View AllEarnings

Feb 17, 2019

বর্তমান বিশ্বে গুগল বা গুগল সার্চ ইঞ্জিন চিনে না এমন লোক খুব কম আছে। বিশেষ করে যারা অনলাইন ব্লগিং এর সাথে জড়িত আছে তারা গুগলকে গুরু হিসেবে মান্য করে। কারণ যারা ব্লগিং করে তারা গুগল হতে পর্যাপ্ত ভিজিটর পাওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যান। একজন ব্লগার গুগল সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক সংগ্রহ করতে সমর্থ হলে তার ব্লগের সফলতা কেউ থামিয়ে রাখতে পারবে না। তাছাড়া একজন অনলাইন কনটেন্ট রাইটার তখনই নিজেকে সার্থক মনে করেন যখন তার ব্লগে গুগল সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিজিটর পেতে সমর্থ হন। আপনি ফেইসবুক, টুইটার ও ইউটিউব সহ অন্যান্য মাধ্যম হতে যতই ট্রাফিক পান না কেন সেটা সার্চ ইঞ্জিন হতে প্রাপ্ত ট্রাফিক এর গুরুত্বের সমান কখনো হতে পারবে না। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে গুগল সার্চ ইঞ্জিন হতে প্রাপ্ত ট্রাফিক এর অনেক গুরুত্ব রয়েছে।
কিভাবে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হয়?
গুগল সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিজিটর পাওয়ার জন্য প্রথমেই আপনার ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট যেটিই হক না কেন সেটিকে Google Search Console (পূর্বের Google Webmaster Tools) এ সাবমিট করতে হবে। একটি ব্লগ কিভাবে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হয় সেটি নিয়ে আমরা প্রায় তিন বৎসর আগে একটি পোস্ট আমাদের ব্লগে শেয়ার করেছিলাম। তখনকার সময়ে সবাই সেটি Google Webmaster Tools নামেই চিনত। সম্প্রতি গুগল সেটির লিংক পরিবর্তন করে গুগল সার্চ কনসল নামকরণ করেছে। গুগল এই টুলসটির নাম এবং লিংক পরিবর্তনের সাথে সাথে এর গ্রাফিক্স সহ বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন করেছে। তাছাড়া বিগত তিন বৎসরে গুগল এই টুলসটির ব্যাপক পরিবর্তন করেছে বিধায় আমাদের পূর্বের পোস্টটি হতে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাইট সাবমিট করতে অনেকের সমস্যা হচ্ছে। সেই জন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি পূর্বের পোস্টটি এডিট না করে এ বিষয়ে একটি নতুন পোস্ট শেয়ার করব, যাতেকরে সবাই সহজে নিজের ব্লগ গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে পারে।

কেন ব্লগ গুগল সার্চ কনসলে সাবমিট করতে হবে?

সময়ের সাথে সাথে টেকনোলজির যেমনি উন্নতি হচ্ছে তেমনি টেকনোলজি নিয়ে মাঠে ঠিকে থাকার প্রতিযোগিতা তার চাইতে অনেকগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ থেকে তিন বছর পূর্বে যে পরিমান ওয়েবসাইট অনলাইনে ছিল বর্তমানে সেটি বৃদ্ধি পেয়ে দশগুন বেশী হয়েছে। সে জন্য গুগল সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক না পেয়ে অনেক ওয়েব ডেভেলপার ওয়েবসাইট বা ব্লগ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। এ কারনে অনলাইনে ঠিকে থাকার প্রতিযোগিতায় নিজেকে সফল হিসেবে প্রমান করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের সকল প্রন্থা অবলম্বন করতে হবে।

সাধারণত একজন ব্যবসায়ি যখন নতুন কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেন তখন তার সেই প্রতিষ্ঠানকে কাষ্টমারদের কাছে পরিচিত করার জন্য বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচার ও প্রসারের মাধ্যমে পরিচিত করে তুলেন। একটি ওয়েবাসইট কিংবা ব্লগের ক্ষেত্রেও ঠিক একইভাবে সেটিকে গুগল সার্চ ইঞ্জিনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য গুগল সার্চ কনসলে সাইট সাবমিট করতে হবে। গুগল সার্চ কনসল হচ্ছে গুগল এর একটি নিজস্ব টুলস। এই টুলটিতে যে কোন ব্লগ সাবমিট করে রাখলে গুগল খুব সহজে ঐ ব্লগটির সকল পোস্ট ও বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারনা পেয়ে যায়। গুগল যখন কোন ব্লগ সম্পর্কে ধারনা পাবে তখন ব্লগের আর্টিকেল এর গুরুত্ব বুঝে এলগরিদম অনুসারে ধারাবাহিকভাবে সার্চ রেজাল্টে প্রদর্শন করবে। সুতরাং আপনি বুঝতে পারছেন যে, গুগল সার্চ কলসলে একটি ব্লগ সাবমিট করার গুরুত্ব কতখানি রয়েছে। 

কিভাবে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করবেন?

আমি আগেও বলেছি আমরা ইতোপূর্বে আমাদের ব্লগে Google Webmaster Tools সাইট সাবমিট করার বিষয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করেছি। উপরের লিংকে ক্লিক করে আমাদের পূর্বের পোস্টটি দেখে নিতে পারেন। আমাদের ঐ পোস্ট থেকে আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
  • প্রথমে আপনার গুগল একাউন্টে লগইন করুন।
  • তারপর Google Search Console এর অফিসিয়াল লিংকে ক্লিক করুন।
  • এই লিংকে ক্লিক করার পর নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হয়?
  • উপরের চিত্রের তীর চিহ্নিত জায়গাতে আপনার ব্লগের URL দিয়ে Add Property বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হয়?
  • উপরের চিত্র হতে মাউসের সাহায্যে ক্রল করে নিচের দিকে গেলে নিচের চিত্রেরন্যায় দেখতে পাবেন।
কিভাবে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হয়?
  • এখানে উপরের চিত্রের HTML Tag এর ডান পাশের তীর চিহ্নিত ছোট আইকনটিতে ক্লিক করলে নিচের চিত্র শো করবে।
কিভাবে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হয়?
  • এখানে উপরের চিত্রের HTML Meta Tag টি কপি করে আপনার ব্লগার টেমপ্লেটে যুক্ত করতে হবে।
  • এই কোডটি যুক্ত করার জন্য আপনার ব্লগের ড্যাশবোর্ড হতে Theme > Edit HTML এ ক্লিক করতে হবে।
  • তারপর কম্পিউটারের কীবোর্ড হতে Ctrl+F চেপে <head> অংশটি সার্চ করতে হবে।
  • এখন উপরের চিত্রের কোডগুলি আপনার ব্লগের/ওয়াবসাইটের <head> ট্যাগের নিচে যুক্ত করে টেমপ্লেট সেভ করতে হবে।
  • এরপর উপরের চিত্রের তীর চিহ্নিত Verify বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি শো করবে।
কিভাবে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হয়?
  • উপরের চিত্রের Done অপশনের ক্লিক করলে সার্চ কনসল এর ড্যাশবোর্ড দেখতে পাবেন।
  • তারপর ড্যাশবোর্ডের বাম পাশে নিচের অপশগুলি দেখতে পাবেন।
কিভাবে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হয়?
  • উপরের চিত্রের Sitemaps অপশনে ক্লিক করলে ডান দিকে নিচের চিত্রটি শো করবে।
কিভাবে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হয়?
  • এখানে আপনার ব্লগের XML সাইটম্যাপ URL টি দিতে হবে। এই কাজটি করার জন্য নিচের চিত্রটি অনুসরণ করুন।
কিভাবে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হয়?
  • উপরের চিত্রে আপনার ব্লগের লিংকের পরে যে খালি জায়গা রয়েছে সেটিতে sitemap.xml লিখে দিয়ে ডান পাশে থাকা নিল রংয়ের Submit বাটনে ক্লিক করলে আপনার ব্লগটি গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সফলতার সহিত সাবমিট হওয়া বার্তা দেখাবে।
কিভাবে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হয়?
  • উপরের চিত্রে Got It অপশনে ক্লিক করলেই সব কাজ শেষ হয়ে যাবে।
সাহায্য জিজ্ঞাসাঃ আপনারা জানেন যে, গুগল সার্চ কনসল বা গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাইট সাবমিট করার প্রক্রিয়াটা হচ্ছে একটি চলমান প্রক্রিয়া। গুগল যে কোন সময় এই নিয়ম পরিবর্তন করতে পারে। আমাদের পোস্ট অনুসরণ করে আপনি যখন ব্লগ সাবমিট করবেন তখন কোন প্রকার পরিবর্তন বা সমস্যা দেখতে পেলে আমারকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আমরা সাথে সাথে আপনার সমস্যা সমাধান করা সহ পোস্টটি আপডেট করে দেব। তাছাড়া এই পোস্টটির কোন অংশ বুঝতে সমস্যা হলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।

Feb 14, 2019

গুগল ব্লগার ব্লগের এসইও বিষয়টি আমার কাছে খুব প্রিয় একটি টপিক। কারণ গুগল ব্লগার প্লাটফর্মে যত সহজে এসইও করা যায় অন্য কোন ব্লগিং প্লাটফর্মে তত সহজে এসইও করা সম্ভব হয় না। গুগল ব্লগার ডেভেলপার টিম ব্লগের এসইও সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সকল উপাদান গুগল সার্চ ইঞ্জিনের উপযোগী করে ব্লগার ড্যাশবোর্ড এর ভীতরেই রেখেছে। আপনি শুধুমাত্র বিষয়গুলো বুঝে নিয়ে নিয়ম মোতাবেক সেট করতে পারলেই ব্লগের অধিকাংশ এসইও হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে অন্যান্য ব্লগিং প্লাটফর্মের ন্যায় বিভিন্ন টুলস বা এডঅন যুক্ত করার মত কোন ঝামেলা পোহাতে হয় না।
Google BlogSpot ব্লগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ SEO টিপস!
অধিকাংশ নতুন ব্লগারগণ এসইও এর বেসিক বিষয়গুলো না বুঝার কারনে ব্লগের এসইও করতে পারেন না। আবার অনেক ব্লগার রয়েছে যারা মনেকরে তাদের দ্বারা ব্লগের এসইও করা সম্ভব হবে না। আপনি যদি ব্লগিং জগতে একদম নতুন হন তারপরও আমাদের আজকের এই পোস্টটি পড়ার পর আপনার প্রিয় ব্লগার ব্লগের এসইও করে নিতে পারবেন। তবে একটা কথা ক্লিয়ার করে রাখছি যে, আমি এখানে শুধুমাত্র ব্লগের প্রধান এসইও করার কথা বলছি। কেউ আবার ভূল করে পরিপূর্ণ এসইও মনে করবেন না। কারণ পরিপূর্ণ এসইও করার অনেক এক্সটারন্যাল বিষয় রয়েছে। এসইও বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান ছাড়া কোন ধরনের ব্লগেরই পরিপূর্ণ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) করা যায় না। তবে আপনি হতাশ হবেন না, আমাদের আজকের এই পোস্টটির মাধ্যমে আপনার ব্লগের বেসিক এসইও গুলো হয়ে যাবে এবং আমাদের ব্লগের এসইও সংক্রান্ত অন্যান্য পোস্টগুলো আয়ত্ব করতে পারলে আপনিও একজন এসইও এক্সপার্ট হয়ে আপনার ব্লগের পূর্ণাঙ্গ এসইও করতে পারবেন।

সাধারণত একটি ব্লগকে পরিপূর্ণ এসইও ফ্রেন্ডলি করতে হলে তিন ধাপে এসইও করতে হয়। তিনটি ধাপের মধ্যে একটি হচ্ছে থিমস অপটিমাইজেশন, তারপর পোস্ট অপটিমাইজেশন ও সবশেষে এক্সটারন্যাল আরো অনেক বিষয়। এই পোস্টে থিমস ও পোস্ট অপটিমাইজেশন এর মূল বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে শেয়ার করব।

১। ম্যাটা ডেসক্রিপশন (হোম পেজ)

সার্চ ইঞ্জিনকে ব্লগে পোস্টের বা ব্লগের বিষয়বস্তু সম্পর্কে সংক্ষেপে বুঝানোর জন্য Meta Description লিখা হয়ে যাকে। আপনার ব্লগে কি বিষয়ে লিখছেন অথবা আপনার ব্লগ পোস্টে কি বিষয়ে আর্টিকেল শেয়ার করছেন সেটিকে সংক্ষেপে বুঝাতে Meta Description দেওয়া হয়ে থাকে। মোট কথা হচ্ছে একটি বিশদ বিষয়ের সারসংক্ষেপ হচ্ছে Meta Description. এই ম্যাটা ডেসক্রিপশনের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন খুব সহজে একটি ব্লগ সম্পর্কে ধারনা নিতে পারে। সাধারণত ব্লগার ব্লগ স্পেসসহ ১৫০ অক্ষরের মধ্যে Meta Description লিখার জন্য সাজেস্ট করে। কারণ সার্চ ইঞ্জিন ১৬০ টির অধিক সংখ্যক অক্ষর সার্চ রেজাল্টে প্রদার্শন করে না। নিম্নোক্ত উপায়ে ব্লগে Meta Description যুক্ত করতে পারবেন।
  • প্রথমে আপনার ব্লগে লগইন করুন।
  • তারপর ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Settings > Search Preferences > Meta Tags এর অধীনে Meta Description অপশনটি দেখতে পাবেন।
Google BlogSpot ব্লগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ SEO টিপস!
  • এখানে আপনার ব্লগের মূল বিষয়বস্তুর সাথে মিল রেখে ১৫০ টি অক্ষরের মধ্যে Meta Description লিখতে হবে। 
  • উল্লেখ্য যে, এই ট্যাগটি শুধুমাত্র আপনার মূল ব্লগের Meta Description হিসেবে কাজ করবে। কোন পোস্ট এর ক্ষেত্রে ক্ষেত্রে এটি তেমন কোন গুরুত্ব বহন করবে না।

২। ম্যাটা ডেসক্রিপশন (পোস্ট পেজ)

গুগল ব্লগার ব্লগের পোস্ট পেজে Meta Description যুক্ত করার জন্য পোস্ট এডিট করতে হয় না। ব্লগ পোস্ট এডিট না করেও খুব সহজে পোস্ট পেজের Meta Description যুক্ত করতে পারবেন।
  • আপনি যে পোস্টে Meta Description যুক্ত করতে চান সেই পেজে প্রবেশ করতে হবে। 
  • তারপর পোস্টের ডান পাশে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
Google BlogSpot ব্লগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ SEO টিপস!
  • এখন উপরের চিত্র হতে Search Description এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি শো করবে।
Google BlogSpot ব্লগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ SEO টিপস!
  • উপরের চিত্রের বক্সে ১৫০ টি অক্ষরের মধ্যে আপনার পোস্টের সারমর্ম লিখতে হবে।

৩। Crawlers and indexing

এটির অধীনে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অপশন রয়েছে। একটি হচ্ছে Robots.txt এবং অন্যটি Robots Header Tags. এই দুটি অপশন ব্যবহার করে সার্চ ইঞ্জিনকে ব্লগের বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা যায়। সেই নির্দেশ মোতাবেক সার্চ ইঞ্জিন ব্লগের কনটেন্ট ইনডেক্স করে।
Google BlogSpot ব্লগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ SEO টিপস!
আমরা ইতোপূর্বে Robots.txt এবং Custom Robots Header Tags নিয়ে দুটি আলাদা পোস্ট শেয়ার করেছি। আমি পুনরায় এখানে বিস্তারিত আলোচনা করতে চাইছি না। আপনি এই লিংক দুটিতে ক্লিক করে বিষয় দুটি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন।

৪। ব্লগ পোস্টের URL এর গঠন

এটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারণ সার্চ ইঞ্জিন একজন ভিজিটরকে URL বা Link এর মাধ্যমে যে কোন ব্লগের পোস্টে পৌছে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে ভিজিটর পোস্টের লিংক মনেরেখে পুনরায় সরাসরি ঐ পোস্টে ভিজিট করে। আপনি যখন একটি নতুন পোস্ট করবেন তখন পোস্ট পাবলিশ করার পূর্বে URL পোস্টের বিষয়ের সাথে মিল রেখে ৫০ টি অক্ষরের মধ্যে সুন্দরভাবে গঠন করবেন। পোস্টের URL এর ভীতরে কোন ক্ষমা, সেমিকোলন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন। অনেকে এটি না করে পোস্টের বিষয়বস্তুর সাথে মিল না রেখে যা ইচ্ছা তাই লিখে দেন। এতেকরে পোস্টটি সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে মূল্য হারায়।
Google BlogSpot ব্লগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ SEO টিপস!
উপরের চিত্রে দেখুন আপনার কাঙ্খিত পোস্টের ডান পাশের Permalink অপশনে ক্লিক করে পছন্দমত URL গঠন করে নিতে পারবেন। তবে একবার পোস্ট পাবলিশ করে দিলে সেই লিংক Url বা Permalink পুনরায় কাস্টমাইজ করার ক্ষেত্রে কিছুটা জঠিলতা রয়েছে। এই জন্য পোস্ট পাবলিশ করার পূর্বে ভালোভাবে লিংক গঠন করে নেওয়াটাই সবচেয়ে উত্তম।

৫। ব্লগ পোস্ট টাইটেল অপটিমাইজেশন

একটি সুন্দর ও অপটিমাইজ করা ব্লগ পোষ্ট টাইটেল যে কোন সার্চ ইঞ্জিন রোবটের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম। সার্চ ইঞ্জিন রোবটগুলি একজন মানুষের মতন ভাল-খারাপ, পছন্দের-অপছন্দের জিনিসগুলি সহজে বাছাই করে নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনি যদি ভালমানে টপিক নিয়ে লিখেন তাহলে সার্চ রোবট আপনার কনটেন্ট ও সুন্দর টাইটেল পছন্দ করে সার্চ রেজাল্টে নিয়ে আসবে। ব্লগের পোস্ট টাইটেল অপটিমাইজ করার অনেক বিষয় রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রথমে আপনার ব্লগার থিমস এর অভ্যন্তরে থাকা টাইটেল ট্যাগটি সঠিকভাবে সেট করে নিতে হবে। ব্লগের টাইটেল ট্যাগ সেট করার জন্য নিজের স্টেপ অনুসরণ করুন।
  • প্রথমে ব্লগে লগইন করুন।
  • তারপর ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Theme > Edit HTML এ ক্লিক করুন।
  • তারপর কীবোর্ড হতে Ctrl+F চেপে <title> অংশটি সার্চ করুন।
   <title>
    <b:if cond='data:blog.pageType == &quot;index&quot;'>
    <data:blog.pageTitle/>
    <b:else/>
    <data:blog.pageName/>
    <b:if cond='data:blog.pageType != &quot;error_page&quot;'>
    <b:else/>Page Not Found :: <data:blog.title/>
    </b:if>
    </b:if>
   </title>
  • এখানে <title> ...... </title> এর সম্পূর্ণ ট্যাগটি ডিলিট করে উপরের সম্পূর্ণ ট্যাগটি সেট করুন।
এগুলো ছাড়াও ব্লগ পোস্টের টাইটেল অপটিমাইজেশনের আরো অনেক বিষয় রয়েছে। আমরা ইতোপূর্বে ব্লগ পোস্টের  Multiple Posts Titles এবং Multiple Header Title অপটিমাইজেশনের দুটি আলাদা পোস্ট শেয়ার করেছি। আপনার ব্লগ পোস্টকে অধিক অপটিমাইজেশনের জন্য পোস্ট দুটি ভালোভাবে অনুরসণ করতে পারেন।

৬। পোষ্টের Image অপটিমাইজেশন

Image হচ্ছে ব্লগ পোষ্টের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ব্লগ পোষ্টে Image ব্যবহার করে যে কোন বিষয় সম্পর্কে পাঠকদের সুস্পষ্ট ধারনা দেয়া যায়। এমন কিছু পোষ্ট থাকে যে গুলিতে Image ব্যবহার না করলে পাঠকদের পরিষ্কার ধারনা দেয়া সম্ভবই হয় না। অন্যদিকে সার্চ ইঞ্জিনও আপনার ব্লগে সকল Image গুলিকে আলাদাভাবে সার্চ রেজাল্টে নিয়ে আসে। সাধারণত আপনি দেখে থাকেন যে, Google Search এর সার্চ রেজাল্টে Image নামে একটি ট্যাব থাকে। যেখানে ক্লিক করে কাঙ্খিত বিষয়ের অনেক Image পাওয়া যায়। আপনি যদি ব্লগের Image গুলি সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলী করে লিখেন তাহলে ঐ Image থেকে অনেক ভিজিটর পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরী হয়। ব্লগের Image এ বিভিন্ন ধররেন Alt Tag ও Caption এর মাধ্যমে Optimize করা যায়। কিভাবে পোষ্টের Image Optimize করতে হয় এ নিয়ে আমরা পূর্বে একটি বিস্তারিত পোষ্ট শেয়ার করেছি।

৭। পোস্টের লিংক Attributions

সাধারণত একটি লিংকের Nofollow এবং Dofollow দুই ধরনের Attributions থাকে। Nofollow লিংক এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন-কে ঐ ধরনের লিংকটিকে অনুসরণ না করার জন্য কমান্ড করা হয়ে থাকে। অপর দিকে Dofollow লিংক এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন-কে লিংকটিকে অনুসরণ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়। Nofollow এবং Dofollow ‍লিংক নিয়ে আমরা একটি বিশদ পোষ্ট শেয়ার করেছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে উপরের লিংকে ক্লিক করে জেনে নিতে পারবেন।
Google BlogSpot ব্লগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ SEO টিপস!
গুগল ব্লগার ব্লগের Anchor Text বা লিংক তৈরি করা খুবই সহজ একটি কাজ। আপনি যে লেখার সাথে লিংক করতে চান সেই লেখাটি সিলেক্ট করে লিংক অপশনে ক্লিক করলে উপরের চিত্রের মত লিংক তৈরি অপশন সহ আরো কিছু বাড়তী অপশন পেয়ে যাবেন। আমরা জানি যে, কোন লেখার সাথে নিজের ব্লগের লিংক তৈরির ক্ষেত্রে সেটিকে Dofollow হিসেবে দেই। Dofollow লিংক তৈরির ক্ষেত্রে বাড়তী কোন কাজ করতে হয় না। লিংক এর অপশনের কাঙ্খিত লিংকটি দিয়ে OK করলেই হয়ে যায়।

অন্যদিকে আমরা জানি যে, অন্য কোন ব্লগের লিংক নিজের ব্লগের সাথে যুক্ত করার ক্ষেত্রে সেটিকে Nofollow লিংক হিসেবে গঠন করে থাকি। এখানে উপরের চিত্রে দেখুন শুধুমাত্র তীর চিহ্নিত আইকনটিতে ঠিক চিহ্ন দিয়ে OK করলেই খুব সহজে Nofollow লিংক গঠন হয়ে যায়।

৮। পোস্টের Label and Related Post

আমরা সাধারণ প্রত্যেকটি পোস্টের বিষয়ের সাথে মিল রেখে একটি অথবা দুটি Label যুক্ত করে রাখি। ব্লগ পোস্টে Label যুক্ত করার ফলে এক সাথে অনেকগুলো কাজ সম্পন্ন হয়ে যায়। প্রথমত বিষয় অনুসারে ব্লগের পোস্টগুলি আলাদা করে দেখা যায়। দ্বিতীয়ত সার্চ ইঞ্জিনও অনেক সময় পোস্টের Label অনুসারে পোস্টকে আলাদাভাবে সার্চ এলগরিদমে সাজিয়ে রেখে সার্চ রেজাল্টে প্রদর্শন করে। তৃতীয়ত ব্লগের নিচের দিকে Related Post ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও Label গুলি পোস্ট প্রদর্শনের ক্ষেত্রে কাজ করে।
Google BlogSpot ব্লগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ SEO টিপস!
ব্লগ পোস্টের ডান পাশের Label অপশনে ক্লিক করে খুব সহজে পোস্টের Label লিখতে পারেন অথবা সিলেক্ট করে দিতে পারেন। উপরের চিত্রে দেখুন আমার ব্লগের প্রত্যেকটি পোষ্টের বিষয়ের সাথে মিল রেখে আলাদা আলাদা Label তৈরি করে রেখেছি।

৯। পোস্টের Keyword Density

সাধারনত একটি পোষ্টের অভ্যন্তরে যতগুলি শব্দ লিখা হয়ে থাকে সেগুলির মধ্যে ঐ পোষ্টের কাঙ্খিত Keyword টি কতবার লিখা হয়েছে সেটি দ্বারাই Keyword Density কে নির্দেশ করে। এটি হতে পারে একটি মাত্র শব্দ বা Phrase, যা দ্বারা আপনি সার্চ ইঞ্জিন এবং ভিজিটরদের টার্গেট করছেন। ধরুন- আপনি “কফি সপ” বিষয় নিয়ে একটি পোষ্ট লিখছেন। এ ক্ষেত্রে আপনি সর্বমোট ৫০০ টি Keyword এর সমন্বয়ে সাজিয়ে ‍গুজিয়ে পোষ্টটি লিখলেন এবং সম্পূর্ণ পোস্টের বিভিন্ন জায়গাতে “কফি সপ” শব্দটি ৫০ বার ব্যবহার করলেন। এ ক্ষেত্রে আপনার কাঙ্খিত পোষ্টের Keyword Density হচ্ছে ১০%। এক কথায় কোন একটি পোষ্টের সর্বমোট শব্দের মধ্যে কতবার Targeted Keyword টি ব্যবহার করা হয়েছে সেটি দ্বারাই Density বুঝানো হয়ে থাকে। একটি পোস্টের মধ্যে Keyword Density কত Percent হওয়া উচিত সেটি জানার জন্য উপরের লিংক হতে পোস্টটি পড়ে নিবেন।

১০। ব্লগের কমেন্ট Nofollow করা

সাধারণত প্রত্যেকটি ডিফল্ট ব্লগের কমেন্ট সেকশন Nofollow আকারেই থাকে। তবে আপনি যদি কাস্টম ব্লগার থিমস ব্যবহার করে থাকেন সে ক্ষেত্রে আপনার ব্লগটির কমেন্ট সেকশন Nofollow হিসেবে আছে নাকি Dofollow ফরমেটে আছে সেটি নিশ্চিত হয়ে নিবেন। কারন অনেক কাস্টম থিমস ডেভেলপার ইচ্ছাকৃতভাবে ব্লগের কমেন্ট সেকশন Dofollow করে রাখেন।
<a expr:href='data:comment.authorUrl' rel='nofollow'><data:comment.author/></a>
আপনার ব্লগের থিমস এর ভীতরে উপরের কোডটি খোঁজে পেলে আপনি বুঝতে পারবেন যে, আপনার ব্লগটি Nofollow ফরমেটে আছে। উপরের লাইনটি পাওয়া না গেলে কমেন্ট সেকশনে উপরের কোডটি যুক্ত করে নিবেন। কারণ কমেন্ট সেকশন Dofollow হিসেবে থাকলে আপনার ব্লগে কমেন্টকারী কমেন্ট এর মাধ্যমে আপনার কাঙ্খিত পোস্ট হতে কিছুটা লিংক জুস কেড়ে নিয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে আপনার পোস্টটি কিছুটা হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

শেষে কথাঃ আপনারা সবাই জানেন যে, গুগল ব্লগার ব্লগ হচ্ছে গুগল এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস। গুগল ডেভেলপার টিম নিজ হাতে এর সকল কাজ সম্পন্ন করে থাকে। কাজেই গুগল ডেভেলপার টিম গুগল সার্চ ইঞ্জিন এর প্রয়োজনীয় সকল উপাদানের সমন্বয়েই সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী করে এটি তৈরি করেছে। আমরা যদি শুধুমাত্র এর সঠিক ব্যবহার করতে পারি তাহলে অন্য যে কোন প্লাটফর্মের চাইতে সহজে গুগল সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিজিটর পেতে সক্ষম হব।

Feb 13, 2019

প্রফেশনাল লাইফের ব্যস্ততা কাঠিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ব্লগে লিখতে বসলাম। ব্লগে নিয়মিত আর্টিকেল শেয়ার করতে না পারায় আমার ব্লগের পাঠক সহ পরিচিত অপরিচিত অনেকের কাছে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হয়েছে। আসলে ব্লগে নিয়মিত আর্টিকেল শেয়ার করা ইচ্ছা পূর্বে যেমন ছিল এখনো তেমনই আছি। মূলত প্রফেশনাল কাজের ব্যস্ততার কারনে ব্লগে একটিভ থাকা হয়ে উঠে না। তবে এখন থেকে মাঝে মধ্যে নতুন নতুন আর্টিকেল শেয়ার করার চেষ্টা করব।
কিভাবে Google+ Profile থেকে Blogger Profile এ পরিবর্তন করতে হয়?
এ বিষয়টি নিয়ে আমাদের ব্লগের গ্যাস্ট ব্লগার মিস আফসানা মিম অনেক দিন পূর্বে একটি পোষ্ট শেয়ার করেছিলেন। তবে সেটিতে Blogger Profile থেকে Google+ Profile এ পরিবর্তন করার পরিপূর্ণ পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে দেখিয়েছিলেন। এই পোষ্টে আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে Google+ Profile থেকে Blogger Profile এ পরিবর্তন করতে হয়?

কেন Google+ থেকে Blogger Profile এ পরিবর্তন করা প্রয়োজন?

অনেকের কাছে এই পোষ্টটি অত্যান্ত সহজ একটি বিষয় মনে হবে। হ্যা, আমিও স্বীকার করছি যে, এটি খুবই সহজ একটি পোষ্ট। তবে ২০১৯ সালে এসে এই সহজ বিষয়টি নিয়ে লিখার পিছনে একটি যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। কারণটি হচ্ছে যে, Google+ সার্ভিসটির ব্যবহারকারী পর্যাপ্ত না থাকায় সম্প্রতি গুগল তাদের এই সার্ভিসটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করার ঘোষনা দিয়েছে। তাদের ঘোষনা অনুসারে চলতি বছরের এপ্রিল মাস হতে Google+ সেবাটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। যার ফলশ্রুতিতে যাদের গুগল প্লাস প্রোফাইল, গুগল প্লাস পেজ ও গুগল প্লাস এর সাথে অন্যান্য যে সকল সার্ভিস যুক্ত রয়েছে সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। এতেকরে পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে যে, যারা ব্লগার প্রোফাইল হিসেবে গুগল প্লাস ব্যবহার করছেন তাদের সেই প্রোফাইলকে গুগল প্লাস প্রোফাইল হতে ব্লগার প্রোফাইলে পরিবর্তন করতে হবে। কারণ এখনো পর্যন্ত ব্লগার ড্যাশবোর্ড এর কমেন্ট সেকশন সহ বিভিন্ন জায়গাতে গুগল প্লাস প্রোফাইলকে ব্লগার এর সাথে যুক্ত করে ব্যবহার করার সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। আগামী এপ্রিল মাস হতে গুগল প্লাস সেবাটি বন্ধ হওয়ার দরুন সেটিকে অবশ্যই ব্লগার প্রোফাইলে পরিবর্তন করতে হবে।
কিভাবে Google+ Profile থেকে Blogger Profile এ পরিবর্তন করতে হয়?
তাছাড়া গুগল ব্লগার টিম ইতোপূর্বে ব্লগার ড্যাশবোর্ডে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সবাইকে এ বিষয়টি জানিয়ে দিচ্ছে। উপরের চিত্রে দেখুন ব্লগার ডেভেলপার টিম আমাকে গত কয়েক দিন আগে এই বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য একটি নটিফিকেশন দিয়েছে। এ ছাড়াও গুগল ব্লগার তাদের অফিসিয়াল ব্লগেও এ বিষয়ে পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করেছে। গুগল প্লাস সার্ভিসটি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে Google+1 Button, Google+ Followers, Google+ Badge ও Google+ Comment সহ অন্যান্য সার্ভিসগুলো ব্লগে ব্যবহার করতে পারবেন না। এটি বন্ধ হওয়ার পর আপনি নিজে থেকে এ সার্ভিসগুলি বন্ধ না করলে অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে।
কিভাবে Google+ Profile থেকে Blogger Profile এ পরিবর্তন করতে হয়?
উপরের চিত্রটি হচ্ছে আমার ব্লগের অফিসিয়াল গুগল প্লাস ভেরিফাইড পেজ। গুগল আমার এই পেজটিতেও নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বলছে আগামী এপ্রিল মাসের ২ তারিখে গুগল প্লাস সার্ভিসটি বন্ধ করে দিচ্ছে বিধায় আমার পেজটি ডিলিট হয়ে যাবে। আমার পেজে কোন ধরনের প্রয়োজনীয় তথ্য বা ছবি থাকলে সেটি ব্যকআপ করে নেওয়ার কথাও বলছে।

Google+ Profile থেকে Blogger Profile এ পরিবর্তন

যেহেতু গুগল প্লাস সার্ভিসটি ব্লগে ব্যবহার করার বিকল্প কোন উপায় নেই সেহেতু আগে থেকে এটি পরিবর্তন করে নেওয়া উত্তম হবে। নিচের কয়েকটি সহজ ধাপ অনুসরণ করে আপনার ব্লগকে Google+ Profile থেকে Blogger Profile এ পরিবর্তন করতে সক্ষম হবেন।
  • প্রথমে আপনার ব্লগে লগইন করুন।
  • তারপর আপনার একাধিক ব্লগ থাকলে কাঙ্খিত ব্লগটি সিলেক্ট করুন।
কিভাবে Google+ Profile থেকে Blogger Profile এ পরিবর্তন করতে হয়?
  • এখানে উপরের চিত্রের ন্যায় ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Settings > User Settings এর অধীনে থাকা General > User Profile হতে Blogger সিলেক্ট করে উপরের ডান পাশে থাকা Save Settings এ ক্লিক করতে হবে। সকল সেটিংস সেভ করার পর নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Google+ Profile থেকে Blogger Profile এ পরিবর্তন করতে হয়?
  • এখানে উপরের চিত্র হতে হলুদ রং এর Switch to Blogger Profile এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি শো করবে।
কিভাবে Google+ Profile থেকে Blogger Profile এ পরিবর্তন করতে হয়?
  • এখানে আপনার নাম অথবা আপনার পছন্দমত যে কোন নাম লিখে হলুদ কালারের Continue to Blogger বাটনে ক্লিক করলেই Blogger Profile এ পরিবর্তন হয়ে যাবে। উল্লেখ্য যে, উপরের চিত্রে আপনি যে নাম লিখবেন সেই নামটি আপনার ব্লগের প্রত্যেকটি পোষ্টের লেখক হিসেবে শো করবে।
  • তারপর আপনার ব্লগার প্রোফাইলকে সাজাতে চাইলে কিংবা বিভিন্ন তথ্য সংযোজন করতে চাইলে পুনরায় ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Settings > User Settings এ যেতে হবে।
কিভাবে Google+ Profile থেকে Blogger Profile এ পরিবর্তন করতে হয়?
  • এখন উপরের চিত্রে থাকা General > User Profile হতে Blogger এর নিচে থাকা Edit বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Google+ Profile থেকে Blogger Profile এ পরিবর্তন করতে হয়?
  • উপরের চিত্রে অনেক তথ্য দেখতে পাবেন, যেগুলো আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংযোজন বা বিয়োজন করার পর অবশ্যই সেভ করে নিতে হবে। That's all
সাহায্য জিজ্ঞাসাঃ উপরের সবগুলো অংশ আমি চিত্র সহ সহজভাবে বুঝানোর চেষ্টা করেছি। আশাকরি আপনাদের কোন অংশ বুঝতে সমস্যা হবে না। তারপরও কোন অংশ বুঝতে সমস্যা হলে আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধান করার সর্বাত্মক চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ্।

Feb 27, 2018

কিভাবে Blogspot Blog ব্যবহার করে Landing Page তৈরি করবেন?
একটি ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগকে প্রফেশনাল মানের পর্যায়ে পৌছানোর জন্য ল্যান্ডিং পেজ অত্যান্ত ‍গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। কারণ ল্যান্ডিং পেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের ভিজিটরদেরকে এক পলকে সম্পূর্ণ সাইট সম্পর্কে ধারনা দেওয়া সম্ভব হয়। ফলে ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটের কোন্ কোন্ বিষয়গুলি তার প্রয়োজন আছে সেটা সহজে অনুধাবন করে কাঙ্খিত স্থানে ভিজিট করতে পারে। তাছাড়া আপনি যদি ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট চালু করেন তাহলে অবশ্যই ওয়েবসাইটের জন্য একটি ল্যান্ডিং পেজ রাখতে হবে।
কিভাবে Blogspot Blog ব্যবহার করে Landing Page তৈরি করবেন?
গুগল ব্লগার ব্যতীত অন্যান্য প্লাটফর্মের ক্ষেত্রে Landing Page তৈরি করাটা খুব সহজ একটা বিষয় কিন্তু ব্লগার এর ক্ষেত্রে কিছুটা জটিলতা রয়েছে। কারণ গুগল ব্লগার এর মূল পেজ Landing Page আকারে তৈরি করলে পোস্ট পেজের ক্ষেত্রে জঠিলতায় পড়তে হয়। সে জন্য ব্লগার এর  Landing Page তৈরি করতে অনেকটা ঝামেলার মধ্যে পড়তে হয়ে। সকল সমস্যা কাঠিয়ে আমরা আজ দেখাব মূল ব্লগার থিমস ঠিক রেখে কিভাবে গুগল ব্লগার এর জন্য একটি Landing Page তৈরি করতে হয়?

Landing Page কেন প্রয়োজন?

আপনি যে উদ্দেশ্যে ব্লগিং বা ওয়েবসাইট চালু করেন না কেন আপনি সব সময় আপনার ওয়েবসাইটের মূল পেজে মূল্যবান বিষয়গুলি রাখার চেষ্টা করবেন। একটি Landing Page এর মাধ্যমে আপনার প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস, সোসিয়াল মিডিয়া, আসন্ন ইভেন্ট ও পন্য প্রমোট সহ বিভিন্ন বিষয় ভিজিটরদের সামনে তুলে ধরতের পারবেন। একটি প্রফেশনাল মানের আকর্ষণীয় Landing Page পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাদেরকে আপনার ব্লগের নিয়মিত পাঠক হিসেবেও ধরে রাখতে পারবেন। তাছাড়া যত ভালমানের ওয়েবসাইট রয়েছে তাদের প্রত্যেকের একটি সুন্দর Landing Page রয়েছে। সুতরায় সার্বিক দিক বিবেচনায় একটি ব্লগের জন্য Landing Page প্রয়োজন রয়েছে।

কিভাবে Landing Page তৈরি করবেন?

এই কাজটি করার জন্য আপনার অবশ্যই HTML ও CSS বিষয়ে কিছু সম্যক ধারনা থাকতে হবে। এ দুটি বিষয়ে জ্ঞান না থাকলে পেজটি সঠিকভাবে ডিজাইন করতে কিছুটা বেগ পেতে হবে। আপনার যদি এ বিষয়ে কোনরূপ জ্ঞান না থাকে, তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
  • প্রথমে ব্লগে লগইন করুন।
  • তারপর ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Page > New Page এ ক্লিক করে একটি নতুন পেজ তৈরি করুন।
কিভাবে Blogspot Blog ব্যবহার করে Landing Page তৈরি করবেন?
  • উপরের চিত্রের New Page ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Blogspot Blog ব্যবহার করে Landing Page তৈরি করবেন?
  • উপরের চিত্রের ন্যায় ডান পাশের Page Settings এ ক্লিক করে চিত্রেরমত সেটিংস করতঃ পেজ এর একটি নাম দিয়ে পেজটি Published করুন।
  • এখন ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Theme > Edit HTML এ ক্লিক করুন।
কিভাবে Blogspot Blog ব্যবহার করে Landing Page তৈরি করবেন?
  • তারপর কিবোর্ড হতে Ctrl+F চেপে ]]></b:skin> অংশটি সার্চ করুন।
  • এখন নিচের Css কোডটি ]]></b:skin> ট্যাগের নিচে পেষ্ট করুন।
<b:if cond='data:blog.url == &quot;Your Landing Page URL&quot;'>
<style type='text/css'>
/* Hide Options
--------------------------------------- */
.sidebar-wrapper,.header-wrapper,.post-title,#blog-pager,.post-footer,#footer-wrapper,.comments{display:none!important}
/* Hide Options,If Using Default Theme
--------------------------------------- */
.header-outer,.column-right-outer,.tabs-outer,.footer-outer{display:none!important}
/* Changing Width
--------------------------------------- */
#content{width:100%!important}
</style>
</b:if>
  • এখানে লাল কালারের Your Landing Page URL এর জায়গায় আপনি যে পেজ তৈরি করেছিলেন সেই পেজটির URL বসিয়ে দিতে হবে। যার ফলে এই Conditional Tag টি শুধুমাত্র Landing Page এর ক্ষেত্রে ডিজাইনটি প্রয়োগ করবে। 
  • এখন আপনার তৈরিকৃত Landing Page টির Editor এ কাঙ্খিত ডিজাইনের HTML ও CSS কোডগুলি পেষ্ট করলে Page তৈরি হয়ে যাবে।
কিভাবে Blogspot Blog ব্যবহার করে Landing Page তৈরি করবেন?
  • That's all.

প্রফেশনাল Landing Page তৈরি করতে না পারলে!

আপনি আমাদের দেখানোমতে পেজ তৈরি করতে না পারলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। কারণ আমরা ইতোপূর্বে আমাদের ব্লগের জন্য একটি প্রফেশনাল মানের Landing Page তৈরি করে রেখেছি। আপনি চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগক্রমে পেজটি ক্রয় করে নিতে পারেন।

লাইভ দেখুন ফ্রি - দুঃখিত মূল্য ৫৫০ টাকা

আমাদের ডিজাইনকৃত Landing Page টি আপনার পছন্দ হলে সামান্য অর্থের বিনিময়ে কিনে নিতে পারবেন। তাছাড়াও উপরের কোন অংশ বুঝতে আপনার কোন সমস্যা হলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যার সমাধান দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ্।

Feb 13, 2018

গুগল ব্লগার ব্লগের জন্য ব্লগার ডেভেলপমেন্ট টিম প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ফিচার্স আপডেট উপহার দিচ্ছে। তন্মমধ্যে কাস্টম ডোমেন এ HTTPS সাপোর্ট অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ফিচার্স। বিগত ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে গুগল শুধুমাত্র ব্লগস্পট ডোমেন ব্যবহারকারীদের জন্য HTTPS সুবিধা চালু করেছিল। এ ক্ষেত্রে যারা কাস্টম ডোমেন ব্যবহার করছিলেন তারা এই সুবিধাটি নিতে পারছিলেন না। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহের দিকে কাস্টম ডোমেনের জন্য HTTPS সুবিধাটি লাউঞ্চ করে। তবে গুগল এখনো অফিসিয়ালভাবে এ বিষয়ে কোন ঘোষনা দেয়নি বিধায় পোস্টটি আমাদের ব্লগে শেয়ার করতে বিলম্ব হয়েছে। আমি চেয়েছিলাম গুগল অফিসিয়ালি ঘোষনা দেওয়ার পর এ সংক্রান্তে একটি পোস্ট করব।
কিভাবে ব্লগার Custom Domain এ HTTPS Enable করবেন?
যেহেতু HTTPS চালু হওয়ার প্রায় ০৩ মাস অতিবিবাহিত হয়েগেছে সেহেতু ইতোপূর্বে Custom Domain ব্যবহারকারী তাদের ব্লগের এ সার্ভিসটি চালু করে নিয়েছেন। যারা এ সার্ভিসটি চালু করতে পেরেছেন তাদেরকে আমরা স্বগত জানাচ্ছি। যারা এখনো চালু করেননি তারা আমাদের এই পোস্ট পড়ে পূর্ণাঙ্গভাবে তাদের ব্লগের জন্য HTTPS চালু করতে পারবেন। সেই সাথে উভয়ে আমাদের আজকের পোস্ট থেকে HTTPS এর অনেক সুবিধা ও অসুবিধা সহ এসইও সংক্রান্তে HTTPS এর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। উল্লেখ্য যে, HTTPS বিষয়ে আপনার কোন ধারনা না থাকলে আমাদের পূর্বের পোস্ট থেকে জেনে নিতে পারবেন।

HTTPS এর সুবিধা কি?

যেকোন ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর রাখা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সে জন্য ব্লগের HTTPS চালু থাকলে সার্চ ইঞ্জিন সহ ভিজিটরদের নিকট থেকে বাড়তী কিছু সুবিধা নেওয়া যাবে। নিম্নে আমরা পয়েন্ট আকারে HTTPS বিষয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা তুলে ধরলাম।
  • সার্চ র‌্যাংকিং বৃদ্ধিঃ গুগল মামা হচ্ছে মহা জ্ঞানী এবং সর্ব জান্তা। সে সকল বিষয়ে পুঙ্খানু পুঙ্খভাবে জ্ঞান রাখে এবং সেই অনুপাতে সবকিছু মূল্যায়ন করে সার্চ র‌্যাংকিং নির্ধারণ করে। এ ক্ষেত্রে যেহেতু HTTPS হচ্ছে Secure সার্ভিস সেহেতু সার্চ র‌্যাংকিং এর ক্ষেত্রে গুগল এ ধরনের ব্লগকে গুরুত্ব দেবে। তাছাড়া সার্চ ইঞ্জিন পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, গুগল সার্চ রেজাল্টের ১ম পাতায় HTTPS ব্যবহারকারীদের ব্লগ/ওয়েবসাইট অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্থান পেয়ে যায়।
  • ভিজিটরদের নিরাপত্তাঃ HTTPS ব্যবহার করার ফলে আপনার ব্লগের ভিজিটরদের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ নিরাপদ সার্টিফিকেট দিতে পারবেন। কারণ HTTPS ব্যবহার করার ফলে কেউ আপনার ভিজিটরের তথ্য চুরি করতে পারবে না বা অপব্যবহার করতে সক্ষম হবে না।
  • ট্রাফিক বৃদ্ধিঃ যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন এবং ভিজিটর উভয়ে HTTPS ব্লগকে গুরুত্ব দেবে সেহেতু সার্চ ইঞ্জিন হতে অর্গানিক ট্রাফিক বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি ভিজিটরদের নিকট হতে পেজ ভিউ বৃদ্ধি হবে।
  • প্রফেশনাল Look: সাধারণত HTTPS ব্লগের এড্রেস এর প্রথমে ব্রাউজারগুলি সবুজ রংয়ের Secure কানেকশন এর আইকন শো করে বিধায় দেখতে অনেকটা আকর্ষণীয় মনেহয়। এ ক্ষেত্রে সর্ব মহলে আপনার ব্লগের গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।
  • পেজ স্পীড বৃদ্ধিঃ অভীজ্ঞ ওয়েবমাস্টারদের অনেকে বলে থাকেন যে, HTTPS চালু করার ফলে ব্লগ/ওয়েবসাইট এর গতি বৃদ্ধি পায়। তবে আমি এ বিষয়টির সত্যতা খুঁজে পাইনি। আপনাদের কেউ এটার সত্যতা খুঁজে পেলে অবশ্যই আমাকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন।

HTTPS এর অসুবিধা কি?

পৃথিবীর প্রত্যেকটি কাজের এ্যাকশন ও রিএ্যাকশন রয়েছে। একইভাবে HTTPS এর ক্ষেত্রেও সাময়িক সময়ের জন্য অল্প কিছু অসুবিধা রয়েছে। আপনি এই সমস্যাগুলি সমাধান করে সকল অসুবিধা দূর করতঃ HTTPS সুবিধা ভোগ করে যেতে পারবেন।
  • সর্ব প্রথম সমস্যা হচ্ছে আপনার ব্লগ পুরাতন হয়ে থাকলে Mixed Content এর সমস্যায় পড়বেন। তবে ২০১৫ সালের পরের ব্লগ হলে এই সমস্যা হবে না।
  • গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস এ পুনরায় সাবমিট করার পর পোস্ট ইনডেক্স না হওয়া পর্যন্ত ব্লগের ট্রাফিক অনেকটা কমে যেতে পারে।
  • নতুন পোস্ট বিবেচনা করে গুগল পুরাতন পোস্ট ইনডেক্স করতে অনেক লম্বা সময় নিতে পারে।
  • সোসিয়াল মিডিয়ার লাইক ও শেয়ার এর কাউন্ট নতুন করে শুরু করবে বিধায় পুরাতন লাইক ও শেয়ার ড্রপ হয়ে যাবে।
  • গুগল AdSense এর বিজ্ঞাপন ঠিকমত শো না হতে পারে।

HTTPS এবং HTTP এর পার্থক্য কি?

সাধারণ দৃষ্টি HTTPS এবং HTTP এর মধ্যে কোন পার্থক্য অনুধাবন করা যায় না। তবে বিষয়টির একটু গভীরে গেলে এর ব্যাহ্যিক ও অভ্যান্তরিন পার্থক্য বুঝা যায়। নিচে আমরা এই দু’য়ের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলি আপনাদের বুঝার সুবিধার্তে তুলে ধরলাম।
  • HTTPS হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ নিরাপদ অন্যদিকে HTTP নিরপাদ নয়!
  • গুগল সার্চ ইঞ্জিন কিছু অতিরিক্ত সুবিধা দেয়, যা HTTP কে দেওয়া হয় না।
  • HTTPS ব্রাউজারে সবুজ প্রতিক থাকে অন্যদিকে HTTP এ Info প্রতিক থাকে।
  • Hyper Text Transfer Protocol Secure অন্যদিকে Hyper Text Transfer Protocol (HTTP)
  • HTTPS সব ক্ষেত্রে ফ্রি পাওয়া যায় না তবে HTTP সবসময়ই ফ্রি হয়ে থাকে।

কিভাবে ব্লগার Custom Domain এ HTTPS Enable করবেন?

আপনি এখনো গুগল ব্লগস্পট এর ফ্রি ডোমেন ব্যবহার করে থাকলে আমাদের পূর্বের পোস্টটি দেখে নিবেন। সেখান থেকে আপনার ফ্রি ডোমেনটির HTTPS চালু করতে পারবেন। তবে আপনি Custom Domain ব্যবহার করে থাকলে আমাদের এই ধাপটি অনুসরণ করতে থাকুন।
  • প্রথমে ব্লগে লগইন করুন।
  • তারপর ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Settings Option এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে ব্লগার Custom Domain এ HTTPS Enable করবেন?
  • এখানে উপরের চিত্রের HTTPS > HTTPS Availability হতে Yes সিলেক্ট করে দিলে অপশনটি একটিভ হয়ে যাবে। এই অপশনটি একটিভ করতে না পারলে এই লিংক হতে একটিভ করে নিতে পারবেন। তারপর কিছুক্ষন অপেক্ষা করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে ব্লগার Custom Domain এ HTTPS Enable করবেন?
  • উপরের চিত্রের HTTPS Redirect হতে Yes সিলেক্ট করে দিলে আপনার ব্লগের সকল লিংকগুলি HTTP হতে HTTPS এ অটোমেটিক রিডায়রেক্ট হয়ে যাবে। এখন থেকে আপনার ব্লগের এড্রেস নিচের চিত্রের ন্যায় দেখতে পাবেন।
কিভাবে ব্লগার Custom Domain এ HTTPS Enable করবেন?
  • উপরের চিত্রে দেখুন আমাদের ব্লগের এড্রেস এর আগে সবুজ রংয়ের Secure আইকন সহ HTTPS আকারে শো করছে। That's all

HTTPS Enable করার পর করণীয় কি?

এই অপশনটি চালু করার পর আপনার ব্লগের এড্রেস এর বাম পাশে Secure শো না করলে বুঝতে হবে যে, আপনার ব্লগে HTTPS এবং HTTP Mixed Content রয়েছে। এগুলির পাশাপাশি আরো কিছু কাজ রয়েছে যেগুলি আপনাকে করতেই হবে। তা না হলে আপনার ব্লগের এসইও এর ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখিন হতে হবে।
  • ব্রাউজারের আইকন সবুল কালারের না হয়ে থাকলে আপনার ব্লগের পোস্ট এবং টেমপ্লেট এর HTTP লিংকগুলিকে HTTPS করে দিতে হবে। সেই সাথে JavaScript এর মধ্যে HTTP থাকলে সেগুলিও পরিবর্তন করে নিতে হবে।
  • গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস এ সাইট সাবমিট করা থাকলে সেটি ডিলিট করতঃ পুনরায় নতুনভাবে সাবমিট করতে হবে। এই কাজটি না করলে গুগল আপনার ব্লগের লিংক সম্পর্কে দ্বিধাদ্বন্দের মধ্যে পড়ে যাবে।
  • Google Gnalytics ব্যবহার করে থাকলে সেখানেও আগেরটি ডিলিট করে পুনরায় নতুন করে HTTPS ভার্সন সাবমিট করতে হবে।
  • Google Custom Search Box ব্যবহার করে থাকলে সেখানেও আগেরটি ডিলিট করে পুনরায় নতুন করে HTTPS ভার্সন সাবমিট করতে হবে।
  • ব্লগের ড্যাশবোর্ডের অভ্যন্তরে যে Robot.txt ফাইল রয়েছে সেটিও HTTPS করে দিতে হবে।
  • গুগল AdSense ব্যবহার করে থাকলে বিজ্ঞাপন শো না হলে এ্যাডসেন্স শো করানোর জন্য কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে।

গুগল AdSense বিজ্ঞাপন শো না করলে করণীয় কি?

এই আর্টিকেলটি লিখার সময় গুগল এ্যাডসেন্স এর বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়নি বিধায় পোস্টটি পুনরায় নতুন করে আপডেট করতে হল। আমাদের আর্টিকেলটি পড়ার পর অনেকে কমেন্ট করে বলেছেন যে, HTTPS Enable করার পর তাদের ব্লগে এ্যাডসেন্স এর বিজ্ঞাপন শো করছে না। যারা এই সমস্যায় ভোগছেন তারা নিচের ধাপটি অনুসরণ করে খুব সহজে সমস্যা হতে পরিত্রান পেতে পারবেন।
  • প্রথমে ব্লগে লগইন করুন।
  • তারপর ব্লগার Template ও Widgets এর ভীতরে থাকা নিচের লাইনটির ন্যায় যে এ্যাডসেন্সের কোড রয়েছে সেটি ডিলিট করে দিতে হবে।
<script async src="//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js"></script>
  • উপরের লাইনটি ডিলিট করে ব্লগার Template এর </body> ট্যাগের উপরে নিচের কোডটি যুক্ত করুন।
<script type='text/javascript'>
//<![CDATA[
(function() { var ad = document.createElement('script'); ad.type = 'text/javascript'; ad.async = true; ad.src = 'https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js'; var sc = document.getElementsByTagName('script')[0]; sc.parentNode.insertBefore(ad, sc); })();
//]]>
</script>
  • তারপর Template Save করে বেরিয়ে আসুন।
  • উপরের কাজটি করার পরও আরো কিছু কাজ করতে হবে। কারণ ব্লগার ডেভেলপার টিম সম্প্রতি ব্লগার ড্যাশবোর্ডে Monitization Custom ad.txt নামে একটি অপশন চালু করেছে। গুগল এ্যাডসেন্স ব্যবহারকারীগণ এই অপশনটি অবশ্যই ঠিকমত একটিভ করে নিতে হবে।
  • অপশনটি চালু করার জন্য ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Settings > Search Preferences এ ক্লিক করতঃ Monitization Custom ad.txt অপশনটি Yes করে দিতে হবে।
adsense-monitization-custom ad.txt
  • উপরের চিত্রের তীর চিহ্নিত Edit অপশনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
adsense-monitization-custom ad.txt
  • এখানে উপরের চিত্রের ন্যায় Yes সিলেক্ট করে নিচের কোডগুলো খালি ঘরে বসিয়ে দিতে হবে।
google.com, pub-0000000000000000, DIRECT, f08c47fec0942fa0
  • সবশেষে Save Changes ক্লিক করলে কাজ হয়ে যাবে। তবে উপরের লাল কালারের কোড এর জায়গাতে আপনার এ্যাডসেন্সের কোডটি বসাতে হবে। এখন থেকে আপনার ব্লগে গুগল এ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন শো করতে কোন সমস্যা হবে না।
সাহায্য জিজ্ঞাসাঃ HTTPS সংক্রান্ত সকল সমস্যা বর্ণনার পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গভাবে সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আপনি যদি কোন ধাপ বুঝতে না পারেন, তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে অথবা কোন গঠনমূলক পরামর্শ প্রদান করতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধান সহ পরামর্শ সাধরে গ্রহন করতঃ ভবিষ্যতে আরো ভালভাবে আর্টিকেল লিখার ও শেয়ার করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ্।
 
Subscribe for all Updates

Subscribe Now

কপিরাইট © 2015 - প্রযুক্তি ডট কম ™, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Powered by: