ে শো করবে। পক্ষান্তরে Keywords to Include আপনার কাঙ্খিত কীওয়ার্ড সম্বলিত কীওয়ার্ড সম্পর্কে সাজেস্ট করবে।

কিভাবে Keywords রিসার্চ করবেন?

  • প্রথমে আপনার Gmail ID এবং Password দিয়ে Google AdWord Tool এ লগইন করুন।
  • লগইন করার পর নিচের চিত্রেরন্যায় অপশন দেখতে পাবেন।
Google Keyword Planner দিয়ে কিভাবে Keyword Research করবেন?
  • এখন উপরের তীর চিহ্নিত অপশনটিতে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
Google Keyword Planner দিয়ে কিভাবে Keyword Research করবেন?
  • আপনি যে কীওয়ার্ডটি সম্পর্কে জানতে চান সেটি উপরের তীর চিহ্নিত ঘরে লিখে দেন। উদাহরন স্বরুপ আমি এখানে SEO Consultant কীওয়ার্ড দুটি ব্যবহার করেছি।
  • তারপর উপরের চিত্রের নিচের দিক হতে নীল কালারের Get idea বাটনে ক্লিক করলেই মুহুর্তে আপনার কাঙ্খিত কীওয়ার্ড সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পেয়ে যাবেন। নিচের চিত্রে দেখুন-
Google Keyword Planner দিয়ে কিভাবে Keyword Research করবেন?
  • উপরের চিত্রে দেখুন বড় করে লিখা রয়েছে যে, এ কীওয়ার্ডটি দিয়ে মাসিক গড় অনুপাতে ১ মিলিয়ন থেকে ১০ মিলিয়ন পর্যন্ত সার্চ করা হয়েছে। এ কীওয়ার্ডটির Competition Medium এবং Adword এর ক্ষেত্রে প্রতি ক্লিকে $12.16 ডলার খরছ করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এ ছাড়াও চিত্রের নিচের দিকে কীওয়ার্ডটির সাথে Related আরও কিছু কীওয়ার্ড প্রদর্শন করছে। এতেকরে আপনার কাঙ্খিত কীওয়ার্ড এর পাশাপাশি অন্য কীওয়ার্ড সম্পর্কেও ধারনা নিতে পারবেন। নিচের নিত্রে আরও বিস্তারিত দেখুন-
Google Keyword Planner দিয়ে কিভাবে Keyword Research করবেন?
  • উপরের চিত্রে দেখুন আপনার কীওয়ার্ড Related আরও ৬৫৮ টি কীওয়ার্ড সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দেখাচ্ছে। এখান থেকে আপনার কীওয়ার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা নিতে সক্ষম হবেন।
শুধুমাত্র এ কাজটি সঠিকভাবে করতে পারলে একজন ব্লগার তার ব্লগের উপযুক্ত কীওয়ার্ড সঠিকভাবে সিলেক্ট করতে পারবেন। এই কাজটি সঠিকভাবে করতে পারলে আমার মনেহয় বাকী কাজগুলি যে কেউ নিজে নিজে করতে পারবে। তারপরও বাকী বিষয়গুলি নিয়ে আমরা ভবিষ্যতে বিস্তারিত আলোচনা করব, ইনশাআল্লাহ্।

কিভাবে ব্লগে উপযুক্ত Keywords ব্যবহার করবেন?

আমার বিশ্বাস উপরের বিষয়গুলি সঠিকভাবে বুঝতে পারলে আপনি নিজেই খুব সহজে আপনার ব্লগের জন্য এবং যে কোন ব্লগ পোষ্টের জন্য উপযুক্ত কীওয়ার্ড সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পেয়ে যাবেন। নিচে আমরা আরও কিছু টিপস শেয়ার করব যেগুলি আপনাকে কীওয়ার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে অধিক যত্নশীল করবে।
  • Long Tail Keywords ব্যবহারঃ আপনার ব্লগটি যদি নতুন হয় এবং ব্লগের র‌্যাংকিং কম হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই ছোট কীওয়ার্ড এর পরবর্তী বড় কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। কারণ নুতন ব্লগের পক্ষে ছোট কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক পাওয়া খুব দুরূহ ব্যাপার। সে ক্ষেত্রে আপনি বড় এবং Low Competition এর কীওয়ার্ডগুলি ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া অধিকাংশ ওয়েবমাষ্টারদের মতে বড় কীওয়ার্ড ব্যবহার করে সহজে সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক পাওয়া সম্ভব হয়। আপনার ব্লগ যখন পুরাতন হয়ে যাবে এবং র‌্যাংকিং বাড়তে থাকবে, তখন ছোট এবং High Competition এর কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।
  • জনপ্রিয় কীওয়ার্ড ব্যবহারঃ যে বিষয় নিয়ে ভিজিটরদের প্রচুর পরিমানে আগ্রহ রয়েছে, সম্ভব হলেও সে ধরনের কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন। কারণ আপনি যদি এমন কোন টপিক নিয়ে লিখেন যে বিষয়ে ইন্টারনেটে খুব কম সার্চ করা হয়, তাহলে সে কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করে কোন সফলতা অর্জন করতে পারবেন না। জনপ্রিয় কীওয়ার্ডগুলি High Competitive হলে সেগুলির সাথে আরও কিছু কীওয়ার্ড যোগ করে ব্যবহার করতে পারেন।
  • Google Search Console Keyword Data: এটি অত্যন্ত কার্যকরী একটি অংশ। আপনার Google Webmaster Tools এর Search Queries Section এ গেলে আপনি পরিষ্কারভাবে দেখতে পাবেন যে, আপনার ব্লগে কী ধরনের কীওয়ার্ড ব্যবহার করে সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক পাচ্ছেন। আপনি সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ড বাছাই করে ব্যবহার করলে ভাল ফলাফল পেতে পারেন।
  • Keyword Density: কীওয়ার্ড ডেনসিটি হল কত বার একটি ওয়ার্ড আপনার ব্লগের কোন একটি পোষ্টে আছে। ধরুন আপনার একটি ওয়েবসাইটের কোন পেইজে ১০০ শব্দ আছে, আর সেই ১০০ শব্দের মধ্যে ৫ বার কীওয়ার্ড ব্যবহার করলেন। তাহলে বলা যাবে 5 টাইমস কীওয়ার্ড ব্যবহার হয়েছে এবং সেখানে কীওয়ার্ড ডেনসিটি হল ৫%। আমি মনে করি একটি ওয়েবসাইটের কীওয়ার্ড ডেনসিটি সাধারণত ৫-৭% এর মধ্যে থাকা উচিত। আপনার ব্লগ পোষ্টের প্রথম এবং শেষ অংশসহ পোষ্টের Image ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন।
সাহায্য জিজ্ঞাসাঃ Google Keyword Planner ব্যবহার করে Keyword Research সহ কিভাবে একটি ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটে কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয় সে বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারনা দেয়ার চেষ্টা করেছি। আশাকরি উপরের সবগুলি ধাপ মনযোগ সহকারে পড়লে যে কেউ বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বুঝে তার ব্লগের উপযুক্ত কীওয়ার্ড নির্বাচন করতে পারবেন। তারপরও যদি কারও কোন অংশ বুঝতে সমস্যা হয় বা কোন প্রকার সংকোচ থাকে, তাহলে আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। আমরা প্রতিউত্তরের মাধ্যমে Keyword Research সম্পর্কে আপনার খটকা দূর করার চেষ্টা করব।

Nov 24, 2016

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) এর ক্ষেত্রে Keyword হচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সাধারণত আমরা যখন ব্লগে কোন আর্টিকেল লিখি, তখন কোন নির্দিষ্ট একটি বা দু-চারটি Keyword কে কেন্দ্র করে সম্পূর্ণ পোষ্টের আর্টিকেল সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপন করি। এতেকরে সার্চ ইঞ্জিন পোষ্টের Keyword এর গুরুত্ব অনুধাবন করে সার্চ ক্যোয়ারি অনুসারে সার্চ রেজাল্টের তালিকায় ধারাবহিকভাবে প্রদর্শণ করে। এ ক্ষেত্রে একজন লেখক তার আর্টিকেল এর বিষয়বস্তুর কাঙ্খিত Keyword গুলির Density বজায় রেখে যত সুন্দরভাবে যথাস্থানে ব্যবহার করতে পারবেন, সার্চ ইঞ্জিন তার পোষ্টটিকে তত বেশী গুরুত্ব দেবে। আমরা আজ এ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পাশাপাশি দেখাব কিভাবে Safe Keyword Density ব্যবহার করে ট্রাফিক বৃদ্ধি করতে হয়।
Keyword Density কি এবং কত Percent হওয়া উচিত?

Keyword Density কি?

সাধারনত একটি পোষ্টের অভ্যন্তরে যতগুলি শব্দ লিখা হয়ে থাকে সেগুলির মধ্যে ঐ পোষ্টের কাঙ্খিত Keyword টি কতবার লিখা হয়েছে সেটি দ্বারাই Keyword Density কে নির্দেশ করে। এটি হতে পারে একটি মাত্র শব্দ বা Phrase, যা দ্বারা আপনি সার্চ ইঞ্জিন এবং ভিজিটরদের টার্গেট করছেন। ধরুন- আপনি “স্মার্টফোন” বিষয় নিয়ে একটি পোষ্ট লিখছেন। এ ক্ষেত্রে আপনি সর্বমোট ৫০০ টি Keyword এর সমন্বয়ে সাজিয়ে ‍গুজিয়ে পোষ্টটি লিখলেন এবং সম্পূর্ণ পোষ্টটির বিভিন্ন জায়গাতে “স্মার্টফোন” শব্দটি ৫০ বার ব্যবহার করলেন। এ ক্ষেত্রে আপনার কাঙ্খিত পোষ্টের Keyword Density হচ্ছে ১০%। এক কথায় কোন একটি পোষ্টের সর্বমোট শব্দের মধ্যে কতবার Targeted Keyword টি ব্যবহার করা হয়েছে সেটি দ্বারাই Density বুঝানো হয়ে থাকে।

Keyword Density এর গুরুত্ব

অনেকে এসইও বিষয়টি পরিষ্কারভাবে না বুঝার কারনে হয়ত বলতে পারেন এটা কোন বিষয় হল! একজন ব্লগার এ বিষয়টিকে কোনভাবে হেলায় ফেলে দিতে পারবেন না। কারণ সার্চ ইঞ্জিনও একজন মানুষের মতই অগুছাল আর্টিকেলের চাইতে সাজানো গুছানো আর্টিকেল পছন্দ করে এবং প্রাধান্য দেয়। আপনি সাধারণ সেন্সে বিষয়টি চিন্তা করুন যে, একজন লেখক যদি তার বইয়ের প্রতিটি পৃষ্ঠার অপ্রয়োজনীয় জায়গাতে বার বার একই শব্দ ব্যবহার করেন, তাহলে বইটি পড়তে আপনার কাছে কেমন লাগবে? নিঃসন্দেহে কিছু সময় পড়ার পর বিরক্তবোধ করবেন এবং এক সময় বইটি পড়া থেকে বিরত থাকবেন। তেমনি আপনি যদি ব্লগের পোষ্ট সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুজিয়ে যথাযথভাবে Keyword Density বজায় রেখে লিখেন, তাহলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার পোষ্টটি সার্চ রেজাল্টের শীর্ষে নিয়ে এসে ভিজিটর বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

Keyword Density কত Percent রাখা উচিত?

এত কিছুর পর এবার আমি আপনাদের মূল বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার করব। Keyword Density কত Percent রাখা উচিত এ বিষয়টি নিয়ে লিখার আগে আমি বেশ কয়েকদিন ইন্টারনেট রিসার্চ করে এবং বিভিন্ন ভালমানের এসইও সংক্রান্ত ব্লগ এবং ফোরামে ওয়েবমাষ্টারদের সাথে আলোচনা করি। এ বিষয়ে বিভিন্ন এসইও Expert-দের ভিন্ন ভিন্ন মতবাদ রয়েছে। আমি প্রথমে আমার রিসার্চ এবং এসইও Expert দের মতবাদের আলোকে Keyword Density কত Percent হওয়া উচিত সেটি নিয়ে আলোচনা করব।

বিভিন্ন পুরাতন ব্লগের পোষ্ট ঘেটে আমি দেখতে পাই যে, বেশীর ভাগ এসইও Expert তখন বলেছিলেন Keyword Density সাধারণত ২% থেকে ৪% এর মধ্যে রাখাটা সবচাইতে ভাল। সে প্রেক্ষিতে Google সার্চ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে ২% থেকে ৪% ও Yahoo সার্চ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে ৩% থেকে ৫% এবং Bing সার্চ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে ৬% থেকে ৮% এর মধ্যে রাখার পরামর্শ প্রদান করেছিলেন। তবে বর্তমান সময়ের নতুন ব্লগার এবং এসইও Expert গণ বলছেন Keyword Density কত Percent হওয়া বাঞ্চনীয় সেটা নির্দিষ্ট করে বলা উচিত হবে না। এ ক্ষেত্রে পোষ্টের প্রতিটি অংশের গুরুত্ব অনুধাবন করে নিজের Common Sense এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় জায়গায় Keyword ব্যবহারের পরামর্শ প্রদান করেন। তবে সাথে সাথে আরেকটি বিষয়ও ইঙ্গিত করেন যে, Keyword Density টা কোন অবস্থাতেই যেন অত্যাধিক না হয়। তাহলে সার্চ ইঞ্জিন পোষ্টটি Spam লিষ্টের তালিকায় ফেলে দেবে। গুগলও বিষয়টিকে সম্প্রতি নির্দিষ্টভাবে না বলে ঠিক একইভাবে বর্ণনা করে।

আমার মতে Keyword Density কত Percent রাখা উচিত?

সবার উদ্দেশ্যে আমার পরামর্শ হবে আপনি পোষ্ট লিখার সময় অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করবেন এবং যে বিষয়টি একটি Keyword এর মাধ্যমে বুঝানো যায় সেখানে অযথাই Keyword টির পুনরাবৃত্তি করবেন না। কারণ এটা আপনার আর্টিকেলের সুন্দর্য বৃদ্ধি করার পরিবর্তে Keyword Density কে বাড়ীয়ে দেবে। অন্যদিকে এই বিষয়টি মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় জায়গায় Keyword ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন না। কারণ এটা আপনার ব্লগ পোষ্টের আর্টিকেলের অর্থ এবং সুন্দর্য কমিয়ে দেবে। সর্বোপরি একটা বিষয় বলব আপনি যদি Keyword Density এর পরিমান ৫% থেকে ৬% এর মধ্যে রাখতে পারেন, তাহলে সবচেয়ে ভাল হয়। তবে পরিমানটা এর একটু কম বা বেশী হলে তেমন কোন ধর্তব্য বিষয় হবে না।

সর্বশেষঃ কোন ব্লগ পোষ্ট লিখার সময় শুধুমাত্র Keyword Density কে প্রধান্য দিলেই হবে না, সাথে সাথে Keyword কোথায় এবং কিভাবে ব্যবহার করতে হবে সেটিও মাথায় রাখতে হবে। আমরা ইতোপূর্বে Keyword Placement নিয়ে একটি পোষ্ট আলোচনা করেছি। আপনি এই পোষ্ট পড়ার পর আগের পোষ্টটি পড়ে নিবেন, তাহলে দুটি পোষ্টের সমন্বয়ে আপনি Keyword এর সকল বিষয় ভালভাবে Maintain করে একটি ভালমানের এসইও অপটিমাইজ করা ব্লগ পোষ্ট লিখে সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন।
 
Subscribe for all Updates

Subscribe Now

কপিরাইট © 2015- প্রযুক্তি ডট কম ™, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Powered by: