View AllEarnings

২১ অক্টোবর, ২০১৭

আপনারা সবাই একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানেন যে, ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওতে যার যত বেশী ভিউয়ার থাকবে গুগল এ্যাডসেন্স হতে তার তত বেশী ইনকাম হবে। বর্তমানে অনলাইন হতে আয় করার যত পদ্ধতী রয়েছে সেগুলির মধ্যে ইউটিউব হচ্ছে সবচাইতে সহজ ও বিশ্বস্ত একটি প্লাটফর্ম। সাধারণত ওয়েবসাইট থেকে বা ব্লগিং করে অনলাইন হতে আয় করার ক্ষেত্রে যে সকল অভিজ্ঞতা থাকতে হয় ইউটিউব এর ক্ষেত্রে সে ধরনের কোন অভীজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না। একজন ব্যক্তি শুধুমাত্র তার নিজস্ব ক্যামেরার মাধ্যমে বিভিন্ন দৃশ্য ধারন করতঃ ভালমানের ভিডিও আপলোড করতে পারলে কোন ধরনের অতিরিক্ত অভিজ্ঞতা ছাড়াই ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করতে সক্ষম হবেন। এ ছাড়াও আপনি যে বিষয়ে ভাল জানেন সে বিষয়ে টিউটরিয়াল তৈরি করে টাকা আয় করতে পারবেন। আমার জানামতে ইন্টারনেট হতে টাকা আয় করার মত সহজ অন্য কোন প্লাটফর্ম আদৌ নেই।
কিভাবে YouTube Video এর Views বৃদ্ধি করতে হয়?
কিছু টাইপের ইউটিউব ভিডিও আছে যেগুলির অনেক কম্পিটিশন রয়েছে। বিশেষকরে যারা টিউটরিয়াল টাইপের ভিডিও শেয়ার করে থাকেন তাদের কম্পিটিশনটা একটু বেশী হয়ে থাকে। কারণ এ ধরনের ভিডিও ইউটিউবে বেশী পরিমানে আপলোড করা হয়ে থাকে। আর যারা প্রকৃতির বিভিন্ন আশ্বচর্য্য জনক বিষয় নিয়ে আলোক চিত্র ধারণ করে ইউটিউবে আপলোড করেন তাদের ক্ষেত্রে এই কম্পিটিশনটা কম হয়ে থাকে। উদহারণ স্বরূপ - যারা Wild Life নিয়ে ভিডিও শেয়ার করেন তাদের কম্পিটিশন কম ও জনপ্রিয়তা বেশী হওয়ার কারণে সহজে বেশী পরিমানে ভিউয়ার পেয়ে যান। আপনি এ ধরনের ভিডিও আপলোড করতে পারলে খুব সহজে সাফল্য অর্জন করতে পারবেন।

তবে যাদের ভিডিও কম্পিটিশন বেশী রয়েছে তারা কিছু টেকনিক অনুসরণ করলে অন্যদের চ্যানেল পিছনে ফেলে ইউটিউব সার্চ রেজাল্টে আপনার অবস্থান তৈরি করে নিতে পারবেন। YouTube Channel এর Views বৃদ্ধি করার জন্য আমরা আজ কিছু টেকনিক শেয়ার করব যেগুলিকে কাজে লাগিয়ে আপনার চ্যানেল অল্পদিনে জনপ্রিয় করতে পারবেন। আজকের পোষ্টের টপিকগুলি সংক্ষেপে দেখে নিন-
  1. ভালভাবে ‍ভিডিও Titles, Descriptions ও Tags ব্যবহার।
  2. ভিডিও বিভিন্ন Social Media তে শেয়ার করা।
  3. ভিডিও ভালভাবে Editing ও বিভিন্ন ইফেক্ট সংযুক্ত করা।
  4. Subscriber বৃদ্ধি করা।
উপরোল্লখিত সবগুলি বিষয় নিয়ে আজ আমরা আলোচনা করব। তবে ভিডিও আপলোড করার পূর্বে অবশ্যই আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি ভালভাবে সাজিয়ে নিবেন। কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতঃ সুন্দরভাবে সাজাবেন সে বিষয়ে ধারনা না থাকলে আমাদের পূর্বে পোষ্ট থেকে বিস্তারিত দেখে নিতে পারেন।

ভিডিও এর সঠিক বিবরণঃ

  • ভিডিও Titles: ভিডিও তৈরি করার পর ভিডিওটির নাম এমনভাবে দেবেন যাতে ভিডিও এর উপকরনের সাথে মিল থাকে। আপনি যদি নাটক তৈরি করে ভিডিও এর নাম মুভি হিসেবে দেন, সে ক্ষেত্রে ভিডিও এর ভিউ পাওয়ার সম্ভাবনা প্রথমেই কমে যায়। আপনি যে বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরি করেছেন ঠিক সেই বিষয়ের সাথে মিল রেখে সুন্দরভাবে ভিডিও এর টাইটেল ইংরেজীতে লিখবেন।
  • ভিডিও Descriptions: ভিডিও আপলোড হওয়ার সাথে সাথে ভিডিও এর নিচে Descriptions লিখার জন্য একটি খালি ঘর দেখতে পাবেন। এখানে কমপক্ষে ০৮-১০ লাইনে সাজিয়ে Descriptions লিখে দিতে হয়। আপনার ভিডিওটি সম্পর্কে সার্চ হতে পারে এমন আর্টিকেল এর সমন্বয়ে গোছালভাবে একটি ছোট Descriptions লিখে দেবেন। এটা মূলত ম্যাটা Descriptions ট্যাগ এর ন্যায় কাজ করবে। কেউ যখন আপনার ভিডিও এর বিষয়ের সাথে মিল রয়েছে এমন কিছু লিখে ইউটিউবে সার্চ করবে, তখন টাইটেলে সেই কীওয়ার্ড না পেয়ে Descriptions এ পেয়ে গেলে ভিডিওটি সার্চ রেজাল্টে চলে আসার সম্ভাবনা থাকে।
  • ভিডিও Tags: অধিকাংশ নতুন YouTuber এ বিষয়টি না বুঝার কারনে কোন গুরুত্ব দেন না। ভিডিও আপলোড করার পর Descriptions এর ঠিক নিচের দিকে Tags দেওয়ার জন্য একটি খালি ঘর দেখতে পাবেন। এখানে ছোট ছোট ট্যাগ দেওয়া থাকে। আপনি শুধুমাত্র আপনার ভিডিওটি কোন ক্যাটাগরির সেটা সিলেক্ট করে দেবেন, অর্থাৎ আপনার ভিডিওটি যে টাইপের ঠিক সে ধরনের বা কাছাকাছি ধরনের ২-৪ টি Tags সিলেক্ট করে দেবেন। এতেকরে সার্চ ইঞ্জিন আপনার ভিডিও এর ধরণ সহজে বুঝে নিতে সক্ষম হবে।

ভিডিও বিভিন্ন Social Media তে শেয়ার করাঃ

  • দ্রুত শেয়ার করাঃ আপনি যখন ভিডিও আপলোড করবেন তখন ভিডিওটি ফেলে না রেখে নিজে নিজে বিভিন্ন মাধ্যমে শেয়ার করতে শুরু করবেন। কারণ আপনার চ্যানেলটি নতুন হয়ে থাকলে সদ্য আপলোড হওয়া ভিডিওটি সম্পর্কে কেউ জানবে না। সে জন্য আপলোড করার পর যত দ্রুত সম্ভব সোসিয়াল মিডিয়া’সহ বিভিন্ন মাধ্যমে শেয়ার করতে থাকবেন। এতে করে অন্তত ঐ মিডিয়ার ক্রলারগুলি আপনার ভিডিওটি সম্পর্কে ধারনা পেয়ে কিছু ভিজিটর এনে দিতে সক্ষম হবে। আপনার ভিডিওটি পুরাতন হওয়ার সাথে সাথে শেয়ার ও ভিউয়ার বৃদ্ধি না পেলে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে ভিডিও এর মূল্য কমে যাবে।
  • ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়াঃ অনলাইনে নিয়মিত সম্পৃক্ত থাকে এমন কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ইমেইল এড্রেস সংগ্রহ করে তাদেরকে ইমেইলের মাধ্যমে আপনার ভিডিওটি সম্পর্কে জানিয়ে দিতে পারেন। এ বিষয়টি আপনার ভিডিও এর ভিউয়ার ‍বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সবার সাথে এক ধরনের কমিউনিকেশন তৈরি করবে। এ কাজটি করতে পারলে নিঃসন্দেহ আপনার ভিডিওতে কিছু ট্রাফিক পেয়ে যাবেন।
  • সোসিয়াল মিডিয়াতে শেয়ারঃ ব্লগিং কিংবা ইউটিউব উভয় ক্ষেত্রে ট্রাফিক বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে সোসিয়াল মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস ও ইনস্টগ্রাম সহ বিভিন্ন সোসিয়াল মিডিয়াতে ইউটিউব চ্যালেন এর নামে একটি পেজ তৈরি করে ফলোয়ার বৃদ্ধি করতে পারলে ‍খুব সহজে ভিডিও এর ভিউয়ার বৃদ্ধি করে নিতে পারবেন।
  • ব্লগ এবং ওয়েবসাইটে শেয়ারঃ আপনার পরিচিত বা বন্ধুদের ভালমানের ব্লগে ভিডিও শেয়ার করেও ভিউয়ার বৃদ্ধি করে নিতে পারবেন। বর্তমানে গুগল ব্লগস্পট এর মাধ্যমে খুব সহজে একটি নিজস্ব ব্লগ তৈরি করে নেওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে আপনার ইউটিউব চ্যানেল এর ভিডিওগুলি শেয়ার করার পাশাপাশি ভিডিও সম্পর্কে কিছু আর্টিকেল শেয়ার করে ভিডিও এর ভিউয়ার বৃদ্ধি করে নিতে পারেন।

ভিডিও Editing ও বিভিন্ন ইফেক্ট সংযুক্ত করাঃ

  • আকর্ষণীয় ভিডিও তৈরিঃ টিউটরিয়াল ভিডিও তৈরি করার ক্ষেত্রে ভিডিও Editing এর মাধ্যমে প্রফেশনাল মানের ভিডিও তৈরি করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এ ক্ষেত্রে আপনি উন্নতমানের ভিডিও Editing সফটওয়ারের কাজ কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ভালভাবে শিখে নিতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের Visual ইফেক্ট যুক্ত করে যত ভালভাবে ভিডিও উপস্থাপন করতে পারবেন, আপনার চ্যানেলে তত বেশী ভিজিটর ধরে রাখতে সক্ষম হবেন।
  • Background Music: ভিডিও ভালভাবে এ্যাডিট করার পাশপাশি ভিডিও এর ব্যকগ্রাউন্ডে কিছু আকর্ষণীয় মিউজিক রাখবেন। এ কাজটির ফলে ভিডিওটি সম্পর্কে ভিউয়ারদের আকর্ষণ বৃদ্ধি পাবে। তবে লক্ষ্য রাখবেন যে, ভিডিওতে যখন নিজস্ব সাউন্ড থাকবে তখন আপনার সাউন্ডের চাইতে যেন মিউজিক এর সাউন্ড বেশী না হয়। নিজেস্ব ভয়েস নিয়ে টিউটরিয়াল তৈরির ক্ষেত্রে আঞ্চলিকতা পরিহার করে স্মার্ট, সুন্দর ও সাবলিন ভাষায় উপস্থাপন করার চেষ্টা করবেন।
  • আপলোড করার পর এ্যাডিটঃ ভিডিও আপলোড করার পর ইউটিউব ভিডিও এ্যাডিটর ব্যবহার করে আপনার চ্যানেল এর অন্যান্য ভিডিও Annotation এর মাধ্যমে Text লিংক আকারে যুক্ত করে দেবেন। এ ক্ষেত্রে ভিউয়ার আপনার ভিডিওটি দেখার পর ভাল লাগলে অন্য ভিডিওটিও দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করবে। এ বিষয়টি সহজে আপনার বিভিন্ন ভিডিও এর ভিউয়ার বৃদ্ধি করবে।

Organic Views বৃদ্ধি করাঃ

  • Subscriber বৃদ্ধিঃ ইন্টারনেটে যে কোন ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য Organic ট্রাফিক খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। Organic ট্রাফিক ছাড়া কোনভাবে ব্লগ কিংবা ইউটিউব চ্যানেল এর র‌্যাংক বৃদ্ধি করা সম্ভব হয় না। YouTube এর ক্ষেত্রে Organic ট্রাফিক পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনার চ্যানেলের Subscriber বৃদ্ধি করে নিতে হবে। এক কথায় যার চ্যানেলে যত বেশী Subscriber থাকবে তার ভিডিও ভিউ ও আয়ের পরিমান তত বেশী হবে। Subscriber বৃদ্ধি করার জন্য আপনার ভিডিও এর ভীতরে কথা বলার ফাকে ফাকে Subscribe করে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করবেন এবং ভিডিওতে Subscribe অপশন যুক্ত করে নিবেন।
  • ভিডিওতে Like ও Dislike বৃদ্ধিঃ ঠিক আগের মত ভিডিও এর ভীতরে কথা বলার সময় Subscribe করার পাশাপাশি Like করারও আহ্বান জানাবেন। আপনার ভিডিওতে প্রচুর পরিমানে লাইক থাকার পাশাপাশি কিছু Dislike থাকলে দুটিই ট্রাফিক বৃদ্ধিতে Like হিসেবে কাজ করবে। কারণ ভিডিওতে Dislike এর চাইতে Like বেশী থাকলে Dislike তার প্রকৃত অর্থ বহন করতে পারে না। ইউটিউব ধরে নেয় ভিডিওটিতে ভাল কিছু আছে যার জন্য Like ও Dislike হচ্ছে। তবে Like এর চাইতে Dislike বেশী হলে হিতের বিপরীত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ভিডিওটির মানের উপর খেয়াল রাখবেন। তাহলে কোন ভাবে Dislike বেশী হবে না।
  • Comments বৃদ্ধিঃ ভাল র‌্যাংক তৈরিতে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে কমেন্ট অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কোন ভিডিওতে যদি প্রচুর পরিমানে কমেন্ট থাকে, তবে সেই ভিডিওটি কমেন্টবিহীন অনেক ভালমানের ভিডিওকে পিছনে ফেলে সার্চ রেজাল্টের উপরে চলে আসতে পারবে। এ ক্ষেত্রে আপনি ভিডিওটি এমনভাবে তৈরি করুন যাতে ভিউয়াররা ভিডিওটি দেখার পর তাদের মনে কিছু ছোট ছোট প্রশ্ন জাগে। সেই প্রশ্নের জের ধরে আপনার ভিডিও এর কমেন্ট সেকশনে কমেন্ট বৃদ্ধি করে নিতে সমর্থ হবেন।
শেষ কথাঃ ভালমানের ভিডিও আপলোড করে উপরের সবগুলি টিপস যথাযথভাবে অনুসরণ করলে আপনি অল্প দিনে একজন ভালমানের YouTuber হতে পারবেন। এ বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যে, ভালমানের ভিডিও ছাড়া আপনি কোনভাবে ভিউয়ার বৃদ্ধি করতে পারবেন না। কোন রকম ছয় নয় টাইপের ভিডিও আপলোড করে ভিউয়ার বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে না। বাংলাদেশে কিছু YouTuber রয়েছেন যারা মনেকরেন বিভিন্ন সাইট হতে অন্যের ভিডিও আপলোড করে ইউটিউব থেকে আয় করা সম্ভব। এ কাজটি কখনো করতে যাবেন না। ইউটিউব কোন ধরনের কপি করা ভিডিও গ্রহন করে না। তবে Fair Usage Policy অনুসরণ করে অন্যের ভিডিও এর কিছু অংশ ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রেও অনেক নিয়ম রয়েছে যেগুলি নিয়ে অন্য কোন পোষ্টে আলোচনা করব।

২০ অক্টোবর, ২০১৭

বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় পাঁচটি ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। বিনোদন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের কঠিন ও জঠিল সমস্যার সমাধান পাওয়ার ক্ষেত্রেও এখন YouTube এ ভিডিও খুজা হয়ে থাকে। গুগলের নিজস্ব সার্ভার হওয়ার কারনে ইউটিবার তাদের ভিডিওগুলি YouTube রাখতে স্বাচ্ছন্দবোধ করে। তাছাড়া ইউটিউব মোবাইল এ্যাপলিকেশন থাকার কারনে যে কেউ মুহুর্তে ভিডিও দেখতে পারেন বলে ভিডি সাহট হিসেবেও YouTube জনপ্রিয়তার শীর্ষে স্থান করে নিয়েছে।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
YouTube একাউন্ট তৈরি করা খুব কঠিন কিছু নয়। ইন্টারনেটে সার্চ করলে এ সম্পর্কে হাজার হাজার টিউটরিয়াল অনায়াসে পেয়ে যাবেন। অভিজ্ঞদের জন্য এই পোষ্ট হয়ত কোন অর্থ বহন করবে না। তবে যারা YouTube এ নতুন তারা আজকের পোষ্ট থেকে একাউন্ট তৈরির ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। তারপরও যারা পূর্নাঙ্গ অভিজ্ঞ নয় তারাও ইউটিউব চ্যানেল Professional Look দেওয়ার কিছু বিষয় জানতে পারবেন।
আজকের পোষ্ট ইউটিবের বেসিক একটি বিষয় হওয়া সত্বেও ব্লগে শেয়ার করছি। বেসিক বিষয়টি শেয়ার করার পেছনে একটি মূখ্য উদ্দেশ্য রয়েছে। অনেকে YouTube নিয়ে আমাদের ব্লগে একটি পোষ্ট করার জন্য প্রায় সময় অনুরোধ জানিয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, YouTube নিয়ে পর্যাক্রমে কয়েকটি সিরিজ পোষ্ট শেয়ার করব। আমার বিশ্বাস আপনি সবগুলি পোষ্ট পড়লে একটি ভালমানের ইউটিউব চ্যালেন তৈরি করে Google AdSense হতে নূন্যতম স্মার্ট এমাউন্ট ইনকাম করতে পারবেন।

কিভাবে YouTube Account তৈরি করবেন?

  • প্রথমে এই লিংক থেকে YouTube এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • তারপর উপরের চিত্রের SIGN IN অপশনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • এখানে আপনার কাঙ্খিত Gmail ID ও Password দিয়ে লগইন করুন।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • এরপর উপরের চিত্রে আপনার প্রোফাইলের ছবিতে ক্লিক করতঃ Settings এ ক্লিক করলে আপনার কাঙ্খিত YouTube চ্যালেন এর সেটিংস অপশনগুলি দেখতে পাবেন। তবে ইতোপূর্বে আপনার জিমেইল একাউন্ট হতে কোন ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে না থাকলে Settings অপশনে না নিয়ে নিচের চিত্রের ন্যায় আপনার ইমেইল এড্রেসে প্রদত্ত নামানুসারে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে নেওয়ার জন্য বলবে। এ ক্ষেত্রে একটি চ্যানেল তৈরি করে নেওয়ার জন্য আমি পরামর্শ দেব।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • এখানে শুধুমাত্র Create Channel এ ক্লিক করলে একটি চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। তারপর আপনাকে আর কিছু করতে হবে না। কারণ আমরা এটি ব্যবহার না করে আমাদের পছন্দমত একটি Brand YouTube চ্যানেল তৈরি করব। প্রফেশনাল ইউটিবারদের ক্ষেত্রে Brand চ্যানেল তৈরি করাটাই ভাল।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • এখন প্রোফাইলের ছবিতে ক্লিক করতঃ Settings এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটির ন্যায় অপশন দেখতে পাবেন।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • উপরের চিত্রের Create a New Channel এ ক্লিক করা মাত্র নিচের চিত্রটি শো করবে।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • এখানে আপনি যে নামে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে চান সেই নাম দিয়ে Create বাটনে ক্লিক করলে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। চ্যানেল তৈরি হওয়ার পর নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • এ টুকু করলেই আপনার ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। তারপর উপরের চিত্রের Customize Channel অপশন ব্যবহার করে আপনার চ্যানেল এর Art পরিবর্তন করতে পারবেন।

কিভাবে YouTube Channel Art যুক্ত করবেন?

YouTube Channel Art ব্যবহার করে চ্যানেল এর Profile Picture, Cover Photo ও বিভিন্ন ধরনের সোসিয়াল মিডিয়া লিংক যুক্ত করে চ্যানেল এর সুন্দর্য বৃদ্ধি করা যায়। এই আর্ট অপশন ব্যবহার করে আপনি আপনার চ্যানেল এর ভিজিটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হবেন।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • উপরের চিত্রটিতে দেখুন - চ্যানেল এর বাম পাশে একটি প্রোফাইল পিকচার, বড় আকারে কভার ফটো ও ডান পাশের নিচের দিকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও সোসিয়াল মিডিয়া লিংক যুক্ত করা রয়েছে। এই কাজটি করার জন্য Channel Art অপশন ব্যবহার করতে হবে।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • উপরের চিত্রের Customize Channel বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • উপরের চিত্রের বাম পাশে তীর চিহ্নিত পেনসিল আইকনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি শো করবে।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • এখানে Edit অপশনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রের ন্যায় একটি নতুন পেজে নিয়ে যাবে।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • এখানে আপলোড অপশন হতে আপনার চ্যানেল এর লগো কিংবা ছবি যুক্ত করতে পারবেন। Logo এর সাইজ 800x800 Px হলে সবচাইতে বেটার হয়। তবে Logo এর সাইজ 98x98 Px এর কম হলে আপলোড হবে না।
  • তারপর উপরের কালো রংয়ের চিত্রটির মধ্যভাগের গোলাকার চিহ্ন দ্বারা নির্দেশিত Add Channel Art অপশনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি শো করবে।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • এখানে আপনার কাঙ্খিত ছবি ড্রাগ অথবা নীল রংয়ের বাটনটিতে ক্লিক করে ছবি যুক্ত করতে পারবেন। চ্যানেল আর্ট এর ক্ষেত্রে 2560x1440 Px ছবি যুক্ত করলে বেটার হবে। তবে Logo এর সাইজ 98x98 Px এর কম হলে আপলোড হবে না।
  • সবশেষে উপরের কালো ছবির ডান পাশের পেনসিল আইকনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন। পেনসিল আইকনে ক্লিক করার পর নিচের চিত্রটি শো না করলে পুনরায় Customize Channel এ ক্লিক করবেন। তাহলে অবশ্যই নিচের চিত্রটি শো করবে।
কিভাবে Professional Looking YouTube Channel তৈরি করতে হয়?
  • এখানে আপনার ইমেইল এড্রেস, দেশ সহ বিভিন্ন সোসিয়াল মিডিয়াল লিংক যুক্ত করে নিতে পারবেন। যুক্ত করার পর নিচের Done বাটনে ক্লিক করলেই সবগুলি অপশন সেভ হয়ে যাবে। That's all.
সাহায্য জিজ্ঞাসাঃ Professional Looking YouTube Channel তৈরি করার সকল স্টেপ সহজ পদ্ধতীতে ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি। উপরের কোন অংশ বুঝতে কারো কোন সমস্যা হলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আমরা আপনার সকল সমস্যা যথাযতভাবে সমাধানের চেষ্টা করব।

৬ অক্টোবর, ২০১৭

প্রযুক্তির উন্নতি বিকাশের সাথে সাথে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের পরিবর্তনের সহিত তালমিলিয়ে ওয়েব ডেভেলপাররা তাদের ডেভেলপমেন্টে বিভিন্ন নিত্য নতুন প্রযুক্তি যুক্ত করছেন। সেই সাথে ওয়েব ডিজাইনাররা ব্লগকে সময় উপযোগী করে তাদের ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বৃদ্ধি করে নিচ্ছেন। কয়েক মাস আগে সার্চ ইঞ্জিন বিশেষজ্ঞরা মোবাইল অপটিমাইজেশনের জন্য AMP প্রজেক্ট চালু করেছিল। সেই সাথে গুগলের সাথে পাল্লা দিতে ফেইসবুক Instant Articles লাউঞ্চ করে।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
গত বৎসরের শুরুর দিকে ফেইসবুক তাদের নিজস্ব স্মার্টফোন এ্যাপ্লিকেশন এর জন্য Instant Articles সিস্টেম চালু করে। এর মাধ্যমে যে কেউ তার ব্লগ/ওয়েবসাইটকে একটি সাধারণ ওয়েবসাইটের তুলনায় ১০ গুন বেশী দ্রুত গতীতে মোবাইলে লোড নেওয়াতে পারবে। যার ফলে একজন ভিজিটর ব্লগ ভিজিট করতে কমফর্টেবল অনুভব করবে এবং অধিক হারে পেজ ভিজিট করবে। তবে এই সুবিধাটি শুধুমাত্র স্মার্টফোনের Facebook App এর মধ্যে দেখা যাবে। ফেইসবুক এর ওয়েব ভার্সনে এই সুবিধা পাওয়া যাবে না। আমরা আজ দেখাব কিভাবে গুগল ব্লগস্পট ব্লগে Facebook Instant Articles সেটআপ করতে হয়। তবে সেটআপ প্রক্রিয়া দেখানোর পূর্বে এর কিছু ভাল খারাপ দিক নিয়ে আলোচনা করব।

Facebook Instant Articles কি?

Instant Articles হচ্ছে ফেইসবুক এর মোবাইল Publishing টুল। যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইনকে কাষ্টমাইজ করে অপটিমাইজ করার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে লোড নেওয়া হয়। অপটিমাইজ করার ক্ষেত্রে ফেইসবুক Instant Articles ওয়েবসাইটের ডিজাইনকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে শুধুমাত্র আর্টিকেলের উপর গুরুত্ব দেয়। সেজন্য এই টুলসটি ব্যবহার করে আপনার ব্লগের ডিজাইনের পূর্ণাঙ্গ সুবিধা পাবেন না। তবে এ কথা বলতে কোন দ্বিধা রাখে না যে, ফেইসবুক এপ্লিকেশন থেকে আপনার ব্লগ ভিজিট করার ক্ষেত্রে স্পীট কয়েকগুন বৃদ্ধি পাবে। তবে এটি ব্যবহারের কিছু সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। আমরা এখন Instant Articles সুবিধা ও অসুবিধা গুলো সংক্ষেপে দেখে নেব।

Facebook Instant Articles এর সুবিধাঃ

  • ব্লগের স্পীড অনেকগুল বৃদ্ধি পাবে।
  • যাদের ব্লগ স্লো গতীর তারা এটির মাধ্যমে স্পীড বৃদ্ধি করতঃ ট্রাফিক বাড়ীয়ে নিতে পারবেন।
  • ফেইসবুক থেকে আপনার ব্লগ পোষ্টগুলিতে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট বৃদ্ধি পাবে।
  • কনটেন্ট Monitizing এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখবে।
  • কোন প্রকার Payment ছাড়াই ফ্রীতে ব্লগে সেটআপ করা যায়।

Facebook Instant Articles এর অসুবিধাঃ

  • পোষ্ট পাবলিশ করার পর বাড়তী কিছু সময় ব্যয় করতে হবে।
  • যারা বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন দিখিয়ে আয় করছেন, তাদের আয়ের পরিমান কমে যাবে। কারণ Instant Articles বিজ্ঞাপন ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিমান নির্ধারণ করে দিয়েছে। 
  • পোষ্টের ভীতরে Image ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পরিমান নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যারা ব্লগে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল শেয়ার করে থাকেন, তাদের ক্ষেত্রে এটা বড় ধরনের সমস্যা হবে।
  • ফেইসবুক Instant Articles ব্লগের সাইটবার লোড নেয় না, অর্থাৎ সাইডবারের কিছুই Display করতে পারবেন না।
  • ব্লগে কোন ধরনের উইজেট ব্যবহার করলে সেগুলিও লোড হবে না।

কিভাবে ব্লগে সেটআপ করবেন?

কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • উপরের চিত্রের Sign Up বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রের ন্যায় দেখতে পাবেন।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • এখানে আপনার কাঙ্খিত Facebook Page টি সিলেক্ট করতঃ Instant Articles Terms অপশনে ঠিক চিহ্ন দিয়ে সবুজ কালারের Access Instant Articles Tools বাটনে ক্লিক করুন। উল্লেখ্য যে, আপনার কোন ফেইসবুক পেজ না থাকলে নতুন একটি পেজ তৈরি করে নিতে হবে। কারণ ফেইসবুক পেজ ছাড়া Instant Article সেটআপ করা যাবে না। তাছাড়া যে পেজ দিয়ে ইন্সসেন্ট আর্টিকেল সেটআপ করবেন সেই পেজ দিয়েই আপনি যাবতীয় কাজ Access করবেন।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • এখানে আপনার ফেইসবুক পেজ হতে উপরের লাল চিহ্নিত Publishing Tools > Configuration অপশনে যেতে হবে। Configuration ম্যানুর ডান পাশে যে অপশনগুলো রয়েছে সেগুলি ব্যবহার করে Instant Articles সেটআপ এর যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • এখানে ডান পাশের Set Up Instant Articles হতে Authorize Your Site লিংকটিতে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি শো করবে।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • উপরের চিত্রের কালো অংশে যে ম্যাটা ট্যাগটি রয়েছে, সেটি কপি করে আপনার ব্লগার টেমপ্লেটের <head> ট্যাগের উপরে যুক্ত করে টেমপ্লেট Save করতে হবে।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • তারপর URL এর জায়গায় আপনার ব্লগের এড্রেসটি দিয়ে Claim URL বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রের ন্যায় Claim হয়েছে মর্মে ম্যাসেজ দেবে।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • উপরের চিত্রের কাজটি করার পর RSS Feed ফেইসবুক Instant Articles এর সাথে সংযুক্ত করতে হবে। এই কাজটি করার পূর্বে নিশ্চিত হতে হবে যে, আপনার ব্লগের RSS Feed একটিভ করা আছে কি না।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • আপনার ব্লগের ড্যাশবোর্ডের Settings > Other এর Site Feed হতে Allow Blog Feed অংশটি উপরের চিত্রে লাল চিহ্ন দ্বারা মার্ক করা অংশেরমত Full করে নিতে হবে।
http://www.prozokti.com/feeds/posts/default?alt=rss
  • এখন উপরের লাইনটি কপি করুন। তবে এখানে আমার ব্লগের Url এর স্থলে আপনার ব্লগের এড্রেস বসাতে হবে। তারপর নিচের চিত্রটি অনুসরণ করুন।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • এখানে উপরের চিত্রের ন্যায় Production RSS Feed হতে কপি করা লাইনটি পেষ্ট করে Save করুন।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • তারপর Style ম্যানু হতে Add Style বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্র দেখতে পাবেন।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • এখানে বাম পাশের Logo অপশন হতে মধ্যভাগের Choose New Logo বাটনে ক্লিক করে আপনার ব্লগের লগো আপলোড করতে হবে। আপনার ব্লগের লগোটি অবশ্যই PNG ফরমেটসহ মিনিমাম 690x132 Pixel হতে হবে। আপলোড করার পর আপনার লগোটির Preview ডান পাশে দেখতে পাবেন। এই লগোটি ঠিকমত আপলোড না করা পর্যন্ত আপনার ব্লগটি Review এর জন্য সাবটিম করতে পারবেন না।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • সবশেষে আপনার ব্লগটির Instant Articles প্রকাশ করার জন্য ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক Review করার নিমিত্ত সাবমিট করতে হবে। সাবমিট করার পর Review Complete হতে ৩-৫ দিন সময় নেবে। রিভিউ হওয়ার পর অনুমোদন হলে আপনি ইনস্টেন্ট আর্টিকেল শেয়ার করতে পারবেন। অনুমোদন না হলে আপনার ব্লগের পোষ্ট ফেইসবুকে পাবলিশ করতে পারবেন না।

পোষ্টের Error সংশোধন (এ্যাডভান্স টিপস)

ব্লগের RSS Feed সাবমিট করার পর আপনার ব্লগের সবগুলি পোষ্ট অটোমেটিক Instant Articles এর ড্যাশবোর্ডে শো করবে। এ ক্ষেত্রে ব্লগের অধিকাংশ পোষ্টে বিভিন্ন ধরনের Error দেখতে পাবেন। এই ভূলগুলি সংশোধন না করে Review এর জন্য সাবমিট করলে ফেইসবুক আপনার আবেদন অনুমোদন করবে না। নিচে আমি কিছু টিপস শেয়ার করব যেগুলি পোষ্টের Error সংশোধন করতে সাহায্য করবে।
  • ফেইসবুক Instant Articles এর ড্যাশবোর্ড হতে Production Articles এ ক্লিক করলে আপনার ব্লগের সবগুলি পোষ্ট দেখতে পাবেন।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • উপরের চিত্রে আমি লাল চিহ্ন দ্বারা দুটি ভূল পোষ্ট মার্ক করেছি। তার নিচে দুটি পোষ্ট রয়েছে যেগুলিতে কোন প্রকার ভূল নেই। এই ভূল পোষ্টগুলির ডানপাশে কলমের মত আইকনটিতে ক্লিক করলে পোষ্টের সকল সোর্স কোড দেখতে পাবেন।
কিভাবে Blogspot ব্লগে Facebook Instant Articles Setup করতে হয়?
  • উপরের চিত্রে দেখুন পোষ্ট Editor এ হলুদ কালারের কিছু লিখা রয়েছে। এখানে তারা আপনাকে ঐ অংশগুলি সংশোধন করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছে। আপনার যদি HTML সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকে, তবে এগুলি সহজে সমাধান করতে পারবেন।

সাহায্য ও পরামর্শঃ

আসলে আমি ব্যক্তিগতভাবে Facebook Instant Articles শুধুমাত্র নিউজপেপার টাইপের এবং যারা সবসময় ব্লগে আর্টিকেল শেয়ার করে থাকেন, তাদেরকে ব্যবহার করার জন্য পরামর্শ দেব। কারণ এতেকরে ফেইসবুক আপনাদের ব্লগের ভূল খুজে পাবে না। অন্যদিকে যারা বিভিন্ন টিউটোরিয়াল এবং পোষ্টে বেশী ইমেজ ব্যবহার করে থাকেন, তাদেরকে এটি ব্যবহার না করার জন্য পরামর্শ দেব। এ ধরনের ব্লগের পোষ্টের ভীতরে বিভিন্ন ধরনের অপশন থাকে যেগুলি ফেইসবুক সাপোর্ট করে না। এ ক্ষেত্রে আপনাকে দীর্ঘ সময় ব্যয় করে পোষ্টের ভীতরে থাকা সোর্স কোডগুলি পরিবর্তনের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।

এই পোষ্ট সম্পর্কে আপনাদের কোন জিজ্ঞাসা বা প্রশ্ন থাকলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ্।

৫ অক্টোবর, ২০১৭

ব্লগার Static Page এ আকর্ষণীয় Responsive Contact Form যুক্ত করুন!
আজকের এই Contact Form টি শুধুমাত্র আমার ব্লগে ব্যবহার করার জন্য তৈরি করেছিলাম, কিন্তু ব্লগের অধিকাংশ ভিজিটর কর্তৃক এই ফরমটি পছন্দ ও অনুরোধ করার কারনে শেষ পর্যন্ত সবার সাথে শেয়ার করতে বাধ্য হলাম। উল্লেখ্য যে, আমরা ইতোপূর্বে আরেকটি আকর্ষণীয় Contact Form শেয়ার করেছিলাম। এই লিংক থেকে পোষ্টটি দেখে নিবেন। আশাকরি ফরমটি সকলের পছন্দ হওয়ার পাশপাশি ব্লগের ভিজিটরদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।
ব্লগার Static Page এ আকর্ষণীয় Responsive Contact Form যুক্ত করুন!
গুগল ব্লগার ব্লগের যোগযোগ রক্ষার জন্য ডিফল্টভাবে একটি Contact Form গেজেট রেখেছে। তবে ফরমটির ডিজাইন মানসম্মত না হওয়ার কারনে অনেকই এই গেজেটটি ব্যবহার করতে চান না। আবার যারা ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে ভাল জ্ঞান রাখেন তারা বিভিন্ন সিএসএস যুক্ত করে কাস্টমাইজ করার মাধ্যমে ডিফল্ট Contact Form টিকে আকর্ষণীয় করে তাদের ব্লগে ব্যবহার করে থাকেন। আমরা আজ যেটি তৈরি করেছি সেটিতে বেশ কিছু ডিজাইন ও ফিচার্স রাখা হয়েছে। আশাকরি ফরমটি আপনাদের ভাল লাগবে।

লাইভ দেখুন

Contact Form টির ফিচার্সঃ

আজকের এই আর্ষণীয় Responsive Static Page Contact Form টিতে আমরা কিছু নতুন ফিচার্স ও ডিজাইন যুক্ত করেছি। নিচে সংক্ষেপে ফিচার্স গুলি তুলে ধরছি-
  • শুধুমাত্র  CSS3 এবং HTML5 এর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে।
  • পরিপূর্ন Responsive ডিজাইন।
  • প্রফেশনাল ‍ডিজাইন।
  • আইকন হিসেবে Font Awesome ব্যবহার করা হয়েছে।
  • Static Page এর Background এ আকর্ষণীয় Image.
  • পেজ এর অন্যান অংশগুলি Hide রাখা হয়েছে।

কিভাবে ব্লগে যুক্ত করবেন?

  • প্রথমে আপনার ব্লগে লগইন করুন।
  • তারপর ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Layout অপশনে ক্লিক করুন।
  • ডান পাশের Layout হতে Add a Gadget > More Gadgets এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
ব্লগার Static Page এ আকর্ষণীয় Responsive Contact Form যুক্ত করুন!
  • উপরের চিত্রে ৩ সংখ্যা দিয়ে মার্ক করা Contact Form এ ক্লিক করে উইজেটটি যুক্ত করুন।
  • এখন ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Theme > Edit HTML এ ক্লিক করুন।
ব্লগার Static Page এ আকর্ষণীয় Responsive Contact Form যুক্ত করুন!
  • তারপর কিবোর্ড হতে Ctrl+F চেপে ]]></b:skin> অংশটি সার্চ করুন।
  • এখন নিচের Css কোডটি ]]></b:skin> ট্যাগের উপরে পেষ্ট করুন।
div#ContactForm1{display:none !important}
  • পুনরায় কিবোর্ড হতে Ctrl+F চেপে </head> অংশটি সার্চ করুন।
  • নিচের লাইনটি কপি করে </head> এর উপরে পেষ্ট করুন। (নোটঃ ইতোপূর্বে আপনার ব্লগে Font Awesome আইকন এর কোন ভার্সন যুক্ত করা থাকলে, এ অংশটি যুক্ত করতে হবে না)
<link href='https://maxcdn.bootstrapcdn.com/font-awesome/4.7.0/css/font-awesome.min.css' rel='stylesheet'/>
  • এরপর Template Save করে বেরিয়ে আসুন। 

কিভাবে Static Page এ যুক্ত করবেন?

  • ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Page > New Page এ ক্লিক করুন।
ব্লগার Static Page এ আকর্ষণীয় Responsive Contact Form যুক্ত করুন!
  • এখন উপরের চিত্রে মত সবগুলি সেটিংস ঠিক করুন।
  • এরপর পোষ্ট Editor এর ভীতরে থাকা সবগুলি কোড মুছে দিয়ে নিচের কোডগুলি কপি করে পেষ্ট করুন।
<div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<style>
/* Blog Individual Settings
-------------------------------------------------------- */

#body-wrapper{position:relative;overflow:hidden;background:url("https://1.bp.blogspot.com/-AyfodnzVw68/V9U-19eptbI/AAAAAAAAH1A/222B-xYj450jywsCPzLLZKmFGhRNaXlzgCLcB/s1600/about-bg.png") repeat-x scroll 0% 0% #CBE7F5}
#footer-wrapper{padding-top:20px;margin:0;border-top:0 solid #4B96B4;position:relative;min-height:120px;background:url("https://4.bp.blogspot.com/-HlqBC33yu48/V9fTlqXY-jI/AAAAAAAAAEg/k-ZTriTYQXYeHYYZtWKQDnRBqz-co9mEwCLcB/s1600/footer-bg.png") repeat-x scroll center bottom #CBE7F5;z-index:0}
#content-wrapper{background:none;padding:20px}
#main-wrapper{width:100%!important;float:left;margin:0}
#main-atas{width:100%}
.post{width:99%;border:0;margin-bottom:0}
#sidebar-wrapper{display:none!important}
#midsidebar-wrapper,#sidebar-tengah,.blog-pager,.post-header-line-1,.post-footer,.post-title,.post-labels,.post-icons,.post-author{display:none!important}
#ad-slots,.subs-pop,#footer-widgets,#credits,#powered{display:none}
#comments,.sidebar{display:none}
#main-wrapper{width:100%}
th,td,caption{padding:1px}
table{margin-bottom:0}
@media screen and (max-width:768px){
  #main-wrapper{width:90%!important}
  div#pro_blogger_cntct_form{width:90%!important;margin-bottom:10px}
}
@media screen and (max-width:480px){
  .post{background:none}
}
/* Pro Contact Form
-------------------------------------------------------- */

div#pro_blogger_cntct_form{border-radius:2px;color:#1D1D1D;font-size:15px;font-weight:bold;position:relative;font-family:sans-serif;border:5px solid #26A69A;margin:10px auto;width:550px;margin-bottom:-8px}
div#pro_blogger_cntct_form .wrap-me{margin:0 auto;display:block;padding:30px 20px;background-color:#F3F3F3;max-width:550px;width:100%!important;border-top:65px solid #26A69A;box-sizing:border-box}
div#pro_blogger_cntct_form .wrap-me:before{content:'\f0e0';position:absolute;font-family:FontAwesome;font-weight:normal;margin-top:-88px;margin-left:-23px;left:50%;display:inline-block;font-size:28px;width:53px;height:53px;border-radius:50px;text-align:center;color:#FFFFFF;box-sizing:border-box;border:2px solid #FFFFFF;line-height:49px}
input#ContactForm1_contact-form-name,#ContactForm1_contact-form-email,#ContactForm1_contact-form-email:hover,#ContactForm1_contact-form-email:active{padding:5px;margin-top:4px!important;box-shadow:none!Important;max-width:520px;width:100%;border:1px solid #D2D2D2;line-height:1em;min-height:35px;background:#FEFEFE;font-family:sans-serif;margin-bottom:15px;border-radius:0}
.contact-form-email-message,.contact-form-email-message:active,.contact-form-email-message:hover{padding:5px;margin-top:4px!important;box-shadow:none!Important;max-width:520px;width:100%;border:1px solid #D2D2D2;line-height:1em;min-height:150px;background:#FEFEFE;font-family:sans-serif;margin-bottom:10px;border-radius:0}
#ContactForm1_contact-form-name:focus,#ContactForm1_contact-form-email:focus,#ContactForm1_contact-form-email-message:focus{outline:none;background:#FFFFFF!important;color:#444;border-color:rgb(236,235,235)!important;box-shadow:0 0 5px rgba(241,241,241,0.7)!important;transition:all 0.3s ease-in-out!important}
.contact-form-button-submit:hover{color:#FFFFFF;background:#0083FF!important}
.contact-form-button-submit{background:#19B3EA;display:table;font-size:17px;margin:0!important;border-radius:0!important;max-width:100%;width:100%;min-width:100%;height:32px;line-height:0.5em;letter-spacing:0.5px;font-family:sans-serif;font-weight:normal;cursor:pointer;outline:none!important;color:#FFFFFF;border:1px solid #fff!important;text-align:center;padding:0 0 0 15px;text-transform:capitalize;transition:all 300ms ease-in-out;-webkit-transition:all 300ms ease-in-out;-moz-transition:all 300ms ease-in-out}
.contact-form-button-submit:focus,.contact-form-button-submit.focus{border-color:#FFFFFF;box-shadow:none!important}
.contact-form-error-message-with-border .contact-form-success-message{background:#26A69A;border:1px solid #26A69A;bottom:0;box-shadow:0 2px 4px rgba(0,0,0,.2);color:#666;font-size:12px;font-weight:bold;padding-bottom:10px;line-height:19px;margin-left:0;opacity:1;position:static;text-align:center}
.contact-form-button-submit.disabled,.contact-form-button-submit.disabled:hover,.contact-form-button-submit.disabled:active{opacity:0.9}
.contact-form-error-message-with-border{background:#26A69A;border:1px solid #26A69A;bottom:0;box-shadow:none;color:#FDFDFD;font-size:15px;font-weight:normal;line-height:35px;margin-left:0;opacity:1;position:static;text-align:center;height:35px;margin-top:45px}
.contact-form-cross{height:14px;margin:5px;vertical-align:-8.5%;float:right;width:14px;border-radius:50px;border:0!important;cursor:pointer}
.contact-form-success-message-with-border{font-weight:normal;background-color:#26A69A;border:1px solid #26A69A;color:#FFF;line-height:35px;margin-left:0;font-size:13px;opacity:1;position:static;text-align:center;height:35px;margin-top:45px}
div#pro_blogger_cntct_form span.name-bg{background-color:#E8F2FF}
div#pro_blogger_cntct_form span.email-bg{background-color:#FFE8E8}
div#pro_blogger_cntct_form span.name-bg,div#pro_blogger_cntct_form span.email-bg{display:inline-block;max-width:300px;line-height:21px;width:100%;color:#696969;padding:3px 5px;margin:0 0 4px;box-sizing:border-box;height:30px;border:1px solid #E4E0E0;padding-left:39px}
div#pro_blogger_cntct_form span.name-bg:before{content:'\f007';background-color:#60A2FF}
div#pro_blogger_cntct_form span.email-bg:before{content:'\f1fa ';background-color:#FF530B}
div#pro_blogger_cntct_form span.name-bg:before,div#pro_blogger_cntct_form span.email-bg:before,div#pro_blogger_cntct_form span.message-bg:before{font-family:FontAwesome;text-align:center;margin:-4px 0 0 0;font-weight:normal;padding:0;line-height:27px;width:28px;height:28px;display:table;position:absolute;margin-left:-40px!important;border:1px solid rgba(0,0,0,0.1);border-right:0!important;color:#FFFFFF}
div#pro_blogger_cntct_form span.message-bg{background-color:#EBFFE8;display:inline-block;max-width:400px;line-height:21px;width:100%;color:#696969;padding:3px 5px;box-sizing:border-box;height:30px;border:1px solid #E4E0E0;padding-left:39px;margin:0 0 4px}
div#pro_blogger_cntct_form span.message-bg:before{content:'\f0e0';background-color:#20CC00}
div#pro_blogger_cntct_form span.send-bg{height:32px;display:inline-block;float:left;max-width:45%;width:100%;margin-top:15px;transition:all 0.4s ease-in-out!important}
div#pro_blogger_cntct_form span.send-bg:before{content:'\f1d8'}
div#pro_blogger_cntct_form span.send-bg:before,div#pro_blogger_cntct_form span.clear-bg:before{font-family:FontAwesome;text-align:center;font-weight:normal;margin:0;background-color:#000;padding:0;line-height:27px;width:30px;height:30px;display:inline-block;position:absolute;border:1px solid #fff;border-right:0!important;color:#FFFFFF}
div#pro_blogger_cntct_form span.clear-bg{display:inline-block;float:right;margin-top:15px;max-width:45%;width:100%}
div#pro_blogger_cntct_form span.clear-bg:before{content:'\f021'}
input.contact-form-button.contact-form-button-submit.clear-button:hover{background-color:#1AAB9D}
div#pro_blogger_cntct_form .clear-button{color:#FFFFFF;border:1px solid #FFF!important;background-color:#26A69A;float:right;display:table;height:32px}
</style>
<br />
<div id="pro_blogger_cntct_form">
<div class="wrap-me">
<form name="contact-form">
<input br="" class="contact-form-name" id="ContactForm1_contact-form-name" name="name" placeholder="Enter your name here..." size="30" type="text" value="" />
<input class="contact-form-email" id="ContactForm1_contact-form-email" name="email" placeholder="Enter your email here..." size="30" type="text" value="" />
<br />
<textarea class="contact-form-email-message" cols="25" id="ContactForm1_contact-form-email-message" name="email-message" placeholder="Write your message here..." rows="5"></textarea><br />
<span class="send-bg"><input class="contact-form-button contact-form-button-submit" id="ContactForm1_contact-form-submit" type="button" value="Send" /></span>
<span class="clear-bg"><input class="contact-form-button contact-form-button-submit clear-button" type="reset" value="Clear" /></span>
<br />
<div style="max-width: 100%; text-align: center; width: 100%;">
<div class="contact-form-error-message" id="ContactForm1_contact-form-error-message">
</div>
<div class="contact-form-success-message" id="ContactForm1_contact-form-success-message">
</div>
</div>
</form>
</div>
</div>
</div>
  • সবশেষে পোষ্টটি Publish করলেই Contact Form যুক্ত হয়ে যাবে।

পরিবর্তন ও সাহায্য জিজ্ঞাসাঃ

  • উপরের লাল কালারের Blog Individual Settings এর নিচে যে কোড রয়েছে সেগুলির মাধ্যমে ব্লগ পেজের মেইন ডিজাইনের বিভিন্ন অংশ Hide ও পরিবর্তন করা হয়েছে। এই অংশের সবগুলি HTML ID ও Class  আপনার ব্লগের সাথে মিল নাও থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনার ব্লগের ID ও Class খুজে বের বের করতে হবে।
  • তারপরের নীল রংয়ের Pro Contact Form অংশটি Contact From এর যাবতীয় HTML ও CSS কোড। এগুলির কোন পরিবর্তন করা প্রয়োজন হবে না।
  • সর্বপোরী আপনার যদি কোন অংশ বুঝতে সমস্যা হয় বা কোন প্রশ্ন থাকে, তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আমরা আপনাকে সাহায্য করার সর্বাত্মক চেষ্টা করব।

৪ অক্টোবর, ২০১৭

ইতোপূর্বে আপনারা সবাই নিশ্চয় অবগত হয়েছেন যে, সম্প্রতি বাংলা কনটেন্টযুক্ত ওয়েবসাইটে গুগল এ্যাডসেন্স সাপোর্ট দেওয়ার বিষয়ে এ্যাডসেন্স তাদের অফিসিয়াল ব্লগে ঘোষনা দিয়েছে। তবে এখনো এ্যাডসেন্সের সকল বিষয় বাংলা সাইটের জন্য Compatible হয়নি বিধায় অনেকে বাংলা সাইট থেকে এ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করে সফল হতে পারছেন না। তবে খুব শীঘ্রই সকল জঠিলতা কাঠিয়ে বাংলা ওয়েবসাইটে Google AdSense অনুমোদন করবে বলে আমরা আশা করছি। সে জন্য আপনার দীর্ঘ পরিশ্রমের বিনিময়ে তৈরি বাংলা ওয়েবসাইট থেকে এ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করার পূর্বে অবশ্যই ওয়েবসাইটকে এ্যাডসেন্সের উপযোগী করে নিবেন।
গুগল AdSense CPC, Page RPM ও Page CTR কি?
আজ আমি যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি সেটি অত্যান্ত সহজ কিন্তু এ্যাডসেন্স পাবলিশারদের জন্য খুবই জরুরী একটি বিষয়। অনেকে এ সহজ বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে না জানার কারনে তাদের এ্যাডসেন্স একাউন্ট হতে আয় বৃদ্ধি করতে পারেন না। গুগল মূলত CPC ও RPM হিসেব করে এ্যাডসেন্স পাবলিশারদের বিজ্ঞাপনের জন্য টাকা প্রদান করে থাকে। সেই ক্ষেত্রে যার ওয়েবসাইটের CPC ও RPM Rate যত বেশী হবে তার ওয়েবসাইটের ইনকাম তত বেশী হবে। এই সহজ তিনটি বিষয় নিয়ে যাদের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে, তারা আজকের এই পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়লে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

গুগল এ্যাডসেন্স থেকে আয় বৃদ্ধি করার প্রধান এবং একমাত্র উপায় হচ্ছে ব্লগের ট্রাফিক বৃদ্ধি করা। যার ব্লগে যত বেশী ভিজিটর থাকবে এ্যাডসেন্স হতে সে তত বেশী আয় করতে সক্ষম হবে। পোষ্টের মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার পূর্বে এটি বিষয় বলে রাখছি যে, আমাদের আজকের পোষ্টের মূল বিষয় CPC ও RPM বৃদ্ধি করা নয়, শুধুমাত্র গুগল AdSense CPC, Page RPM ও Page CTR সম্পর্কে বেসিক ধারনা নেওয়া। পরবর্তীতে কোন একদিন CPC ও RPM বৃদ্ধি করা সংক্রান্তে একটি পোষ্ট শেয়ার করব।

CPC, Page RPM ও Page CTR কি?

আমরা আজ এই তিনটি বিষয় নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আলাদা আলাদা অংশে ভাগ করে আলোচনা করব। তবে তার পূর্বে এগুলির সাথে সম্পৃক্ত আরো কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলি না জানলে বা পরিষ্কারভাবে ধারনা না নিলে আপনার কনসেপ্ট ক্লিয়ার হবে না।
  • Click কিঃ গুগল এ্যাডসেন্সের ক্ষেত্রে Click বলতে শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন ক্লিককে বুঝানো হয়। এ ক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটের কতগুলো পেজে ক্লিক হয়েছে সেটি নির্দেশ করে না।
  • Impression কিঃ এটি দ্বারা আপনার ব্লগের প্রত্যেকটি Page View কে বুঝানো হয়ে থাকে। অধীকন্তু আপনার ব্লগের Page View, Ad View সহ কোন Individual Ad View কেও নির্দেশ করে। সাধারণত Impression তিন ধরনের হয়ে থাকে, যথা-Page views, Page impression ও Ad impression.
  • Page views কিঃ Page views দ্বারা বুঝানো হয়ে থাকে আপনার কাঙ্খিত ব্লগের পেজ এর মাধ্যমে ভিজিটর কতটি বিজ্ঞাপন দেখতে পেয়েছে। ধরুন আপনার ব্লগের একটি পেজে মোট ৩ টি বিজ্ঞাপন রয়েছে, কিন্তু ভিজিটর ঐ পেজের সবগুলি বিজ্ঞাপন দেখেনি অর্থাৎ একটি বিজ্ঞাপন নিচের দিকে থাকার কারনে সেটি ব্রাউজারের উপরে উঠেনি। সে ক্ষেত্রে এখানে আপনার Page views হিসেবে ২ গণনা করা হবে।
  • Page impression কিঃ Page views এবং Page impression একই জিনিস। দুটি দ্বারা প্রায় একই ধরনের বিষয় বুঝানো হয়ে থাকে।
  • Ad impression কিঃ এটি দ্বারা আপনার ব্লগের প্রত্যেকটি পেজের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের হিসাব গণনা করা হয়। ধরুন আপনার ব্লগের একটি পোষ্টে ৩ টি বিজ্ঞাপন রয়েছে এবং পোষ্টটি সর্বমোট ৫ বার ভিজিট করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে Ad impression হিসাব করা হবে ৩x৫=১৫ অর্থাৎ কাঙ্খিত পোষ্টের ১৫ Ad impression গণনা করা হবে।
গুগল AdSense CPC, Page RPM ও Page CTR কি?

CTR (Click Through Rate) কি?

একটি ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপনের মোট ভিউ এর মধ্যে কতবার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা হয়েছে সেটি বুঝাতে CTR ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ হিসেবে- ধরুন আপনার ব্লগের বিভিন্ন পেজ ১০০ বার ভিউ হয়েছে এবং Add এ মাত্র ১০ জন ভিজিটর ক্লিক করেছে। সে ক্ষেত্রে আপনার CTR হবে ১০% । যদি আপনার ব্লগের পেজ ভিউ হয় ১০০ এবং ৫০ বার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা হয়ে থাকে, তবে আপনার CTR দাড়াবে ৫০%। এই CTR দ্বারা শুধুমাত্র আপনার বিজ্ঞাপনের মোট ভিজিটরের ভিউয়ের ক্লিক সংখ্যা হিসাব করা হয়।

CPC (Cost Per Click) কি?

Cost Per Click সম্পর্কে বেশী কিছু বলার প্রয়োজন নাই। কারণ এটি দ্বারা কি বুঝানো হয় তা আপনি নিজেই বুঝতে পারছেন। আপনার বিজ্ঞাপনের প্রতি Click এর কারনে এ্যাডসেন্স আপনাকে কত ডলার পরিশোধ করবে সেটি বুঝানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে যার ক্লিট রেট যত বেশী হবে তার আয়ও তত বেশী হবে। ধরুন-আপনার CPC রেট 0.03$, সে ক্ষেত্রে আপনি প্রতি এড Click এ পাবেন 0.03$ ডলার।

RPM (Revenue Per Mile) কি?

এটি দ্বারা একটি ব্লগের বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক ব্যতীত শুধুমাত্র প্রতি ১০০০ পেজ ভিউ হিসেবে কত ডলার দেওয়া হবে সেটি গণনা করা হয়। ধরুন- আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের RPM 1.25$, এ ক্ষেত্রে গুগল আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের প্রতি ১০০০ বার ভিউ এর জন্য 1.25$ ডলার পরিশোধ করবে।

CTR, CPC ও RPM এর সর্বমোট হিসাবঃ

ইতোপূর্বে আপনি উপরের তিনটি বিষয় থেকে পরিষ্কার ধারনা পেয়েছেন যে, Google AdSense কিভাবে হিসেব করে বিজ্ঞাপনের জন্য টাকা পরিশোধ করে এবং কিভাবে আপনার এ্যাডসেন্সের আয়ের পরিমান হ্রাস ও বৃদ্ধি পায়। এখন আমি উদাহরনের মাধ্যমে তিনটি বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করব।

উদাহরণ- মনেকরুন আপনার ব্লগে প্রতি মাসে এক লক্ষ পেজ ভিউ হয় এবং আপনার ব্লগের CTR ৩%। অর্থাৎ প্রতি একশত পেজ ভিউ এর মধ্যে মাত্র তিন জন আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে। এ ক্ষেত্রে আপনার নীট CTR হবে (মোট ভিউ x CTR ÷ ১০০) অর্থাৎ (১০০০০০x৩÷১০০) = ৩০০০ বার। আপনার ব্লগের এক লক্ষ পেজ ভিউ এর মধ্যে ৩০০০ জন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেছে। সেই হিসাবে আপনার ব্লগের CPC রেট 0.03$ হয়ে থাকলে মোট ক্লিক রেট হবে (৩০০০x০.৩) = ৯০ ডলার। অর্থাৎ এক লক্ষ ভিউয়ার এর মধ্যে ৩০০০ বিজ্ঞাপন ক্লিক এর কারনে গুগল আপনাকে ৯০ ডলার পরিশোধ করবে।

অন্যদিকে আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের RPM 1.25$ হলে আপনি মোট ভিউ হিসাব করে (মোট ভিউ ÷ ১০০০ x ১.২৫) অর্থাৎ (১০০০০০ ÷ ১০০০ x ১.২৫) = ১২৫ ডলার। CTR ব্যতীত শুধুমাত্র বিজ্ঞাপনের ভিউয়ের জন্য গুগল আপনাকে আরো ১২৫ ডলার পরিশোধ করবে। সেই হিসেবে দেখা যায় কেউ যদি উপরোক্ত যোগ্যতা সম্পন্ন ব্লগের সমন্বয়ে এক লক্ষ ভিউয়ার পায়, তাহলে সে গুগল এ্যাডসেন্স থেকে মাসে ৯০ + ১২৫ = ২১৫ ডলার আয় করতে সক্ষম হবে।

সর্বশেষঃ উপরে প্রদত্ত হিসাব এবং AdSense CPC, Page RPM ও Page CTR থেকে আপনি বুঝতে পারছেন যে, আপনি কেন গুগল এ্যাডসেন্স থেকে কম উপার্জন করছেন বা অন্যকেউ কম ভিজিটর পেয়েও আপনার চাইতে বেশী আয় করছে। আপনার ব্লগের CPC, Page RPM ও Page CTR যত বেশী হবে এ্যাডসেন্স থেকে তত বেশী আয় করতে পারবেন। সাধারণত ব্লগের কনটেন্টের মান, র‌্যাংকিং এবং বিজ্ঞাপনের লোকেশনের উপর ভিত্তি করে CPC ও RPM কম বেশী হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে আপনি ভালমানের কনটেন্টের সমন্বয়ে উন্নত দেশের বিজ্ঞাপনকে টার্গেট করতে পারলে এ্যাডসেন্স CPC ও RPM বৃদ্ধি করে ব্লগের আয় বাড়াতে পারবেন।
 
Subscribe for all Updates

Subscribe Now

কপিরাইট © 2015- প্রযুক্তি ডট কম ™, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Powered by: