View AllEarnings

১৩ নভেম্বর, ২০১৭

গুগল এ্যাডসেন্স হচ্ছে ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা যেটি গুগল নিজে পরিচালনা করছে। ব্লগ এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপ ব্যবহার করে অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের যত উপায় আছে তার মধ্যে AdSense হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয়। তারপরও সবার মনে কিছু প্রশ্ন জাগে যে, এটা কি আসলে সত্য বা সম্ভব? আমি কি সব সময় Google AdSense থেকে টাকা উপর্জন করতে পারবো? আমি কি ওখান থেকে ‍উপার্জিত টাকা দিয়ে সব কিছু চালিয়ে যেতে পারবো?
প্রশ্নের আলোকে গুগল AdSense সংক্রান্ত সকল সমস্যার সংক্ষিপ্ত সমাধান!
আমাদের ব্লগে ইতোপূর্বে গুগল এ্যাডসেন্স বিষয়ে অনেক পোষ্ট রয়েছে। তারপরও ফেইসবুক কমিউনিটি পেজে অনেকে বিভিন্ন সময়ে ছোট ছোট প্রশ্ন করে থাকেন। অনেক সময় কাজের ব্যস্ততায় ঐ সহজ প্রশ্নগুলির উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যেতে হয়। সে জন্য আজ আমি সকল ছোট প্রশ্নগুলির উত্তর প্রশ্নভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে সবার সমনে সহজ ও বোধগম্য ভাষায় উপস্থাপন করব।

পোষ্টটি শুরু করার পূর্বে আপনাদের একটি বিষয় জানিয়ে দিচ্ছি যে, গুগল এ্যাডসেন্স গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখ হতে বাংলা ভাষা সাপোর্ট করছে। বিষয়টি যারা এখনো জানেন না তারা অবগত হয়ে তাদের বাংলা ব্লগের মাধ্যমে গুগল এ্যাডসেন্সর জন্য আবেদন করতে পারেন। উল্লেখ্য যে, আমাদের প্রযুক্ত ডট কম ব্লগটিও বাংলা কনটেন্ট দিয়ে গুগল এ্যাডসেন্স অনুমোদন করে গুগল এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করছে।

গুগল এ্যাডসেন্স সংক্রান্ত বেসিক প্রশ্নঃ

  • প্রশ্নঃ গুগল এ্যাডসেন্স কি?
  • উত্তরঃ গুগল এ্যাডসেন্স হচ্ছে অনলাইন ভিত্তিক বিজ্ঞাপন। যার মাধ্যমে যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রয়োজনীয় পন্যের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করতে পারেন। অন্যদিকে এ্যাডসেন্স পাবলিশাররা তাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ইনকাম করতে পারেন।
  • প্রশ্নঃ গুগল এ্যাডসেন্স থেকে কি আয় করা সম্ভব?
  • উত্তরঃ হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব।
  • প্রশ্নঃ বাংলা ওয়েবসাইট থেকে কি এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া যায়?
  • উত্তরঃ আগে পাওয়া না গেলেও সম্প্রতি গুগল বাংলা ওয়েবসাইটে অনুমোদন দিচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে আমাদের ব্লগকে অনুসরণ করতে পারেন।
  • প্রশ্নঃ এ্যাডসেন্স অনুমোদনের জন্য বাংলা ওয়েবসাইট ভাল নাকি ইংরেজী ওয়েবসাইট ভাল?
  • উত্তরঃ অনুমোদনের ক্ষেত্রে দুটি ভাষা সমান। তবে বাংলা ওয়েবসাইটের চাইতে ইংরেজী ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বেশী আয় করা যায়।
  • প্রশ্নঃ শুনলাম এশিয়া মহাদেশ থেকে এ্যাডসেন্স পাওয়া খুব কঠিন বিষয়?
  • উত্তরঃ এই তথ্যটি সঠিক নয়। একটি পরিপূর্ণ যোগ্যতা সম্পন্ন ব্লগের মাধ্যমে যে কোন দেশ থেকে সহজে এ্যাডসেন্স অনুমোদন করা সম্ভব।
  • প্রশ্নঃ বাংলাদেশে নাকি ৬ মাসের পূর্বে এ্যাডসেন্স অনুমোদন করে না?
  • উত্তরঃ এটিও সঠিক নয়। তবে একটি ব্লগকে এ্যাডসেন্সের জন্য পরিপূর্ণ উপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রায় ৬ মাসের অধিক সময় লেগে যায়। সে জন্য ব্লগের বয়স নূন্যতম ছয় মাস হওয়ার আগে এ্যাডসেন্সের আবেদন করতে অভিজ্ঞরা নিষেধ করেন। তবে এর আগে যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে ছয় মাসের পূর্বেই এ্যাডসেন্স পাওয়া সম্ভব।
  • প্রশ্নঃ আবেদন করার পূর্বে কমপক্ষে কতগুলো পোষ্ট থাকতে হবে?
  • উত্তরঃ ভালমানের আর্টিকেলের সমন্বয়ে কমপক্ষে ২৫/৩০ টি পোষ্ট রাখা প্রয়োজন।
  • প্রশ্নঃ প্রত্যেকটি পোষ্টের জন্য কি পরিমান আর্টিকেল হলে এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়?
  • উত্তরঃ প্রত্যেকটি পোষ্টে ৪০০/৫০০ ওয়ার্ড রাখাটা ভাল।
  • প্রশ্নঃ কপি করা আর্টিকেল দিয়ে কি এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া যায়?
  • উত্তরঃ আদৌ কেউ অনুমোদন পায়নি এবং ভবিষ্যতেও সম্ভব নয়!
  • প্রশ্নঃ কাষ্টম ডোমেন দিয়ে কি এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়?
  • উত্তরঃ আগে পাওয়া যেত কিন্তু সম্প্রতি পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। একটি টপ লেভেলের ডোমেন নিয়ে তার পর এ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করার স্বপক্ষে গুগল নিজেও পরামর্শ দিচ্ছে।

আবেদন করার পূর্বে করণীয় কি?

  • প্রশ্নঃ ব্লগার দিয়ে ব্লগিং করলে ভাল নাকি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে করলে ভাল হয়?
  • উত্তরঃ আপনি যেটি দিয়ে ব্লগিং করেন না কেন এ্যাসেন্স অনুমোদনের ক্ষেত্রে সমান গুরুত্ব পাবে।
  • প্রশ্নঃ কাষ্টম থিমস নিয়ে কাজ করব নাকি ডিফল্ট থিমস নিয়ে?
  • উত্তরঃ একটি ভালমানের কাষ্টম থিমস নিয়ে কাজ করাটাই উত্তম।
  • প্রশ্নঃ শুনেছি ব্লগস্পট দিয়ে ব্লগিং করলে নাকি ভালো ফলাফল পাওয়া যায় না?
  • উত্তরঃ এটা ঠিক নয়। আপনার ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকলে ব্লগস্পট নিয়ে কাজ করে ভাল র‌্যাংক করা কোন ব্যাপারই না।
  • প্রশ্নঃ ডট কম ডোমেন ভাল নাকি ডট নেট হলে ভাল হয়?
  • উত্তরঃ আমি সবসময় ডট কম ডোমেন নেওয়ার পরামর্শ দেব।
  • প্রশ্নঃ কত অক্ষরের ডোমেন নেম হলে ভালো হয়?
  • উত্তরঃ পাঁচ অক্ষর থেকে শুরু করে পনের অক্ষরের মধ্যে রাখাটা ভাল।
  • প্রশ্নঃ কোন ধরনের টপিক নিয়ে কাজ করলে এ্যাডসেন্স দ্রুত অনুমোদন হবে?
  • উত্তরঃ গুগল সবসময় প্রযুক্তি বিষয় সংক্রান্ত ব্লগকে প্রধান্য দিয়ে থাকে?
  • প্রশ্নঃ নিস হিসেবে Blogspot টিউটোরিয়াল কেমন?
  • উত্তরঃ অবশ্যই ভাল। পাশাপাশি ওয়েব ডিজাইন এবং এসইও নিয়ে লিখতে পারলে দ্রুত এ্যাডসেন্স পাওয়ার আশা করতে পারেন।
  • প্রশ্নঃ এসইও করলে নাকি দ্রুত এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়?
  • উত্তরঃ সঠিকভাবে এসইও করা ব্লগকে এ্যাডসেন্স অবশ্যই গুরুত্ব সহকারে মূল্যায়ন করে। কারণ প্রোপার এসইও করা ব্লগে সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক বৃদ্ধি পায়।
  • প্রশ্নঃ ব্লগে About Us, Contact, Privacy Policy রাখা কি বাধ্যতামূলক?
  • উত্তরঃ এগুলো আপনার ব্লগ সম্পর্কে পাঠকদের স্বচ্ছ ধারনা দেয়। কাজেই এই পেজগুলি রাখলে ভাল ফলাফল পাবেন। বিশেষ করে জনপ্রিয় ব্লগের এ পেজগুলি অনেক গুরুত্ব বহন করে।
  • প্রশ্নঃ নিউজ, ভিডিও এবং ফ্রি নেট বিষয়ে গুগল এ্যাডসেন্স  অনুমোদন হয় নাকি?
  • উত্তরঃ সার্চ ইঞ্জিনের কাছে এগুলোর গুরুত্ব খুবই কম। সে জন্য এই টপিক গুলিতে এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয় না বল্লেই চলে। তবে জনপ্রিয় করতে পারলে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • প্রশ্নঃ ইউনিক কনটেন্টের সাথে গুগল থেকে Image নিয়ে পাবলিশ করলে কোন সমস্যা হবে কি না?
  • উত্তরঃ অন্য ওয়েবসাইটের লগোযুক্ত ছবি ব্যবহার না করলে সমস্যা হবে না। তবে কেউ যদি তার ব্লগের ছবি সম্পর্কে রিপোর্ট করে, তাহলে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • প্রশ্নঃ সাইটে পর্যাপ্ত ইউনিক আর্টিকেল রয়েছে কিন্তু ভিজিটর কম, এ ক্ষেত্রে কি অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে?
  • উত্তরঃ পাওয়া যাবে, কারণ গুগল এ্যাডসেন্স সাইটের ট্রাফিককে খুব বেশী গুরুত্ব দেয় না। ভালমানের পর্যাপ্ত কনটেন্ট থাকলে এ্যাডসেন্স অনুমোদন হবে।
  • প্রশ্নঃ ডট TK ডোমেন দিয়ে কি এ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে?
  • উত্তরঃ না।
  • প্রশ্নঃ এ্যাডসেন্সে আবেদন করার পূর্বে কি কি Check List তৈরি করা দরকার?
  • উত্তরঃ গুগল এ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করার পূর্বে অবশ্যই কিছু Check List তৈরি করা ভাল। যেমন-ব্লগের সকল পোস্ট ৮০-৯০ ভাগ ইউনিক কিনা এবং গুগল পলিসির ভিতরে আছে কিনা। ব্লগের সকল গুরুত্বপূর্ণ পেজ ঠিক আছে কিনা। ওয়েবসাইটে ২৫-৩০ টি পাষ্ট ঠিকমতো ইনডেক্স হচ্ছে কিনা। ব্লগের ডিজাইন এবং এসইও ফ্রেন্ডলি কিনা সেটা চেক করতে হবে। সাদা সিদে ন্যাভিগেশন এবং লেয়াউট এ সব দরকারি জিনিস রাখতে হবে। সার্চ ইঞ্জিনে কিছু Organic Keywords এ ভাল Rank করালে এক্সট্রা পায়রিটি পাওয়া যাবে। সবকিছু ঠিকমতো থাকলে অল্প দিনে এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া সম্ভব।

হোস্টেড ও নন-হোস্টেড একাউন্ট কি?

  • প্রশ্নঃ Hosted AdSense বলতে কি বুঝানো হয়?
  • উত্তরঃ গুগল ব্লগার, YouTube এবং AdMob দ্বারা ব্যবহৃত এ্যাডসেন্স হচ্ছে Hosted AdSense.
  • প্রশ্নঃ Non Hosted AdSense বলতে কি বুঝায়?
  • উত্তরঃ নিজস্ব সাইট দিয়ে অনুমোদন পাওয়া গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট হচ্ছে Non Hosted AdSense.
  • প্রশ্নঃ Non Hosted AdSense এর জন্য Alexa rank কোন প্রভাব বিস্তার করে?
  • উত্তরঃ না।
  • প্রশ্নঃ বাংলাদেশ থেকে Non Hosted AdSense এর জন্য কোন Niche বেশী অনুমোদন হয়?
  • উত্তরঃ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে Smartphone Review, Education Result এবং Technology সাইট দিয়ে অনুমোদন পাওয়া সম্ভব হয়।
  • প্রশ্নঃ Hosted ও Non Hosted AdSense এর মধ্যে পার্থক্য কি?
  • উত্তরঃ এই দুটির মধ্যে প্রধান পার্থক্য হচ্ছে Hosted শুধুমাত্র গুগলের ব্লগার, YouTube এবং AdMob এ ব্যবহার করা যায়। অন্যদিকে নিজস্ব সাইটে Non Hosted AdSense সর্বোচ্চ ৫০০ টি Website এ ব্যাবহার করা যায়।
  • প্রশ্নঃ Hosted Account কি Non Hosted Account এ Upgrade করা যায়?
  • উত্তরঃ হ্যাঁ করা যায়, গুগল পলিসি অনুসারে ব্লগ তৈরি করে আবেদন করে Hosted Account থেকে Non Hosted Account এ Upgrade করা যায়।

এ্যাডসেন্স সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্নঃ

  • প্রশ্নঃ আমি কি গুগল AdSense এর জন্য Sub Domain ব্যবহার করতে পারি?
  • উত্তরঃ হ্যাঁ পারেন, তবে আগে টপ লেভেল ডোমেইন দিয়ে অনুমোদন করাতে হবে, তারপর সাব ডোমেইন এ অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করতে পারবেন ।
  • প্রশ্নঃ Troll সাইটে কি এ্যাডসেন্স অনুমোদন হবে এবং এ ক্ষেত্রে কি ধরনের আর্টিকেল প্রয়োজন?
  • উত্তরঃ যদি গুগলের নীতিমালা ভঙ্গ না করে, তবে ভালো মানের ২৫/৩০ টি পোস্ট দিয়ে অনুমোদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি যে কোন প্রোডাক্ট বেইজ ও ইনফরমেটিভ ব্লগ তৈরি করতে পারেন।
  • প্রশ্নঃ ব্লগের বেশীরভাগ ভিজিটর Facebook থেকে আসলে কি AdSense অনুমোদন সম্ভব?
  • উত্তরঃ এ্যাডসেন্স অনুমোদন দেবে। তবে ফেসবুকের ভিজিটরের চাইতে গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকে আসা ভিজিটরের মূল্য বেশি। সে ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের গুরুত্ব দিতে হবে।
  • প্রশ্নঃ কিভাবে এ্যাডসেন্স ব্লক হওয়া থেকে রক্ষা করব এবং আয় বৃদ্ধি করব?
  • উত্তরঃ অ্যাডসেন্স ব্লক হওয়া থেকে বাঁচার জন্য এ্যাডসেন্সের পলিসি অনুসরণ করে ব্লগিং করতে হবে। আয় বৃদ্ধি করার জন্য ব্লগে ভিজিটর বৃদ্ধি করার পাশাপাশি এ্যাডসেন্স CTR, CPC ও RPM রেট বৃদ্ধি করতে হবে।
  • প্রশ্নঃ ভালমানের আর্টিকেল মানে কি? ভালো কোয়ালিটি সম্পন্ন আর্টিকেলের কি কি গুন থাকা দরকার? আর্টিকেলের মান ভালো না খারাপ সেটা চেক করার কি কোন উপায় আছে?
  • উত্তরঃ আপাত দৃষ্টিতে ভালমানের আর্টিকেল বলতে ইউনিক ও গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলকে ‍বুঝায়? যে আর্টিকেল গুলির ডিমান্ড সর্বস্তরে রয়েছে, সেগুলিই হচ্ছে ভালমানের আর্টিকেল। Google Keyword Planner দিয়ে খুব সহজে আর্টিকেলের মান যাচাই-বাছাই করতে পারেন।
  • প্রশ্নঃ আমার ব্লগে যদি ৫০ ভাগ ইউনিক পোষ্ট থাকে, তবে কি অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে? অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনটা বেশি জরুরি, ইউনিক পোস্ট  নাকি ভিজিটর?
  • উত্তরঃ এ ক্ষেত্রে এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। অ্যাডসেন্স অনুমোদনের ক্ষেত্রে ভিজিটরের চাইতে ইউনিক পোষ্টকে বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে।
  • প্রশ্নঃ ব্লগের Privacy পেজ কিভাবে তৈরি করব? অনলাইনের বিভিন্ন টুল দিয়ে জেনারেট করে নিলে কোন সমস্যা হবে কি না?
  • উত্তরঃ অনলাইনের বিভিন্ন টুল দিয়ে জেনারেট করে Privacy পেজ তৈরি করতে পারেন। তবে আপনার ব্লগের বিষয়ে সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছুটা পরিবর্তন করবেন। এ পদ্ধতীতে কোন প্রকার সমস্যা হবে না।

এ্যাডসেন্স সংক্রান্ত বিষদ প্রশ্নঃ

  • প্রশ্নঃ আমার একটা ব্লগ আছে ব্লগার এ Domain এখনো Set করা হয়নি, কিছুদিন এর মধ্যে Domain Set করব। এখন পর্যন্ত ৫০ টা পোস্ট করা হয়েছে। সব পোস্ট ৮০% Unique. ব্লগে প্রতিদিন ১০০+ ভিজিটর আসে। ডোমেন Set করার কতদিন পর AdSense Apply করলে Approve পেতে পারি। আমার Content এর যদি কোনো Problem থাকে এবং আমি যদি সেটা একবার Apply করার পর বুজতে পারি এবং সেই Content গুলো Delete করে দিয়ে আবার Fresh কনটেন্ট পোস্ট করে পুনরায় Apply করি তাহলে কি Problem হবে কিংবা Approve হবে?
  • উত্তরঃ কোথায় ডোমেইন সেট করবেন? ব্লগারে? আমি বলবো না। নিজস্ব সাইট বানান। ডোমেইন সেট করলে এক মাস পরে এপ্লাই করে দেখুন। কনটেন্ট ভালো মানের হলে এপ্রুভ পেয়ে যাবেন। কপি পেস্ট মুক্ত ফ্রেশ কনটেন্ট। অবশ্যই গ্রামার, সেন্টেন্স এবং কতো % ইউনিক সেটা মাথায় রাখতে হবে, আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। ডিলেট করলে বিপদে পড়বেন। 404 not Found আসবে আর সাইটের Rank হারাবেন। কনটেন্ট আপডেট কিংবা রি – রাইট করলে ভালো হবে।
  • প্রশ্নঃ ভাই Adsense পেতে সাইটের বয়স কত লাগবে? কতগুলো পোষ্ট আর কি রকম এসইও করা লাগবে?
  • উত্তরঃ গুগল এর মেইন শর্ত হচ্ছে হাই কুয়ালিটি ভালো মানের কনটেন্ট এবং ১ টা টপ লেভেল ডোমেইন দিয়ে সাইট বানাতে হবে। তারপর সাইটে ৪০-৫০ দিন সময় নিয়ে ৪০-৫০ টা ইউনিক আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে। সাইটে About, Privacy, Contact us & DMCA পেজ গুলো ঠিক মতো পাবলিশ করতে হবে। সাইটের সকল পোস্ট Google Webmaster এ সাবমিট করতে হবে। তারপর হালকা পাতলা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করুন। তারপর সাইটের বসয় ৫০-৬০ দিন হলে গুগল অ্যাডসেন্স এপ্লাই করুন। অ্যাডসেন্স এপ্রুভ হতে সময় লাগবে না।
  • প্রশ্নঃ Google Adsense এর টাকা কিভাবে উঠানো যায়?
  • উত্তরঃ ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত আমরা বাংলাদেশের সবাই চেক দিয়ে টাকা ক্যাশ করাতাম। মাস খানিক সময় লাগতো টাকা ক্যাশ করতে। এখন EFT আছে, সরাসরি ৪-৫ দিনেই টাকা ব্যাংক এ চলে আসে। ডাচ বাংলা ব্যাংক, ব্র্যাক দিয়ে টাকা উত্তোলন করা যায়।
  • প্রশ্নঃ হোস্টেড অ্যাডসেন্সে অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট মেথড হিসেবে DBBL Mobile Banking কিভাবে অ্যাড করা যায়? সাধারণত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অ্যাড করার জন্য ধারাবাহিকভাবে কি করতে হয়?
  • উত্তরঃ হোস্টেড অ্যাডসেন্সে অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট মেথড হিসেবে DBBL Mobile Banking হিসাবে অ্যাড করা যায়। Adsense & Domain Parking গ্রুপের কয়েক জন DBBL Mobile Banking দিয়ে টাকা তুলে। আমি কখনো ইউজ করি নাই। সম্ভবত Account No. এর জায়গায় Mobile Banking নাম্বার দিতে হয়। যারা ইউজ করে, তারা আরও বিস্তারিত বলতে পারবে।
  • প্রশ্নঃ অ্যাডসেন্স Approve পাওয়ার পর যদি আমি আমার সাইট এর Banner বা অন্য কোথাও সাইট এর Related Niche এর cpa বা অন্য কোন Product এর Promotion করি, তাহলে কি AdSense এর কোন Problem হবে?
  • উত্তরঃ Promotion/cpa তে যদি গুগল পলিসি ভঙ্গ করে এমন কিছু থাকে, তাহলে ব্যাবহার না করাই ভালো। তবে Amazon & Adsense একই সাইটে ব্যাবহার করা যায়। কোন সমস্যা হয় না।
  • প্রশ্নঃ আমার YouTube AdSense Account আছে। Non Hosted Ste এর জন্য কি আমি AdSense apply করতে পারব? এক্ষেত্রে কি কোন Problem এ পরতে হবে? YouTube and Website এর জন্য ২ টার Earning কি একসাথে দেখাবে, নাকি আলাদা আলাদা দেখাবে?
  • উত্তরঃ হ্যাঁ পারবেন। ঝামেলাযুক্ত কাজ। তবে এর চেয়ে নতুন নেওয়া অনেক সহজ । সব রিপোর্ট আলাদা দেখতে পারবেন।
  • প্রশ্নঃ বর্তমান ইউটিউব অ্যাডসেন্স কি ব্লগার এ ব্যবহার করা সম্ভব? যদি যায় তাহলে বর্তমানে কিভাবে করব?
  • উত্তরঃ সম্ভব না। ভালোমানের ব্লগ তৈরি করে Upgrade করে নিতে পারেন।
  • প্রশ্নঃ আমার যদি ইতোমধ্যেই একটি AdSense একাউন্ট থেকে থাকে, সেক্ষেত্রে আমার ছোট ভাই আরেকটি একাউন্ট এপ্লাই করতে পারবে যদি বাড়ির এড্রেস একি হয়?
  • উত্তরঃ আলাদা সাইট, আলাদা কম্পিউটার আইপি, আলাদা ঠিকানা এবং আলাদা Payee Name দিয়ে সহজেই এপ্রুভ পাবেন। আশা করি কোন ঝামেলা হবে না।
নোটঃ এই পোষ্টের সকল আর্টিকেল আমার নিজের লেখা নয়। পোষ্টের ৪০% আর্টিকেল জনাব রুবেল এর বাংলা ব্লগ “রুবেল এসবিএস” থেকে নেওয়া। তবে আমার পোষ্টটি শুরুর দিকে উনার ব্লগ থেকে কনটেন্ট নেওয়ার টার্গেট ছিল না। পোষ্টের কিছু আর্টিকেল লিখার পর অনলাইনে সার্চ করতে গিয়ে উনার পোষ্টটি পেয়ে যাই। যদিও আর্টিকেল আমি নিজেই লিখতে পারতাম কিন্তু পোষ্টের বেশীরভাগ লেখা উনার লেখার সহিত মিলে যেত। সে জন্য পোষ্টের শেষের আর্টিকেল নিজে না লিখে উনার ব্লগ থেকে নিয়েছি। মিঃ রুবেল এর ব্লগ পোষ্টের আর্টিকেল কপি করার তিন দিন আগে উনার অনুমতি চেয়ে একটি মেইল পাঠিয়েছিলাম কিন্তু উনি আমাকে হ্যাঁ কিংবা না কোন উত্তর দেননি। আমার মনেহয় উনি দীর্ঘদিন যাবৎ ব্লগ থেকে দূরে আছেন বিধায় আমার মেইল পড়তে পারেননি। ভবিষ্যতে উনি আমার পোষ্টটির আর্টিকেলের Fair Usage Policy মানতে না চাইলে আমরা তার কনটেন্ট যে কোন সময় মুছে দেব।

১০ নভেম্বর, ২০১৭

আমাদের ব্লগে গুগল এ্যাডসেন্স অনুমোদন হওয়ার পর অনেকে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে ফেইসবুকে, মোবাইলে ও মেইল করে জানতে চেয়েছিলেন যে, কিভাবে আমাদের ব্লগের এ্যাডসেন্স অনুমোদন করেছি এবং কি কি ধাপ অনুসরণ করেছি। আবার কেউ কেউ এ বিষয়ে একটি পোষ্ট করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। আমি তাদের সবাইকে এ নিয়ে একটি বিস্তারিত পোষ্ট করার আশ্বাস দিয়েছিলাম। প্রফেশনাল লাইফে ব্যস্ততার কারণে সঠিক সময়ে এ বিষয়ে পোষ্ট শেয়ার করা সম্ভব হয়ে উঠেনি।
প্রযুক্তি ডট কম যেভাবে Google AdSense অনুমোদন পেয়েছে!
আপনারা সবাই জানেন যে, গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে গুগল তাদের অফিসিয়াল এ্যাডসেন্স ব্লগে বাংলা ভাষায় এ্যাডসেন্স সাপোর্টের ঘোষনা দিয়েছিল। সেই সাথে বাংলা ব্লগাররা গুগল এ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য আশার আলো দেখতে শুরু করে, কিন্তু তাৎক্ষনাত এ্যাডসেন্স পাওয়ার আবেদন করে অনুমোদন না হওয়ার অনাকাঙ্খিত মেইল পেয়ে হতাশ হয়ে পড়ে। আমি নিজেও খবরটা শুনার পর এ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদন করে তিন দিন পর যে রিপ্লে মেইল পেয়েছিলাম তা দেখে খুবই অবাক এবং হতাশ হয়েছিলাম।

আমি আজ আমাদের ব্লগে এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার সাথে সাথে কিছু এ্যাডভ্যান্স টিপস শেয়ার করব। আশা করছি আমাদের এ্যাডসেন্স পাওয়ার গল্প আপনাদের ব্লগে এ্যাডসেন্স বিষয়ে অনুপ্রাণিত করতঃ দ্রুত অনুমোদন পেতে সাহায্য করবে।

কিভাবে আমরা ব্লগিং শুরু করেছিলাম?

আমাদের ব্লগে গুগল এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার ধারাবাহিক প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার পূর্বে ব্লগের ডোমেন নির্বাচন সহ ব্লগ চালু করার কিছু গল্প আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।
  • ব্লগিং বিষয়ে আমার গল্পঃ ছোট বেলা থেকে আমার ভীতরে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সম্পর্কে এক ধরনের আগ্রহ কাজ করত। সেই সময় আমি ইংরেজী খুব বেশী বুঝতাম না বিধায় বিভিন্ন বাংলা ব্লগ থেকে প্রযুক্তি সংক্রান্ত নানা বিষয় পড়তাম। এ ভাবে বাংলা ব্লগ পড়তে পড়তে জানার আগ্রহটা দিন দিন বাড়তে থাকে। এক সময় প্রযুক্তি সংক্রান্ত বাংলা ব্লগগুলির গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সকল পোষ্ট পড়া শেষ হয়ে যায়। পরবর্তীতে আমি প্রযুক্তি সংক্রান্ত ভালমানের ইংরেজী ব্লগ পড়তে শুরু করি। সেই জানার আগ্রহ থেকে নিজের একটি পার্সোনাল ব্লগ তৈরি করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। তবে ব্লগিং কিভাবে শুরু করব, কোন প্লাটফর্মে ব্লগিং করব, কোন ধরনের টপিক নিয়ে কাজ করব ও কিভাবে ব্লগিং করলে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যাবে সে বিষয়ে পরিষ্কার কোন সিদ্ধান্তে পৌছতে পারছিলাম না। অবশেষে সিদ্ধান্ত নিলাম গুগল ব্লগার দিয়ে ইংরেজীতে ব্লগিং শুরু করব, কিন্তু কি ধরনের টপিক নিয়ে কাজ করব সি বিষয়েও কোন সিদ্ধান্তে পৌছতে পারছিলাম না। কারণ ব্লগিং করার জন্য যে জ্ঞানের প্রয়োজন হয় তার কোনটি সম্পর্কে আমার পরিপূর্ণ ধারনা ছিল না। অবশেষে অনলাইন থেকে বিভিন্ন ব্লগের ভালমানের কনটেন্ট কপি করে গুগল ব্লগার এর ব্লগস্পট ডোমেন নিয়ে কাজ শুরু করি। প্রায় ৩০/৪০ টি পোষ্ট করার পর যখন গুগল এ্যাডসেন্সের আবেদন করি তখন এ্যাডসেন্স কনটেন্ট কপিরাইটের জন্য আবেদন সরাসরি নাকচ করে দেয়। এভাবে প্রায় ৩/৪ বার আবেদন করে প্রত্যেকবার ফলাফল একই পেয়ে বুঝতে পারলাম কপিরাইট কনটেন্ট দিয়ে কোনভাবে এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া সম্ভব নয়। তখনই ব্লগটি ডিলিট করে নিজে থেকে কিছু করার চেষ্টা করি।
  • প্রযুক্তি ডট কম এর গল্পঃ আমাদের এই ব্লগটি চালু করার পূর্বে আমি একটি কম্পিউটার ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে HTML ও CSS বিষয়ে ছয় মাসের কোর্স সম্পন্ন করে নেই। সেখান থেকে HTML ও CSS বিষয়ে মোটামোটি ভাল ধারণা অর্জণ করতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে অনলাইনে W3School হতে ওয়েব ডিজাইনের এ্যাডভ্যান্স বিষয়গুলি আয়ত্ত করে নেই। ওয়েব ডিজাইনের এই অভিজ্ঞতা থেকে আমি সিদ্ধান্ত নেই যে, ওয়েব ডিজাইন, এসইও এবং প্রযুক্তি বিষয়ে একটি বাংলা ব্লগ চালু করব। সেই সময় অর্থাৎ ১ মার্চ ২০১৫ তারিখে আমি ও আমার চাচাত বোন আফসানা মিম মিলে “প্রযুক্তি ডট কম” বাংলা ব্লগটি চালু করি। চালু করার কিছু দিনের মধ্যে অনেক বাংলা ব্লগারদের সাড়া পেয়েছিলাম। তখন ৪/৫ জন বাংলা ব্লগার আমাদের ব্লগে গ্যাস্ট ব্লগার হিসেবেও কাজ করেছিলেন, কিন্তু তারা কেউ খুব বেশী দিন নিয়মিত না থাকার কারণে অবশেষে ব্লগ থেকে রিমুভ করতে বাধ্য হয়েছিলাম। আমরা যখন এই ব্লগটি চালু করি তখনো Techtunes, Some Where In Blog ও হাতে গণা আরো কিছু ব্লগ ছাড়া প্রযুক্তি বিষয়ের তেমন কোন বাংলা ব্লগ ছিল না। বিশেষ করে গুগল ব্লগার বিষয়ে বাংলা কোন ব্লগ ছিলই না। সে জন্য মোটামোটি ভিজিটর ও পাঠকদের সাড়া পাওয়ায় কাজ করতে আগ্রহ পেয়েছিলাম। উল্লেখ্য যে, Copyscape এর রিপোর্ট অনুসারে বর্তমানে আমাদের ব্লগে ৮৭% ইউনিক কনটেন্ট রয়েছে। সবগুলো পোষ্ট নিজ হাতে লেখা সত্বেও ১৩% আর্টিকেল কোন না কোনভাবে অন্য ব্লগ এবং ওয়েবসাইটের সাথে মিলে গেছে!!!
  • আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ আমাদের ব্লগে প্রযুক্তি সংক্রান্ত আরো কিছু বিষয় নিয়ে আর্টিকেল পাবলিশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে Windows, Android ও WordPress টপিকগুলি যুক্ত করার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাতে রয়েছে, কিন্তু কোন ভালমানের লেখক না পাওয়ার কারনে এখনো বিষয়গুলি সংযোজন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ভবিষ্যতে এ বিষয়গুলি অবশ্যই আমাদের ব্লগে সংযুক্ত করা হবে। আপনারা যদি কেউ উপরোক্ত বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহী থাকেন তাহলে আমাদের ব্লগের যোগাযোগ ফরম এর মাধ্যমে জানাতে পারেন।

কিভাবে আমরা এ্যাডসেন্স পেলাম?

আমরা যখন এই ব্লগটি চালু করেছিলাম তখন বাংলা ব্লগে গুগল এ্যাডসেন্স সাপোর্ট করত না, অর্থাৎ বাংলা ব্লগ থেকে ‍গুগল এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করার কোন সুযোগ ছিল না। তারপরও আমরা ভবিষ্যতে গুগল এ্যাডসেন্স পাওয়ার আশা নিয়ে কাজ করে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। বাংলা ভাষায় গুগল এ্যাডসেন্স সাপোর্ট করার বিষয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে গুগল এ্যাডসেন্স টিমের সাথে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করেছি, কিন্তু তারা এ বিষয়ে আমাকে কোন প্রকার প্রতি উত্তর দেয়নি। অবশেষে গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে তারা বাংলা ভাষাকে সাপোর্ট দেয়।

গুগল এ্যাডসেন্স পাওয়ার আগে কিভাবে একটি ব্লগ সেটআপ করবেন বা কি কি এসইও অনুসরণ করবেন সে বিষয়ে আমরা ইতোপূর্বে ব্লগে বিস্তারিত শেয়ার করেছি। সে জন্য এ বিষয় নিয়ে নতুন করে কিছু লিখতে চাইছি না। আপনি আমাদের ব্লগের পোষ্টগুলি পড়লে এ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য কি কি করতে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন। এখানে শুধুমাত্র আমাদের ব্লগে এ্যাডসেন্স পাওয়ার গল্প নিয়ে আলোচনা করব। আবেদনের প্রক্রিয়া থেকে আপনার বাংলা ব্লগের সমস্যা সম্পর্কে কিছুটা ধারনা অর্জণ করতে পারবেন।
  • প্রথম আবেদনঃ সেপ্টেম্বর মাসের ২৬ তারিখে বাংলা ভাষায় গুগল এ্যাডসেন্স সাপোর্টের ঘোষনা দেওয়ার দুই দিন পর এ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদন করি। আবেদন করার ঠিক তিন দিন পর Language Unsupported বলে গুগল এ্যাডসেন্স আমাকে জানায়। বিষয়টি দেখে অবাক হওয়ার পাশাপাশি কিছুটা হাসি পেয়েছিল। তখন ভেবেছিলাম তারা হয়ত এখনো প্রস্তুত নয় বিধায় এ ধরনের সমস্যার কথা বলছে। সেই সাথে কনফিডেন্স ছিল যে, তারা আমার ব্লগের কনটেন্ট বা ব্লগ নিয়ে কোন সমস্যার কথা জানায়নি। সেই সময়ে অন্যরা Language Unsupported এর পাশাপাশি আরো বিভিন্ন সমস্যা আছে বলে মেইল পায়। এ দিক দিয়ে আমার আত্মবিশ্বাস ছিল যে, ভবিষ্যতে তারা আমার ব্লগকে অনুমোদন করবে।
  • দ্বিতীয় আবেদনঃ প্রথম আবেদনের মেইল পাওয়ার ৪/৫ দিন পর আবার এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করি। সে সময় আবারো তিন দিন পর Language Unsupported বলে জানায়। ঠিক তার এক দিন পর একজন ব্লগার জানান যে, তার বাংলা ব্লগে গুগল এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়েছে। যথারিতী আমি আবারও আবেদন করি, কিন্তু তিন দিন পর ফলাফল সেই একই হয়। তখন সিদ্ধান্ত নেই বাংলা ব্লগে এ্যাডসেন্স অনুমোদন হচ্ছে এমন নির্ভরযোগ্য সংবাদ না পাওয়া পর্যন্ত আবেদন করব না। 
  • তৃতীয় আবেদনঃ তৃতীয় বার যখন আবেদন করি তখন দেখতে পাই যে, “এসো বন্ধু” নামে একটি বাংলা ব্লগ তাদের ব্লগে এ্যাডসেন্স ব্যবহার করছেন। সেই ব্লগের এ্যাডমিনের সাথে যোগাযোক্রমে জানতে পারি তিনি বাংলা ব্লগ দিয়ে এ্যাডসেন্স অনুমোদন পেয়েছেন। তখন আমি আবারও এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করি। সেই আবেদন করার ৫/৬ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর কোন রিপ্লে মেইল পাইনি। সেই সময়ে আরো অনেক বাংলা ব্লগার বলেছিলেন তাদেরও একই সমস্যা হচ্ছে। তখন সিদ্ধান্ত নিলাম এই এ্যাডসেন্স একাউন্টটি বাতীল করে নতুন একটি জিমেইল আইডি খোলে আবার আবেদন করব। তখন সম্পূর্ণ নতুন ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে নতুন আইডি দিয়ে এ্যাডসেন্স এর আবেদন করি। নতুন আইডি থেকে আবেদন করার দুই দিন পর রিপ্লে মেইলে আমার এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়নি মর্মে জানায়। কারণ হিসেবে বলে আমার ব্লগে পর্যাপ্ত কনটেন্ট নেই, পোষ্টে অতিরিক্ত Image রয়েছে এবং সাইটের নেভিগেশন ভালো না। এ সব বিষয় দেখে আমি অবাক হয়ে যাই। কারণ আমার ব্লগে পর্যাপ্ত কনটেন্ট, Image ও নেভিগেশন কোনটির সমস্যা ছিল না। তখন সিদ্ধান্ত নিলাম ভালোমানের নতুন পাঁচটি আর্টিকেল পাবলিশ করব এবং পাঁচ দিন পর আবার আবেদন করব। কিন্তু চার দিন পর গুগল এ্যাডসেন্স আমাকে একটি মেইল দিয়ে জানায় যে, আমার ব্লগের এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়েছে। অথচ আমি তখন এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করিনি, কিন্তু এ্যাডসেন্স একাউন্টে লগইন করে দেখি অনুমোদন হয়নি।
  • শেষ আবেদনঃ উপরোক্ত সমস্যাটি পাওয়ার সাথে সাথে আমি আবারও গুগল এ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদন করি। আবেদন করার পর দিনই গুগল আমাকে মেইল করে জানায় আমার ব্লগে গুগল এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়েছে।
সর্বশেষঃ আসলে গুগল এ্যাডসেন্স সাপোর্ট করার ঘোষনা দেওয়ার পর পুরোপুরি প্রস্তুত হতে সময় নিয়েছিল বিধায় কিছু দিন সমস্যা হয়েছিল। মোট চার বার আবেদন করার পর আমাদের ব্লগে এ্যাডসেন্স অনুমোদন করতে সর্বমোট ২৯ দিন সময় লেগেছে। তবে এখন যাদের ব্লগে ভালমানের আর্টিকেল রয়েছে তারা এই ধরনের সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছে না। আপনি যদি ভলমানের ইউনিক আর্টিকেল লিখে একটি ডট কম ডোমেন নিয়ে আবেদন করেন তাহলে অল্প দিনেই এ্যাডসেন্স অনুমোদন করতে পারবেন।

৯ নভেম্বর, ২০১৭

বাংলা ভাষায় ব্লগিং করছেন এমন অনেকেই ইতোপূর্বে গুগল এ্যাডসেন্স অনুমোদন করতে সক্ষম হয়েছেন। যারা আগে কখনো এ্যাডসেন্স ব্যবহার করেননি তারা এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার পর যে সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছে সেটি হচ্ছে এ্যাডসেন্স কোড ব্লগার থিমস এর ভীতরে বসানোর পর থীমস Save না হওয়া। এই ছোট সমস্যাটি অনেকে বুঝতে না পারায় তারা মনেকরেন তাদের এ্যাডসেন্স এ কোন সমস্যা আছে। আসলে এটা এ্যাডসেন্স এর কোন সমস্যা নয়। ব্লগার থীমস XML ফরমেটে হওয়ায় এ্যাডসেন্স কোডের Attribution বন্ধ না করায় এই সমস্যাটি হয়।
ব্লগার Themes এ AdSense Error Parsing XML সমস্যার সমাধান
সাধারণত প্রথম ধাপে এ্যাডসেন্স একাউন্ট করার সময় এবং অনুমোদন হওয়ার পর বিভিন্ন জায়গাতে বিজ্ঞাপন শো করানোর জন্য এ্যাডসেন্স কোড ব্যবহার করতে হয়। তখন ব্লগার থীমস এর ভীতরে এ্যাডসেন্স কোড বসাতে গিয়ে অনেকে এই সমস্যায় পড়েন। আপনার XML সম্পর্কে ধারনা থাকলে এই সমস্যাটি খুব সহজে নিজে নিজে সমাধান করতে পারবেন। XML বিষয়ে ধারনা না থাকলে আমাদের পোষ্টটি অনুসরণ করে এই ছোট্ট সমস্যাটি সমাধান করে নিতে পারবেন।

প্রসঙ্গত যারা বাংলা ব্লগে গুগল এ্যাডসেন্স ব্যবহার করছেন তারা একটি বিষয় অনুধাবন করতে পেরেছেন যে, বাংলা কনটেন্টে গুগল এ্যাডসেন্স CPC ও RPM রেট খুবই কম। বিশেষ করে যাদের ব্লগে ভিজিটর কম তারা কোনভাবে বাংলা ব্লগ থেকে পর্যাপ্ত টাকা ইনকাম করতে পারবে না। বাংলা কনটেন্ট ব্যবহারকারীদের যৌথভাবে ব্লগিং করার জন্য আমি সবসময় পরামর্শ দেই। শুধু শুধু প্রত্যেকের নামে একটি করে ব্লগ না রেখে ৫/৭ জন মিলে সম্মেলিত প্রচেষ্টায় ব্লগিং করলে পর্যাপ্ত ট্রাফিক পেয়ে ব্লগ থেকে গুগল এ্যাডসেন্সের মাধ্যমে মোটামোটি ভালো পরিমানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। সে জন্য আমি আবারও সবাই যৌথভাবে ব্লগিং করার আহ্বান জানাব।

কিভাবে Error Parsing XML সমস্যার সমাধান করবেন?

এ্যাডসেন্স একান্ট করার সময় ব্লগ ভেরিফাই করে নেওয়ার জন্য ব্লগে এ্যাডসেন্স কোড যুক্ত করে নেওয়ার জন্য বলে। সাধারণত এ্যাডসেন্স কোডগুলি নিচের কোডের ন্যায় হয়ে থাকে।
<script async src='//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js'></script>
<script>
  (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({
    google_ad_client: "ca-pub-xxxxxxxxxxxxxxxx",
    enable_page_level_ads: true
  });
</script>
অন্যদিকে বিজ্ঞাপন শো করানোর কোডগুলো নিচের কোডের মত হয়।
 <script async src="//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js"></script>
<!-- Post Before -->
<ins class="adsbygoogle"
     style="display:inline-block;width:728px;height:90px"
     data-ad-client="ca-pub-xxxxxxxxxxxxxxxx"
     data-ad-slot="xxxxxxxxxx"></ins>
<script>
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
</script>
সাধারণত গুগল এ্যাডসেন্স কোড ব্লগার থীমস এর ভীতরে সেভ করার সময় নিচের চিত্রের ন্যায় একটি Error ম্যাসেজ দেখায়।
ব্লগার Themes এ AdSense Error Parsing XML সমস্যার সমাধান
ব্লগে এ্যাডসেন্স ব্যবহার করার জন্য গুগল যে কোডগুলি আমাদের দিচ্ছে সেগুলি পরিপূর্ণভাবে HTML5 ফরমেটে তৈরি করা, কিন্তু ব্লগার থীমস XML ফরমেটে হওয়ার কারনে কোডগুলি সেভ নিতে সমস্যা হয়। এ ক্ষেত্রে ব্লগার থীমস ও গুগল এ্যাডসেন্স কোড দুটির কোনটিতে ভূল নেই। ব্লগার থীমে জন্য শুধুমাত্র async Attribution যুক্ত করে নিলেই হয়ে যাবে। নিচের কোডটি পরিবর্তন করে সহজে সমস্যাটি সমাধারন করতে পারেন।
<script async='async' src='//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js'></script>
অথবা async Attribution টি কোডেশন দ্বারা খালি রেখেও কাজটি করতে পারেন।
<script async='' src='//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js'></script>
এখন ব্লগার থীমস অনায়াসে সেভ হবে। That's all

সর্বশেষেঃ আপনি যখন ব্লগার থীমস এর ভীতরে এ্যাডসেন্স কোড ব্যবহার করবেন তখন উপরের দুটি ফরমেটের যে কোন একটি ব্যবহার করবেন। তাহলে থীমস সেভ হতে সমস্যা হবে না। তবে ব্লগার থীমস এর Layout হতে Widgets হিসেবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কোড এর কোন পরিবর্তন করতে হবে না

৩০ অক্টোবর, ২০১৭

যারা ব্লগে ইউনিক আর্টিকেল শেয়ার করে থাকেন তারা প্রতিনিয়ত কিছু সংখ্যক ব্যক্তি কর্তৃক কনটেন্ট কপি পেষ্ট এর সমস্যায় ভূগে থাকেন। অনেক নতুন ব্লগার রয়েছেন যারা মনেকরেন যে, অন্যের ব্লগের কনটেন্ট কপি করে নিজে ব্লগে চালিয়ে দিলে ব্লগ থেকে পর্যাপ্ত ট্রাফিক পেয়ে অনলাইন হতে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। পরবর্তীতে তারা কপি করা কনটেন্ট দিয়ে কোন লাভবান হতে না পেরে নিজেদের ভূল অনুধাবন করতঃ কেউ অরিজিনাল কনটেন্ট শেয়ার করার চেষ্টা করেন। আবার কেউ ইউনিক কনটেন্ট শেয়ার করতে না পেরে ব্লগিং হতে ছিটকে পড়েন। আমরা আজ ছিটকে পড়াদের নিয়ে কোন কিছু বলব না। শুধুমাত্র যারা ইউনিক কনটেন্ট শেয়ার করছেন তারা কিভাবে তাদের ব্লগের কনটেন্ট কিছুটা হলেও নিরাপদ রাখবেন সে বিষয়ে আলোচনা করব।
কিভাবে ব্লগের কনটেন্ট Copy Past করার অপশন বন্ধ করবেন?
যারা ব্লগের কনটেন্ট কপি পেষ্ট করার সম্পূর্ণ অপশন বন্ধ করতে চাইছেন তাদের জন্য আমরা আজ মোটামোটি পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব। আপনি হয়ত বলতে পারেন আমি মোটামোটি কথাটি বলছি কেন? মোটামোটি বলার কারণ হচ্ছে যে, ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগের কনটেন্ট কপি পেষ্ট করার শতভাগ উপায় বন্ধ করতে পারবে না। কারণ ব্লগের কনটেন্ট কপি করার সকল উপায় বন্ধ করার পরও বর্তমান সময়ের আধুনিক ব্রাউজারগুলিতে কিছুট অপশন ও প্লাগইন থেকে যায় যেগুলির সাহায্যে কনটেন্ট কপি করা সম্ভব হয়।

আজ আমি ব্লগের কনটেন্ট কপি করার অপশন Disable করার পাশাপাশি মাউস এর রাইট বাটনে ক্লিক ও কীবোর্ডের CTRL+U অপশনগুলি বন্ধ করার পূর্ণাঙ্গ উপায় শেয়ার করব। এই পদ্ধতীতে ব্লগের কনটেন্ট কপি করার অপশন বন্ধ করলে কম অভীজ্ঞতা সম্পন্ন লোক আপনার ব্লগের আর্টিকেল কপি করতে পারবে না। তবে যারা অভীজ্ঞ বা আমার মত মাথা মোটা রয়েছে তারা বিভিন্ন প্লাগইন ব্যবহার করে কপি করতে পারবে। আমার ব্লগিং অভীজ্ঞতা থেকে যতটুকু বুঝতে পেরেছি তাতে আমার মনেহয়েছে যারা অভীজ্ঞ লোক তারা কখনো অন্যের ব্লগের কনটেন্ট কপি করেন না। যারা ব্লগিং একদম নতুন অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারাই কপি পেষ্ট নিয়ে যত ঝামেলা পাকান।

কিভাবে Cut, Copy, Paste, Right Click ও CTRL+U অপশন বন্ধ করবেন?

উপরের সবগুলি অপশন পরিপূর্ণভাবে বন্ধ করার জন্য আমি দুটি পদ্ধতি শেয়ার করব। প্রথমটির মাধ্যমে আপনার ব্লগের উপরোল্লখিত সকল অংশ বন্ধ করতে পারবেন। দ্বিতীয় পদ্ধতি ব্যবহার করে পোষ্টের ভীতরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ খোলা রেখে বাকী অংশ বন্ধ করে নিতে পারবেন। 
  • প্রথমে ব্লগে লগইন করুন।
  • তারপর ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Theme > Edit HTML এ ক্লিক করুন।
blogger-template-edit
  • এরপর কিবোর্ড হতে Ctrl+F চেপে </head> অংশটি সার্চ করুন।
  • এখন নিচের Jquary কোডটি </head> ট্যাগের ঠিক উপরে পেষ্ট করুন।
<script type="text/javascript">
$(document).ready(function () {
   //Disable cut copy paste
   $('body').bind('cut copy paste', function (e) {
       e.preventDefault();
   });
  
   //Disable mouse right click
   $("body").on("contextmenu",function(e){
       return false;
   });

   //Disable CTRL+U
   $(document).keypress("u",function(e) {
       if(e.ctrlKey)
   {
       return false;
   }
       else
   {
       return true;
   }
   });
});
</script>
  • এখন Theme Save করলেই ব্লগের কনটেন্ট কপি করার সকল অপশন বন্ধ হয়ে যাবে।

পরিবর্তণ (Customization):

  • উপরে কোডের লাল কালারে অংশটি আপনার ব্লগের সকল কনটেন্ট কপি করার অপশন বন্ধ করে দেবে।
  • নীল কালারে অংশটি মাউসের রাইট বাটনে ক্লিক করার অপশন বন্ধ করে দেবে। ফলে কেউ আপনার কনটেন্ট এর সোর্স ফাইল হতে কপি করতে পারবে না। এ অংশটি ব্লগে অবশ্যই ব্যবহার করবেন।
  • পিংক কালারে অংশটি সোর্স ফাইল চেক করার অপশন পরিপূর্ণভাবে বন্ধ করে দেবে। এ অংশটিও ব্লগে অবশ্যই ব্যবহার করবেন।

CSS ব্যবহার করে Copy Past বন্ধ করাঃ

উপরের Jquary কোডটির লাল কালারের প্রথম অংশটি ব্যবহার না করার জন্য পরামর্শ দেব। কারণ এটি আপনার ব্লগের সকল অংশের আর্টিকেল Disable করে দেবে। আপনি যদি চান ব্লগের কিছু অংশ কপি করার অপশন দিয়ে বাকীগুলি বন্ধ করে দেবেন সেক্ষেত্রে ঐ অংশটি ব্যবহার না করে নিচের CSS কোডটি ব্যবহার করার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনাকে বলব। তবে আপনি যদি সকল অপশন বন্ধ করে দিতে চান তাহলে CSS কোড ব্যবহার করার কোন প্রয়োজন নেই।
  • পুনরায় ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Theme > Edit HTML এ ক্লিক করুন।
  • তারপর কিবোর্ড হতে Ctrl+F চেপে ]]></b:skin> অংশটি সার্চ করুন।
  • এখন নিচের Css কোডটি ]]></b:skin> ট্যাগের উপরে পেষ্ট করুন।
body {
-webkit-user-select:none!important;
-moz-user-select:-moz-none!important;
-ms-user-select:none!important;
user-select:none!important;
}

.post blockquote {
-webkit-user-select:text!important;
-moz-user-select:text!important;
-ms-user-select:text!important;
user-select:text!important;
}
  • সবশেষে Theme Save করুন।
  • নোটঃ এখানে পিংক কালারের অংশটি আপনার ব্লগের সকল অংশের কনটেন্ট কপি করার অপশন বন্ধ করে দেবে। নীল কালারের অংশটি পোষ্টের ভীতরে থাকা Blockquote অংশের কনটেন্ট কপি করার অপশন একটিভ রাখবে। এতেকরে পোষ্টের সকল কনটেন্ট বন্ধ করে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় অংশগুলি কপি করার অপশন খোলা থকবে।
পরামর্শ ও সাহায্যঃ সঠিক পদ্ধতিতে পরিপূর্ণভাবে ব্লগের কনটেন্ট কপি পেষ্ট ও সকল অপশন বন্ধ করার জন্য উপরের Jquary এর লাল কালারের প্রথম অংশটি বাদ দিয়ে বাকীগুলি সহ CSS কোড ব্যবহার করার পরামর্শ দেব। তাছাড়া এখানে না বুঝার কোন অপশন নেই। তারপরও কোন অংশ বুঝতে সমস্যা হলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।

২৬ অক্টোবর, ২০১৭

ব্লগার কিংবা ওয়েবমাষ্টার যতক্ষন পর্যন্ত তার ব্লগের পোষ্টগুলি গুগল সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় শো করাতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত ব্লগে পর্যাপ্ত অর্গানিক ট্রাফিক পাবে না। অনলাইন মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে অর্গানিক ট্রাফিক ছাড়া কোন ভাবে সফলতার ধারপ্রান্তে পৌছা সম্ভব নয়। গুগল সার্চ ইঞ্জিনকে যথাযথভাবে অপটিমাইজ করতে পারলে কেবলমাত্র সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় অবস্থান নেওয়া সম্ভব হবে। যখন একটি ব্লগের বেশীরভাগ পোষ্ট সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় শো করবে তখন ভিজিটর দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেতে থাকবে।
কিভাবে Google এর প্রথম পাতায় পোষ্ট Show করাবেন?
আজ আমি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটে ৯০% এর বেশী লোক গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে ইন্টারনেটে কোন কিছু খুজে থাকে। সে জন্য আপনি যথাযথভাবে এসইও করে গুগল সাার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় আপনার ব্লগের পোষ্ট শো করাতে পারলে সার্চ ইঞ্জিন হতে পর্যাপ্ত ভিজিটর পেয়ে ব্লগের ভাল র‌্যাংকিং করতে পারবেন।

স্থানীয় কীওয়ার্ড খুজাঃ

আপনার ব্লগটি যদি বাংলায় হয়ে থাকে কিংবা যে কোন নির্দিষ্ট দেশ বা স্থানীয় বিষয়ে আর্টিকেল শেয়ার করে থাকেন তাহলে আপনাকে ঐ দেশ ও এলাকার লোকজন কী ধরনের কীওয়ার্ড ব্যবহারে করে ইন্টারনেটে সার্চ করছে সে বিষয়টি খুজে বের করতে হবে। কারণ গুগল বর্তমানে Local বিষয় নিয়ে লিখা ওয়েবসাইটগুলিকে সহজে সনাক্ত করতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনি যদি স্থানীয় কীওয়ার্ড অপটিমাইজ না করে ব্লগি করেন তাহলে গুগল আপনার ব্লগের পোষ্ট কোন দেশে বেশী গুরুত্ব দেবে সেটা বুঝতে পারবে না। যার ফলে সারা বিশ্বব্যাপী প্রদর্শন করতে গিয়ে আপনার টার্গেটেড দেশ বা স্থানটি বাদ পড়ে যাবে। এ বিষয়টি করার জন্য গুগল ওয়েমাষ্টার টুলস এ আপনার ব্লগটির টার্গেটেড দেশ সিলেক্ট করে দেবেন। তাহলে সেই দেশের লোকজন যখন সার্চ করবে তখন গুগল আপনার ব্লগটি সেই দেশের সার্চের ক্ষেত্রে অধিক গুরুত্ব দেবে। 

এ কাজটি করার জন্য আপনি আরো কিছু বিষয় যুক্ত করতে পারলে গুগল আপনার ব্লগটির লোকেশন সহজে সনাক্ত করে নিতে পারবে। গুগল ম্যাপ এ আপনার ব্লগের Url, নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার যুক্ত করার মাধ্যমে আপনার ব্লগের অবস্থান সম্পর্কে গুগলকে জানিয়ে দিতে পারেন। গুগল ম্যাপে যুক্ত করা ঠিকানাটা Google My Business হতে ভেরিফাই করে নিতে পারলে লোকাল সার্চের ক্ষেত্রে আরো সুবিধা নিতে পারবেন।

আন্তর্জাতিক ব্লগের গঠনঃ

আপনি যদি সমগ্র বিশ্বকে টার্গেট করে ব্লগিং করেন তাহলে ওয়েবসাইট সম্পর্কে ভিজিটর ও সার্চ ইঞ্জিনকে পরিষ্কার ধারনা দেওয়ার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেজ রাখতে হবে। এই পেজগুলি না থাকলে আপনার ব্লগের গুরুত্ব সার্চ ইঞ্জিনের কাছে কমে যাবে। তবে যারা লোকাল বা বাংলা ভাষায় ব্লগিং করেন তাদের ক্ষেত্রে এই পেজগুলি না থাকলেও কোন সমস্যা হবে না। তবে পেজগুলি রাখলে বেশ ভালো হয়।
  • About Us: এটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পেজ। এখানে আপনার ব্লগ এবং আপনাদের সম্পর্কে বিস্তারিত পরিষ্কারভাবে তুলে ধরবেন।
  • Contact Us: ভিজিটর যাথে আপনাদের সাথে যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ রাখতে পারে সে জন্য একটি যোগাযোগ ফরম রাখবেন। এটি আপনার ব্লগের পাঠকদের সাথে কমিউনিকেশন তৈরি করবে।
  • Privacy Policy: আপনাদের ব্লগের গোপনীয় নীতি মেনে কিভাবে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতঃ সেটা কাজে লাগান বা ব্যবহার করেন সে বিষয়ে তুলে ধরবেন।
  • Term and Conditions: অনেক ব্লগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে শর্ত আরূপ করা হয়ে থাকে। আপনার ব্লগের এ রকম কিছু থাকলে সেটিও ব্লগে উল্লেখ করে রাখবেন।
  • Sitemap: একটি ব্লগের পূর্ণাঙ্গ ধারনা সংক্ষেপে তুলে ধরার জন্য সাইটম্যাপ তৈরি করা হয়। এটি আপনার ব্লগকে সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে সংক্ষেপে উপস্থাপন করে ব্লগ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারনা দেবে।
উপরের পেজগুলি নুতনদের জন্য সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। তবে যখন আপনার ব্লগটির পরিচিতি বাড়তে থাকবে তখন নিজে এই পেজগুলির অভাব অনুধাবন করতে পারবেন। কাজেই যে কোন ধরনের ব্লগিং এর ক্ষেত্রে ব্লগ তৈরির প্রথম পর্যায়ে পেজগুলি রেখে দেওয়াটাই উত্তম হবে।

মান সম্পন্ন ব্লগ তৈরিঃ

মান সম্মত বলতে ব্লগের সার্বিক অনেক বিষয়কে নির্দেশ করে। একটি ব্লগ শুরু করার পর ব্লগের গঠন আকর্ষণীয় রাখার পাশাপাশি আরো অনেক বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়। নিচে মানসম্মত ব্লগের প্রথমিক কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।
  • Original Content: ব্লগে ট্রাফিক পাওয়ার ক্ষেত্রে ভালমানের Original Content এর বিকল্প কিছুই নেই। আপনার ব্লগে যত ভালমানের ইউনিক কনটেন্ট শেয়ার করতে পারবেন সার্চ ইঞ্জিন তত বেশী আপনার ব্লগের অনুকুলে থাকবে। বিশেষ করে গুগল সার্চ ইঞ্জিনের কাছে ইউনিক কনটেন্ট এর মূল্য এতটাই বেশী যে, বর্ণনা করে কোনভাবে শেষ করা যাবে না। তাছাড়া ভালমানের কনটেন্ট ছাড়া এসইও করে কোন ফলাফল পাওয়া যাবে না। আমি প্রায় সময় আমার ক্লায়েন্টদের এসইও বিষয়ে কাজ করে দেই। কাজ নেওয়ার পূর্বে আমার ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে জেনে নেই তার ব্লগে ভালমানের কনটেন্ট আছে কি না। ভালমানের কনটেন্ট ছাড়া আমি কখন এসইও করার কাজ হাতে নেই না। কারণ অরিজিনাল কনটেন্ট ছাড়া আমি কোনভাবেই সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক এনে দিতে পারব না।
  • Navigation: ওয়েবসাইটের ডিজাইন সুন্দর রাখার পাশাপাশি ব্লগের নেভিগেশন সুন্দর জায়গায় রাখার চেষ্টা করবেন। ভিজিটরের দৃষ্টি সহজে আকর্ষণ করবে না এমন জায়গায় নেভিগেশন রাখলে পাঠক আপনার ব্লগে ভিজিট করে বেশীক্ষণ না থেকে ব্লগ ত্যাগ করে চলে যাবে।
  • Breadcrumbs: এটির মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন ও ভিজিটর উভয়ে আপনার ব্লগ পোষ্টের ক্যাটাগরি এবং লোকেশন সহ আরো অনেক বিষয়ে স্বচ্ছ ধারনা নিতে পারবে। বিশেষ করে এই Breadcrumbs লিংকগুলির মাধ্যমে এক ধরনের Internal Backlinks তৈরির সুবিধা নেওয়া যায়।
  • Search Box: যে ব্লগে সার্চ বক্স নেই সেই ব্লগ গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে। একটি সুন্দর ও স্বচ্ছ সার্চ বক্স এমন জায়গাতে রাখবেন যাতে খুব সহজে ভিজিটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে।

Responsive Design:

Responsive Web Designs বর্তমান সময়ে একটি প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনে পরিনত হয়েছে। এক সময় ছিল যখন কোন ব্লগ/ওয়েবসাইট Responsive ছিল না, কিন্তু সমপ্রতি সকলেই তাদের ব্লগকে Responsive Designs আকারে গঠন করে নিচ্ছেন। টপ লেভেলের ব্লগ ডিজাইনাররা বিভিন্ন ছোট বড় ডিভাইসের উপযোগী করার জন্য তাদের ব্লগগুলি Responsive করে নিয়েছেন। তাছাড়া যে কোন Responsive ব্লগের স্পীড অন্যান্য নরমাল ব্লগের চাইতে অনেকগুন বেশী হয়ে থাকে। এর সব চাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে যে, এ ধরনের ব্লগের কনটেন্ট জুম না করে পরিষ্কারভাবে পড়া যায়। আপনি যদি ব্লগকে এখনো Responsive না করে থাকেন তাহলে ধরে নেন আপনার এজান্তে ছোট ডিভাইসের ভিজিটরদের হারাচ্ছেন। তাছাড়া গুগল অনেক আগেই সবার ব্লগ Responsive করে নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে।

Optimize for Mobile:

Responsive Web Designs এর পরে আসবে মোবাইল অপটিমাইজ করার বিষয়টি। Responsive Designs শুধুমাত্র সকল ধরনের ডিভাইসের সাথে সমাঞ্জস্য রেখে পরিষ্কারভাবে দেখার উপযোগী করে থাকে। আর মোবাইল অপটিমাইজ করার পর ছোট ছোট মোবাইলগুলি ওয়েবসাইটকে দ্রুত লোড নিতে সক্ষম হয়। যারা গুগল ব্লগার দিয়ে ব্লগিং করছেন তারা ব্লগের বিভিন্ন Conditional Tags ব্যবহার করে ব্লগকে পরিপূর্ণ মোবাইল অপটিমাইজ করতে পারেন। বর্তমানে গুগল সার্চ ইঞ্জিন মোবাইল সার্চ এর জন্য আলাদা গুগল মোবাইল বট তৈরি করেছে। গুগল মোবাইল বট ওয়েবসাইট মোবাইল উপযোগী কি না তা যাচাই বাছাই করার পর গুগল মোবাইল সার্চ রেজাল্টে প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয়।

AMP অপটিমাইজেশনঃ

AMP HTML হচ্ছে গুগল কোম্পানি সমর্থিত একটি Open Source Project, যা একটি ওয়েবসাইটের Content-কে যে কোন ধরনের মোবাইল ডিভাইসে দ্রুত লোড নিতে সাহায্য করে। আরো ভালভাবে বলা যায়, একটি মোবাইল ডিভাইসের মধ্যে AMP যে কোন ওয়েবসাইটকে একটি দ্রুতগামী বুলেটের মত লোড নিতে সক্ষম। বর্তমানে গুগল সার্চ ইঞ্জিন মোবাইল র‌্যাংকিং এর ক্ষেত্রে AMP কে খুব গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে। তবে এই সুবিধা নেওয়ার জন্য আপনার ব্লগে শুধুমাত্র Google AdSense ব্যতীত প্রায় সকল ধরনের বিজ্ঞাপন’সহ Third Party Scripts ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

Schema Markup ব্যবহারঃ

এটি হচ্ছে এক ধরনের (Semantic Vocabulary) কোড, যা সার্চ ইঞ্জিনের আকর্ষন বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে ব্লগ ও ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এ গুলি সাধারণত HTML ও Scripts আকারে হয়ে থাকে। এই Schema Markup ট্যাগগুলি ব্যবহার করে আপনার ব্লগের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে সার্চ ইঞ্জিনদের সহজভাবে পরিষ্কার ধারনা দিতে পারবেন। যার ফলে আপনার ব্লগটি সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় আসার সম্ভাবনা আরও অনেকগুন বেড়ে যাবে। আমরা ইতোপূর্বে আমাদের ব্লগে এ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনটি পোষ্ট শেয়ার করেছি। আপনি ইচ্ছে করলে আমাদের ব্লগের পোষ্টগুলি দেখে নিতে পারেন।

ভালমানের Image ব্যবহারঃ

গুগল সার্চ ইঞ্জিনে Image Search নামে একটি অপশন রয়েছে। সেখানে সার্চ করলে যে কোন ধরনের ছবি মুহুর্তে চোখের সামনে হাজির হয়। আপনি যদি আপনার ব্লগে ভালমানের সুন্দর ছবি আপলোড করে ছবিতে Alta Tag ব্যবহার করে Image সার্চে আনতে পারেন, তাহলে সেখান থেকে অনেক ট্রাফিক পাওয়ার সম্ভবনা তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে কম সাইজের ভালমানের নিজস্ব ছবি আপলোড করার চেষ্টা করবেন। অন্যের ব্লগে ছবি ব্যবহার করলেও নরমালি কোন সমস্যা হবে না। তবে কেউ যদি অভিযোগ আনে তাহলে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ইন্টারনেট থেকে ছবি নিয়ে ব্যবহার করতে চাইলে অন্তত কিছুটা পরিবর্তন করে ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। তাহলে পাইরেসির অভিযোগে পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

উপসংহারঃ আমি আবারও বলব Proper সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ছাড়া কেউ সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক পেতে সক্ষম হয়নি এবং ভবিষ্যতেও সম্ভব হবে না। আপনি যদি ব্লগে পর্যাপ্ত অর্গানিক ট্রাফিক এর আশা করেন তাহলে অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের সকল নিয়ম অনুসরণ করে ব্লগিং করতে হবে। তবে আপনার ব্লগের সফলতা খুব দ্রুত আপনার হাতে ধরা দেবে।
 
Subscribe for all Updates

Subscribe Now

কপিরাইট © 2015- প্রযুক্তি ডট কম ™, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Powered by: